Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৭-০৪-২০১৬

খালার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় ফারাজ

খালার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় ফারাজ

ঢাকা, ০৪ জুলাই- গুলশানের রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ফারাজ আইয়াজ হোসেনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাঁর খালা শাজনীন তাসনিম রহমানের কবরের পাশে ফারাজ আইয়াজ হোসেন চিরনিদ্রায় শায়িত হন।

বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় ওই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত অবিন্তা কবীরকেও।

গত শুক্রবার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারি রেস্তোরাঁয় বর্বর সন্ত্রাসী হামলায় ফারাজ আইয়াজ হোসেনসহ তিন বাংলাদেশি নিহত হন। ওই সন্ত্রাসী হামলায় ১৭ বিদেশি নাগরিক নিহত হন।

আজ সন্ধ্যায় খালা শাজনীন তাসনিম রহমানের পাশের কবরে ফারাজ আইয়াজ হোসেনকে দাফন করা হয়। এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক, ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী লতিফুর রহমান, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, ফারাজের মা সিমিন হোসেন, বাবা ওয়াকার হোসেন, ফারাজের বড় ভাই যারেফ আয়াত হোসেনসহ পরিবার ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ফারাজ যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার ইমোরি ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন। তিনি ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী লতিফুর রহমান ও শাহনাজ রহমানের দৌহিত্র এবং সিমিন হোসেন ও ওয়াকার হোসেনের ছেলে।

এর আগে বাদ আসর রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে ফারাজ আইয়াজ হোসেন ও অবিন্তা কবীরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হক, ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী লতিফুর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইনাম আহমেদ চৌধুরী ও সাবিহ আহমেদ, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, ট্রান্সকম ফুডসের এমডি ও সিইও আক্কু চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, ব্যবসায়ী নেতা ও এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, আইনজীবী রফিকুল হক, সাবেক পররাষ্ট্রসচিব শমসের মবিন চৌধুরী, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান চৌধুরী, ডিসিসিআইয়ের রেজা আলীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

জানাজার আগে অবিন্তা কবীরের বাবা এহসানুল কবীর বলেন, গত শুক্রবার এক সন্ত্রাসী হামলায় তাঁর মেয়ে নিহত হন। মেয়ের কাছ থেকে কারও কিছু দেনা-পাওনা থাকলে তাঁর কাছ থেকে নেওয়ার জন্য বলেন এহসানুল কবীর। কাল মঙ্গলবার রাজধানীতে তাঁর বাসায় অবিন্তা কবীরের জন্য দোয়া আয়োজন করা হয়েছে।

জানাজার আগে ফারাজ আইয়াজ হোসেনের বড় ভাই যারেফ আয়াত হোসেন বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ফারাজ আইয়াজ হোসেনকে আমরা “ছোট” বলে ডাকতাম। আমার ছোট ভাই বর্বর সন্ত্রাসী হামলায় শাহাদত বরণ করেন। জীবনের চলার পথে কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। দেনা-পাওনা থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’ তিনি আরও বলেন, তাঁর ছোট ভাইয়ের কুলখানি আগামী রোববার বাদ আসর রাজধানীর গুলশানের বাসায় অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে সকালে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর শোক ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার পর বেলা পৌনে একটার দিকে ফারাজের মরদেহ গুলশানে নেওয়া হয়। তাঁর নানা ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী লতিফুর রহমানের বাসায় মরদেহ রাখা হয়। সেখান থেকে গুলশানের আজাদ মসজিদে ফারাজের মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানেই ফারাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

আর/১০:৪৪/০৪ জুলাই

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে