Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.3/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৮-০৮-২০১৬

শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন ঘরোয়া ৭ উপায়ে

নিগার আলম


শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করুন ঘরোয়া ৭ উপায়ে

কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই পরিচিত একটি সমস্যা। বেশিরভাগ মানুষই এই সমস্যার সম্মুখিন হয়ে থাকে। বড়দের সাথে সাথে ছোট শিশুরাও এই সমস্যার মধ্যে পড়ে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য শিশুদের ওষুধ খাওয়ানো সম্ভব হয় না। শিশুদের সহ্য ক্ষমতা বড়দের থেকে কম হওয়ায় ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তাদের দ্রুত পড়ে। মূলত হঠাৎ করে শক্ত খাবার খাওয়া শুরু করার কারণে তাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দেয়। ওষুধ ছাড়া ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা দূর করা সম্ভব। আজ এমন কিছু উপায়ের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব।  

১। পেট ম্যাসাজ
শিশুর পেট ম্যাসাজ এই সমস্যা সহজে দূর করতে পারে। শিশুকে শুয়ে দিন। এবার অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল কুসুম গরম করে নিন। এটি শিশুর পেটে আঙ্গুল দিয়ে ডান থেকে বাম দিকে ম্যাসাজ করে নিন। এটি তিন থেকে চার বার করুন।  এটি দিনে কয়েকবার করুন।

২। আলুবোখরার জুস
শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে আলুবোখরার জুস বেশ কার্যকর। আলুবোখরার রসের সাথে সমপরিমাণ পানি মিশিয়ে সেটি শিশুকে পান করাতে পারেন। আলুবোখরা শিশুর পেট নরম করে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করে দেয়।

৩। গরম পানির গোসল
শিশুর বাথটবে কুসুম গরম পানি দিয়ে দিন।  এই পানিতে শিশুকে গোসল করান। গোসলের সময় শিশুর পেটে ম্যাসাজ করুন। এটি শিশুর শরীর রিল্যাক্স করতে সাহায্য করবে।

৪। মৌরী
দুই কাপ পানিতে এক চা চামচ মৌরী মিশিয়ে চুলায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন। জ্বাল হয়ে আসলে এটি ঠান্ডা হতে দিন। প্রতিদিন এক থেকে আধা চা চামচ মৌরী পানি শিশুকে দিন। এটি শিশুর পেটের গ্যাসের সমস্যা দূর করে থাকে। যেসব মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খেতে দিন, তারা নিজেরা মৌরী পানি পান করতে পারেন দিনে দুই থেকে তিনবার।

৫। কিসমিস
এক কাপ পানিতে ৫-৬ টি কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। পরের দিন কিসমিসগুলো ভেঙ্গে পানির সাথে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি শিশুকে দিনে দুই বার পান করান।

৬। দুধ
এক গ্লাস দুধে দুই –তিন চা চামচ মধু বা চিনি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি শিশুকে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করান। এটি সহজে শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে দিবে।

৭। আপেল জুস
আপেল উচ্চ পেকটিন সমৃদ্ধ খাবার, যা পেট নরম করে। একদিনে দুই থেকে চার আউন্স আপেলের জুস শিশুকে দিতে পারেন। তবে বাজারের আর্টিফিসিয়াল আপেল জুসের পরিবর্তে ঘরের আপেলের জুস বেশি উপকারী।

লিখেছেন- নিগার আলম

এফ/০৯:৩০/০৮আগষ্ট

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে