Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.8/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৭-২৭-২০১৬

প্রথম লংকান হিসেবে আইসিসির হল অব ফেমে মুরালি

প্রথম লংকান হিসেবে আইসিসির হল অব ফেমে মুরালি

দুবাই, ২৭ জুলাই- আইসিসি হল অব ফেম। ক্রিকেটারদের এমন একটা সম্মান, যা কোন এক ক্রিকেটারের পুরো ক্যারিয়ারের বর্ণাঢ্য এক স্বীকৃতি। ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়াই এই সম্মানটি ক্রিকেটারদের আরাধ্য। হয়তো কোন আনুষ্ঠানিক পুরস্কার নেই, কিন্তু হল অব ফেমে নাম ওঠা মানেই বিশাল এক অর্জন। সেই অর্জনের খাতায় এবার প্রথম শ্রীলংকান ক্রিকেটার হিসেবে নাম লেখালেন মুত্তিয়া মুরালিধরন।

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর মোট চারজন ক্রিকেটারকে হল ফেমে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য নির্বাচন করা হলো। বছরের শেষ দিকে এসে নাম লেখা হবে এই চার ক্রিকেটারের। এর মধ্যে তিনজন পূরুষ এবং একজন নারী। মুরালি ধরনের সঙ্গে বাকি দু’জন হলেন জর্জ লোহম্যান এবং আর্থার মরিস। নারী ক্রিকেটার হলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক কারেন রোল্টন।

টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বাধিক উইকেট সংগ্রাহক মুরালিধরন। টেস্টে তার নামের পাশে রয়েছে ৮০০ উইকেট। আর ওয়ানডেতে রয়েছে ৫৩৪ উইকেট। টেস্ট-ওয়ানডে মিলিয়ে ক্যারিয়ারে এক হাজারের বেশি উইকেট সংগ্রাহক দুই বোলারের একজন তিনি। বাকিজন শেন ওয়ার্ন। ১৯৯২ থেকে শুরু করে ২০১১ পর্যন্ত মোট ১৯ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শ্রীলংকাকেই যেন অনেক উঁচুতে তুলে ধরলেন তিনি।

১৮৮০ থেকে ১৮৯০ সাল পর্যন্ত মাত্র ১০ বছর খেলেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার জর্জ লোহম্যান। ১৯০১ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সেই পরলোকে গমন করেন তিনি। ক্যারিয়ার মাত্র ১৮ টেস্টের। তবে এই ছোট্ট ক্যারিয়ারে তিনি যে রেকর্ড স্থাপন করেছেন, আজ পর্যন্ত সেটা ভাঙতে পারেনি কেউ। 

মাত্র ১৬ টেস্টেই একশ’ টেস্ট উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছে যান তিনি। দ্রুততম সময়ের মত একশ টেস্ট উইকেট নেয়ার রেকর্ড এখনও পর্যন্ত ভাঙতে পারেনি কেই। ১৮৯৬ সালে গড়া সেই রেকর্ডটি টিকে আছে ১২০ বছর। আরও কত বছর যে টিকে থাকে, সে অপেক্ষাতেই রয়েছে ক্রিকেট বিশ্ব।    

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান আর্থার মরিস ১৯৪৮ সালে স্যর ডন ব্র্যাডম্যানের শেষ সিরিজের সঙ্গী ছিলেন এবং সেই সিরিজে ব্র্যাডম্যানকে ছাড়িয়ে হয়ে গিয়েছিলেন সেরা। ৫ ম্যাচে ৮৭ গড়ে তিনি সংগ্রহ করেছিলেন ৬৯৬ রান। এমনকি লন্ডনের দ্য ওভালে ব্র্যাডম্যানের সর্বশেষ ইনিংসে ১৯৬ রান করেছিলেন মরিস আর্থার।

কারেন রোল্টন ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত করেছিলেন তিনি। ২০০১ সালে হেডিংলিতে ২০৯ রান করেছিলেন তিনি। নারী ক্রিকেটে যা সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। এছাড়া ২০০৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে করেছিলেন সেঞ্চুরি। ২০০৬ সালে এসে হলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। 

নিজ নিজ সময়ে ক্রিকেটে অসাধারণ অবদানের ফলেই মূলতঃ আইসিসির হল অব ফেমে ঠাঁই করে নিলেন এই চার ক্রিকেটার। আইসিসি প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন বলেন, ‘আমরা ভিন্ন ভিন্ন সময়ের সেরা কয়েকজন ক্রিকেটারকে বাছাই করে নিয়েছি। আধুনিক যুগের একজন গ্রেট ক্রিকেটার হলেন মুরালিধরন। লোহম্যান আর আর্থার মরিস ছিলেন তাদের নিজ নিজ সময়ের সেরা ক্রিকেটার। এমনকি তারা ক্রিকেটের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গেছেন। আর নারী ক্রিকেটে কারেন রোল্টনের অবদানকে কোনভাবেই অস্বীকার করা যাবে না।’

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে