Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৭-১৮-২০১৬

খালেদার গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ গঠন ২৮ আগস্ট

খালেদার গ্যাটকো মামলায় অভিযোগ গঠন ২৮ আগস্ট

ঢাকা, ১৮ জুলাই- বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২৮ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার আসামি পক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দিন ধার্য করেন। মামলার বিবরণি থেকে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়াকে ১৩ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন আদালত। ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের কপি নথি নিম্ন আদালতে আসে। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি আবদুর রবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেন।

মামলার পরদিন খালেদা জিয়া ও কোকোকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় জরুরি ক্ষমতা আইনে। পরের বছর ১৩ মে খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনের অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচারিক আদালতে মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ২০০৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে আলাদা দুটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকো।

এর তিন দিন পর খালেদা ও কোকোর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দেন হাইকোর্ট। মামলাটি জরুরি ক্ষমতা আইনের অন্তর্ভুক্ত করা কেন বেআইনি ও কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না -তা জানতে চাওয়া হয় ওই রুলে।

তবে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়ে যায়। দুদক আইনে গ্যাটকো মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৮ সালে আরেকটি রিট আবেদন করেন খালেদা জিয়া। তার আবেদনে হাইকোর্ট আবারও মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় এবং মামলাটি কেন বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেন। দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর দুদক মামলাটি সচলের উদ্যোগ নেয়। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল শুরু হয় রুলের শুনানি।

এফ/১৫:৪০/১৮জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে