Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৭-১৮-২০১৬

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর পুলিশ বাহিনীতে শুদ্ধি অভিযান

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের পর পুলিশ বাহিনীতে শুদ্ধি অভিযান

আঙ্কারা, ১৮ জুলাই- তুরস্কে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের বিরুদ্ধে শুক্রবার রাতে এক অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়ে যাবার পর - সেখানে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ব্যাপক ‘শুদ্ধি অভিযান’ চলছে। অভ্যুত্থানের সমর্থক বলে কাউকে সন্দেহ করা হলেই তাকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে।

গত রাত থেকে আট হাজারেরও বেশি পুলিশ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাদের অস্ত্র জমা দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে সেনাবাহিনী, স্থানীয় সরকার, বিচার বিভাগ, পুলিশের হাজার হাজার সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় সেনা ঘাঁটিতে ঢুকে ঢুকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

আজ সোমবারও ইস্তাম্বুলের বিমান বাহিনীর একাডেমিতে ঢুকে অনেক কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত একশোরও বেশি জেনারেল এবং অ্যাডমিরালকে ধরা হয়েছে।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের অন্যতম নাটের গুরু সন্দেহে বিমান বাহিনীর সাবেক কমান্ডার একিন ওযতুর্ককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, তৈরি তালিকা ধরে ধরে এসব গ্রেপ্তার চলছে। একই সাথে সমর্থকদের চাঙ্গা রাখছে সরকার। রাস্তা না ছাড়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

তুরস্কের ক্ষমতাসীন এক পার্টির অন্যতম নেতা এবং মন্ত্রী ফারুক সেলিক এক জনসভায় বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দেশ এখন ঐক্যবদ্ধ।

তুরস্কের এই মন্ত্রী বলেছেন, “যারা এই সঙ্কট তৈরি করেছে, অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছে, তাদের বলছি কোনোভাবেই তোমরা সফল হবে না। মানুষের ঐক্য তোমরা নষ্ট করতে পারবে না।”
সরকার সমর্থকরা দাবি করছে, অভ্যুত্থানকারীদের চরম শাস্তি দিতে মৃত্যুদণ্ডের বিধান ফিরিয়ে আনতে হবে।

প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান গতকালও বলেছেন, এই দাবি তিনি মাথায় রাখছেন। এ ধরনের ইঙ্গিতের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে ইউরোপে।

তুরস্কের পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকের আগে জোটের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান ফেডেরিকা মোগেরিনি তুরস্ককে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তারাও ইউরোপীয় মানবাধিকার সনদের আওতায় পড়ে।

তিনি বলেছেন, “মৃত্যুদণ্ড রয়েছে এমন কোনো দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে ঢুকতে পারবে না। এটা খুব পরিষ্কার। তুরস্ক কাউন্সিল অব ইউরোপের সদস্য। ফলে ইউরোপীয় মানবাধিকার সনদ তুরস্কের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০১৩ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিচারবিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তার বিরোধীদের সরিয়ে ফেলার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছেন, এখন তা শেষ করার বিরল এক সুযোগ পেয়ে গেছেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

আর/১০:১৪/১৮ জুলাই

ইউরোপ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে