Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৮-০৬-২০১৬

আগের চেয়ে লম্বা হচ্ছে বাংলাদেশের শিশুরা

আগের চেয়ে লম্বা হচ্ছে বাংলাদেশের শিশুরা

ঢাকা, ০৬ আগষ্ট- একটি উন্নয়নশীল দেশের অগ্রগতিকে কিভাবে পরিমাপ করতে পারেন আপনি? এর উত্তরে হয়তো নানা ধরনের মাপকাঠির কথা বলবেন আপনি। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কিন্তু একটি ব্যতিক্রমী মাপকাঠি ব্যবহার করতে পারেন আপনি। দেশের কিশোর-কিশোরীদের দিকে তাকাতে পারেন। ভাবছেন, এটা কিভাবে অগ্রগতির মাপকাঠি হতে পারে?

বাংলাদেশে গত এক যুগে যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করেছে তারা স্বাভাবিকের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি লম্বা হচ্ছে। এই প্রথম বিষয়টি নিয়ে একটি গবেষণায় তথ্যটি বেরিয়ে এসেছে। এ নিয়ে ইতিমধ্যে মাথা ঘামাতে শুরু করেছেন উন্নয়ন এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা।

প্রশ্ন হচ্ছে, কিভাবে। যেখানে দেশের একটি অংশের মানুষ অপুষ্টি এবং খাদ্য সঙ্কটে ভোগে সেখানে স্বাভাবিকের চেয়ে কিভাবে শিশুরা লম্বা হয়ে বেড়ে উঠছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য যখন বিশেষজ্ঞরা একত্রিত করলেন তখনই ফলাফলটি বেরিয়ে এলো।

বর্তমান পৃথিবীতে কোটি কোটি শিশু পুষ্টিহীনতার কারণে যথাযথ মাত্রায় বেড়ে উঠতে পারে না। আর এটা হয় যখন শিশুরা পুষ্টিহীনতায় ভোগে তখন। প্রতি বছর পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩০ লাখেরও বেশি শিশু অপুষ্টির কারণে মারা যায়। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর ক্ষেত্রে এই চিত্র এখন পাল্টাতে শুরু করেছে।

২০০৪ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে মিলে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়তে শুরু করে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) সিএআরই (কেয়ার) এবং ইউএসএআইডি। তারা এই প্রকল্পের নাম দেয় ‘সৌহার্দ্য’। শুরুতে তারা বুঝতেই পারেনি প্রকল্পটি নারী ও শিশুদের ওপর এতোটা প্রভাব ফেলবে। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে শিশুদের অপুষ্টির হার ২৮ শতাংশ কমে যায়।

নারীদের মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, নিরাপদ সেনিটেশন সুবিধা, মাতৃত্ব বিষয়ক শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদানের মধ্য দিয়ে সংস্থা দুটি এই পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। প্রকল্পের গবেষক লিসা স্মিথ বলেন, ‘যেসব নারী এই প্রকল্পের আওতায় ছিল তারা সন্তান জন্মপূর্ব সময়ে ভালো পরিচর্যা পেয়েছে, পুষ্টিকর খাবার পেয়েছে এবং গর্ভকালীন যথার্থ বিশ্রাম পেয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রমাণ করতে পারি যে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সরকার এবং বেসরকারি সংস্থা একসঙ্গে মিলে কাজ করলে শিশুরা লম্বা এবং স্বাস্থ্যবান হয়ে বেড়ে উঠতে পারে।’

বর্তমানে পৃথিবীতে মোট খরচের মাত্র এক শতাংশ ব্যয় করা হয় পুষ্টি খাতে। এটা নিতান্তই কম। মৌলিক খাদ্য চাহিদার পাশাপাশি পুষ্টির বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া বলে দরকার বলে মনে করে বেসরকারি এই সংস্থা দুটি।

এফ/২৩:১০/০৬আগষ্ট

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে