Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৭-২২-২০১৬

গুলশান হামলায় উন্নত তথ্য প্রযুক্তি কেন কাজে লাগেনি?

গুলশান হামলায় উন্নত তথ্য প্রযুক্তি কেন কাজে লাগেনি?

ঢাকা, ২২ জুলাই- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারীতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় শিক্ষা নিয়ে সরকার তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জঙ্গি ও সন্ত্রাস দমনে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করার পদক্ষেপ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ প্রতিমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন- প্রতিমন্ত্রী তথ্য প্রযুক্তির অনেক উন্নতি করেছেন বলে সংসদে বক্তব্য দিলেন। তাহলে গুলশানের ন্যাক্করজনক হামলায় তথ্য ও ছবি কীভাবে জঙ্গিরা দেশের বাইরে পাঠিয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী উন্নত তথ্য প্রযুক্তি কেন কাজে লাগাতে পারেননি? এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সংসদে এসব কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গুলশানে হামলার পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ওই স্থান ঘেরাও করে। জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধার্থে কিছু সময় ওই এলাকায় নেটওয়ার্ক সচল ছিল। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে বিটিআরসি মোবাইল কল ও ডেটা সার্ভিস বন্ধ করে দেয়। ওই হোটেলে ওয়াইফাই প্রযুক্তি ছিল। সেটি শনাক্ত করার পর তাও বন্ধ করে দেয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করছে। যাতে গুলশানের শিক্ষা থেকে ভবিষ্যতে এ ধরনের জঙ্গি ও সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া যায়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে সোসাল মিডিয়াগুলো মনিটরিং করছে। এসব সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কেউ যাতে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে পারিবারিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সচেতনতা বাড়ানো দরকার। সন্তানেরা মোবাইল, ট্যাব ও কম্পিউটারে কী করছে সে বিষয়ে অভিবাকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরো বলেন, সোসাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেউ যদি জঙ্গিবাদ লাইক কিংবা কমেন্ট এবং শেয়ার করে তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিকের প্রশ্নের জবাবে জুনাইদ আহ্মেদ পলক বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন’ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাছাইকৃত ১০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সাথে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এ কার্যক্রম বিস্তৃতত করা হবে।

তিনি বলেন, সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি জেলায় ১টি করে মোট ৬৫টি ভাষা শিক্ষা ল্যাবসহ উপজেলা পর্যায়ে ২০০১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট ২০০১টি শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব (কম্পিউটার ল্যাব) স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এফ/১০:৪৫/২২জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে