Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-৩০-২০১৬

বিদেশি সহায়তা বেড়েছে

মামুন আব্দুল্লাহ


বিদেশি সহায়তা বেড়েছে

ঢাকা, ৩০ জুন- চলতি (২০১৫-১৬) অর্থবছরের ১১ মাসে ২৮৮ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগীরা। গত অর্থবছরে একই সময়ে অর্থ ছাড়ের পরিমাণ ছিল ২৬৩ কোটি ৫৫ লাখ ডলার। এ হিসাবে জাতীয় উন্নয়নে দাতাদের ছাড়ের পরিমাণ বেড়েছে ২৫ কোটি ডলার।  

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সর্বশেষ হালনাগাদ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।  

ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ১১ মাসে ৪২২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার ঋণ সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। আর অনুদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে ৫২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। সব মিলে ১১ মাসে ৪৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রতিশ্রুতি আদায়ের পরিমাণ ছিল ২৮২ কোটি ৬২ লাখ ডলার। এর মধ্যে ঋণ ছিল ২৪৩ কোটি ৮৭ লাখ এবং অনুদান ৩৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার।

একই সঙ্গে অর্থবছরের ১১ মাসে ২৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলারের মধ্যে ঋণের পরিমাণ ২৪৬ কোটি ২৩ লাখ ডলার আর অনুদান ৪২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরে এ সময়ে ২১৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলার ঋণ এবং ৪৬ কোটি ৮১ লাখ অনুদান মিলে অর্থ ছাড়ের পরিমাণ ছিল ২৬৩ কোটি ৫৫ লাখ ডলার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বছরের শুরুতে ৬০০ কোটি ডলার সহায়তা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এ লক্ষ্য পূরণ করতে হলে শেষ মাসে আরও ১২৪ কোটি ১২ লাখ ডলারের প্রতিশ্রুতি আদায় করতে হবে। কিন্তু অর্থবছরের শেষ মাসে এ পরিমাণের অর্থ আদায় অসম্ভব বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

ইআরডি সূত্র জানায়, গত দুই অর্থবছর বিদেশি সহায়তা ছাড়ের পরিমাণ ৩০০ কোটি ডলার অতিক্রম করে। ২০১৪-১৫ অর্থবছর ৩০০ কোটি ডলারের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও ছাড় হয় ৩০৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ছাড় হয় দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩০৮ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এর ধারাবাহিকতায় চলতি (২০১৫-১৬) অর্থবছরের শুরুতে ৪৩৬ কোটি ২০ লাখ ডলার সহায়তা ছাড়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে এ লক্ষ্য ৩৬৬ কোটি ডলারে নামিয়ে আনা হয়।

এদিকে দাতাদের প্রতিশ্রুত অর্থ সময় মতো ব্যবহার করতে না পারায় পাইপলাইনের আকার ক্রমেই বাড়ছে বলে মনে করেন ইআরডির কর্মকর্তারা। সর্বশেষ হিসাবে পাইপলাইনে ২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের বেশি আটকে আছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আসলেই বিপুল এ অর্থ ছাড় হবে বলে তারা জানান। অবশ্য বিদেশি সহায়তা ব্যবহার বাড়াতে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দফায় দফায় উদ্যোগ নিচ্ছে। বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে নিয়ে বহুপাক্ষিক বৈঠক করছে দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, দাতাদের মধ্যেও আতলাতন্ত্র রয়েছে। অনেক সময় স্থানীয় অফিস সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সিদ্ধান্ত মূল অফিসের অনুমোদন ক্রমে নিতে হয়। এতে অনেক সময় লেগে যায়।

এদিকে চলতি অর্থবছরের মে পর্যন্ত সরকার বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীকে ঋণ ও ঋণের সুদ মিলে মোট ৯৩ কোটি ২২ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে আসল পরিশোধ করা হয়েছে ৭৭ কোটি ৬ লাখ ডলার। সুদ হিসাবে পরিশোধ হয়েছে ১৬ কোটি ১৫ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের এ সময়ে সুদাসল হিসাবে পরিশোধ হয়েছিল ১০২ কোটি ৬ লাখ ডলার। যার মধ্যে আসল ৮৫ কোটি ২৮ লাখ ডলার আর সুদ ১৬ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

আর/১০:৪৪/৩০ জুন

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে