Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৭-১১-২০১৬

উন্নয়নের নিরিখে বহু পিছিয়ে অধিকৃত কাশ্মীর

উন্নয়নের নিরিখে বহু পিছিয়ে অধিকৃত কাশ্মীর

শ্রীনগর, ১১ জুলাই- যে জম্মু-কাশ্মীরকে বিচ্ছিন্ন করে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্গে সংযুক্ত করার দাবিতে হিংসাত্মক আন্দোলন করছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি, তাদের কাছেই চিন্তার কারণ অধিকৃত কাশ্মীরের উন্নয়ন। লিডার নদীর অন্যপারে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফ্ফরাবাদ হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি সংগঠনের সদর দফতর। সেই অধিকৃত কাশ্মীরের উন্নয়ন যে আদৌ সম্ভব নয় তা বিভিন্ন পরিসংখ্যানেই প্রকাশ। শ্রীনগর সহ জম্মু-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ অংশে গণতান্ত্রিক কাঠামো সুপরিচিত। এমনকি অখণ্ড কাশ্মীরের উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে এখনও জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য বিধানসভায় ২৪টি আসন ফাঁকা রাখা হয়। এই আসনগুলি নির্দিষ্ট করা রয়েছে পাকিস্তান দ্বারা অধিকৃত অংশের জন্য।

ঝিলম ও লিডার নদীর এই বিশাল উপত্যকা নিয়ে বিবাদ এখন সাত দশকের মাথায়। এই নিয়ে যুদ্ধ সংগঠিত হয়ে গিয়েছে একাধিকবার। সম্প্রতি বহুবার গুলির লড়াই হয়েছে ভূস্বর্গে। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের বিরূপ মন্তব্যেও ঝড় উঠেছে বিতর্কের। কিন্তু, উন্নয়নের পরিসংখ্যানের নিরিখে এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর।

সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের করুণ অবস্থা। সেখানে ভারতের শাসনে থাকা কাশ্মীর উন্নয়নে প্রায় আকাশ ছুঁয়েছে। ১৯৪৮ সালে ভারতের শাসনাধীন জম্মু-কাশ্মীরে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭২২, ৫১০ এবং নয়। ২০১৫ সালে তা হয়েছে ৪২৬৫, ২৮৪১ এবং ২৪। সেখানে পাকিস্তানের দখল করে রাখা কাশ্মীরে ১৯৪৮ সালে সংখ্যাটা ছিল ৩২৯, ২৪২ এবং ছয়টি। ২০১৫ সালে সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ৩০২, ১৬১ এবং চার। ১৯৪৮ সালে ভারতের আওয়তায় থাকা জম্মু-কাশ্মীরে স্নাতকের হার ছিল ৩৮ শতাংশ। ২০১৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫২ শতাংশে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সংখ্যাদু’টি যথাক্রমে ২৩ এবং তিন। দু’টি এলাকায় মহিলাদের ক্ষমতায়নের হারের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে বিরল পার্থক্য। সালে ভারতের শাসনে থাকা জম্মু-কাশ্মীরের মহিলাদের ক্ষমতায়নের হার ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬১ শতাংশ। অন্যদিকে পাকিস্তানে সেই সংখ্যাটা ১৯ শতাংশ থেকে তিন শতাংশে নেমেছে। ভারত সরকার কর্মযজ্ঞে জম্মু-কাশ্মীরে ওই নির্দিষ্ট সময়ে রাস্তার দৈর্ঘ্য বেড়েছে ১৮হাজার কিমি। সেখানে অধিকৃত কাশ্মীরে মাত্র ৩০০ কিমি রাস্তা তৈরি করতে পেরেছে পাক সরকার। পর্যটন শিল্পে ১৯৪৮ সালে ভারতের আয় ছিল ৭০হাজার। ২০১৫ সালে তা হয়েছে ১৮লক্ষ। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে সেই সংখ্যাদু’টি যথাক্রমে ২১হাজার এবং চার হাজার। ওই সময়ে ভারতের শাসনাধীন কাশ্মীরের জিডিপি বৃদ্ধির হার বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। অধিকৃত কাশ্মীরে কমে গিয়েছে অর্ধেকেরও বেশি।


এত কছু কমের মধ্যেও একটি জিনিষে এগিয়ে রয়েছে পাকিস্তান। অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতের জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের তুলনায় বেকারত্ব অনেক বেশি। ১৯৪৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনগুণ বেকার বেড়েছে অধিকৃত কাশ্মীরে।

এফ/১৭:১০/১১জুলাই

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে