Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.3/5 (3 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৭-১৫-২০১৬

রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৭শ’ কোটি ডলার

রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৭শ’ কোটি ডলার

ঢাকা, ১৫ জুলাই- চলতি অর্থ বছরে (২০১৬-২০১৭) দেশের রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৭শ’ কোটি (৩৭ বিলিয়ন ) মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে (২০১৫-’১৬) এ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৩৫০ কোটি (৩৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। 

তবে বছর শেষে লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে অর্জিত রফতানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২৪ কোটি ১ লাখ (৩৪ দশমিক ২৪১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। রফতানি আয়ের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত এক সভায় এ অর্থ-বছরের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণসহ এসব তথ্য জানানো হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

তিনি রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধির হার বাড়ার বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, বর্তমান সরকার ২০২১ সালে বাংলাদেশের রফতানি আয় নির্ধারণ করেছে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

চলমান রফতানি বৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকলে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন হবে না উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘রফতানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা মোকাবেলার মধ্যদিয়ে দেশের রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখার জন্য রফতানিকারকদের ধন্যবাদ জানান।’

তিনি এ সভায় জানান, বিগত দিনের মত আগামীতেও দেশের রফতানি বাণিজ্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্থ করতে একের পর এক বাধা আসলেও বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত-গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বীরের জাতি বাঙ্গালি, সকল বাধা সফলতার সাথে মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে সফলভাবে আরও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় রফতানি খাত তৈরি পোশাক। দেশের মোট রফতানির প্রায় ৮২ ভাগ দখল করে আছে তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক শিল্পের উপর অনেক বাধা এসেছে। বাংলাদেশ সম্মিলিতভাবে সে সব বাধা সফলভাবে দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করেছে। সরকার শুধু তৈরি পোশাকের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে আনতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।

তিনি বলেন, এখন তৈরি পোশাকের পাশাপাশি গত বছর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য ৫৫.৮১%, পাট ও পাটজাত পণ্য ৫.৮৮%, ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোডাক্টস ১৪.১০%, ক্যাপ ১৩০.৬৯%, ফার্র্নিচার ১৮.৮০% হারে রফতানি বৃদ্ধি হয়েছে। এছাড়া কৃষিজাত পণ্য ক্যামিকেল প্রোডাক্টস রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকার দেশের ওষধ, আইসিটি, জাহাজসহ নতুন নতুন পণ্য রফতানি বৃদ্ধির বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। রফতানি ক্ষেত্রে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের চামড়া শিল্পের সম্ভাবনা খুবই উজ্জ্বল। আগামী কোরবানীর ঈদের আগেই নতুন চামড়া শিল্প নগরীতে সকল কারখানা স্থানান্তরিত হবে। এখানে দেশের চামড়া শিল্পের নতুন যুগের সূচনা হবে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে। এ সুযোগকে কাজ লাগাবে সরকার।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোর্শারফ হোসেন ভূঁইয়া, বিকেএমইএ’র সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান এমপি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত ও যুগ্ম সবিচবৃন্দ, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান মাফরুহা সুলতানা, কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, এফবিসিসিআই-এর প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সফিউল ইসলাম এবং বাংলাদেশ জুট মিলস এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি এ বাকির খান এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আর/১৭:১৪/১৫ জুলাই

ব্যবসা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে