Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৭-০৪-২০১৬

আইসল্যান্ডকে বিধ্বস্ত করে সেমিতে ফ্রান্স

আইসল্যান্ডকে বিধ্বস্ত করে সেমিতে ফ্রান্স

প্যারিস, ০৪ জুলাই- প্রথমবার খেলতে এসেই কোয়ার্টার ফাইনালে। এই জায়গায় আশার পথে ইংল্যান্ডের মত দৈত্য বধ করে এসেছে আবার। আত্মবিশ্বাসটা একটু বেশিই ছিল নবাগত আইসল্যান্ডের। কিন্তু রূপকথার মত এবারের ইউরো কাটানো আইসদের দৌড় থামিয়ে দিল স্বাগতিক ফ্রান্স। এক প্রকার বিধ্বস্ত করে নবাগত এই দলটিকে ৫-২ গোলে হারিয়ে সেমিতে পা রাখলো দিদিয়ের দেশামের দল। 

এর আগের চার ম্যাচের একাদশ নিয়েই এদিন ফ্রান্সের বিপক্ষে নামে আইসল্যান্ড। কিন্তু  স্বাগতিক ফ্রান্সকে তাদের মাটিতেই হারানো যে বড্ড কঠিন সেটি এর আগেও বুঝেছে অন্যান্য দলগুলি। শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে ফ্রান্সের স্ট্রাইকাররা। তাই গোল পেতেও বেশি দেরি হয়নি দলটির। খেলার ১২ মিনিটেই মাতৌদির ক্রস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আর্সেনাল স্ট্রাইকার জিরুড। 

এর ঠিক ৮ মিনিট পর আবারো এগিয়ে যায় ফ্রান্স। অ্যান্থনিও গ্রিজম্যানের কর্ণার থেকে গোল করে দলকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন জুভেন্টাস তারকা পল পগবা। পিছিয়ে পরেও লড়াই চালিয়ে যেতে থাকে আইসল্যান্ড। কিন্তু যে দলে গ্রিজম্যান-পায়েটরা রয়েছে তাদের সাথে কি আর পেরে উঠতে পারে ফিফা র‌্যাংকিংয়ের ৩৪ নম্বর দলটি! 


ম্যাচের ৪২ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে বা পায়ের দুর্দান্ত শটে গোল করে দলকে ৩-০ গোলে এগিয়ে দেন ওয়েস্ট হ্যাম তারকা দিমিত্রি পায়েট। এটি টুর্নামেন্টে তার দ্বিতীয় গোল। 

সবার গোলের দিনে ফ্রান্সের ত্রাণকর্তা গ্রিজম্যান গোল পাবেন না সেটিও যেন মেনে নিতে পারছিলেন না বিধাতা। তাই তো প্রথমার্ধের একদম শেষ মিনিটে জিরুডের হালকা টাচে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়েন গ্রিজম্যান। গোলকিপারকে একা পেয়ে তার মাথার উপর দিয়ে মেরে বল জালে জড়ান গ্রিজম্যান। টুর্নামেন্টে ৪ গোল করে তিনিই এখন এবারের ইউরোর শীর্ষ গোলদাতা। এবারের ইউরোর ১০০তম গোলও এটি। 

বিরতি থেকে ফিরে গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে আইসল্যান্ড। দুজনকে পরিবর্তন করে বদলি হিসেবে ইনগাসন এবং ফিনবোগাসনকে নামালে খেলায় গতি আসে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এই দেশটির। ৫৬ মিনিটে সিগার্ডসনের ক্রস থেকে গোল করে ১ গোল পরিশোধ করেন সিগবোর্সন। 

৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেও যেন গোলক্ষুধা মিটছিল না ফ্রান্সের। আইসল্যান্ডের গোলের ঠিক ৩ মিনিট পরেই পায়েটের বাড়ানো বলে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পঞ্চম গোলটি করেন জিরুড। জিরুডই প্রথম ফ্রেঞ্চ ফুটবলার যিনি কি না এক ম্যাচে দুই গোল এবং একটি গোলে সহযোগিতা করেছেন। 

৮৪ মিনিটে জার্নাসন আইসল্যান্ডের হয়ে আরো একটি গোল দিলে সেটি কেবল ব্যবধানই কমাতে সাহায্য করে। ২০০৬ সালের পর প্রথম কোন টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠতে সক্ষম হল ফ্রান্স। ২০০২ সালের প্রথম কোন ইউরো ম্যাচে ৭ গোল দেখলো বিশ্ববাসী। সেমিতে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি।

এফ/১৬:৩০/০৪জুলাই

ফুটবল

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে