Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-২৭-২০১৬

ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে করণীয়

ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পেতে করণীয়

বছরজুড়ে টুকটাক দেখা দিলেও বর্ষার এই সময়টাতে ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব থাকে। তাই এসময় সবার মনে একটা ভয় কাজ করে। ভাইরাসজনিত এই জ্বরকে রুখতে তেমন কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক নেই। জ্বরের শুরুতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। তাই ডেঙ্গু থেকে বাঁচার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে একে প্রতিরোধ করা। প্রয়োজন ডেঙ্গু সম্পর্কে বিস্তারিত জানা।

ডেঙ্গু
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত জ্বর। এডিস মশা বাহিত ৪ ধরনের ভাইরাসের যেকোনো একটির সংক্রমণে আসা জ্বরই ডেঙ্গু। ডেঙ্গুর দুই প্রকারের মধ্যে ক্লিনিক্যাল ডেঙ্গু জ্বর মোটামুটি সহনশীল হলেও হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর বা হেমোরেজিক ফিভার সবচেয়ে মারাত্মক। কখনো টিকার মাধ্যমে কিছুটা প্রতিরোধ গড়া যেতে পারে। তবে অধিকাংশ সময় এর কোনো প্রতিষেধক পাওয়া যায় না। লক্ষণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হয়। অন্য ভাইরাল ফিভারের মতো এটিও আপনা-আপনিই সেরে যায় সাত দিনের মধ্যে। তবে হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর ভয়াবহ হতে পারে।

ডেঙ্গুর লক্ষণ
হঠাৎ করে জ্বর আসা, কপালে, গায়ে ব্যথা, চোখে ব্যথা, চোখ নাড়ালে এদিকে ওদিকে তাকালে ব্যথা অনুভূত, মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া, পায়খানার সঙ্গে রক্ত অথবা কালো কিংবা লালচে কালো রঙের পায়খানা এমনকি প্রস্রাবের সঙ্গেও রক্ত যাওয়া ডেঙ্গুর অন্যতম লক্ষণ। হেমোরেজিক ফিভার হলে মস্তিস্কেও রক্তক্ষরণ হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ করে ১০৪ ডিগ্রি থেকে ১০৬ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। চরম অবসন্নতা এবং বিষাদগ্রস্ততা দেখা দিতে পারে। অরুচি, বমি বমি ভাব এবং ত্বক লাল হতে পারে। এই জ্বর ৩ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হয়। শরীরের চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ হতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ত্বকে রক্তক্ষরণ জনিত উপসর্গ দেখা যায়।

চিকিৎসা
ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা না থাকলেও এসময় প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা, বিশ্রাম নেয়া এবং প্রচুর তরল খাবার খাওয়া। জ্বর কমানোর জন্য কোনো মতেই প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ওষুধ খাওয়া যাবে না। জ্বরের সঙ্গে রক্তক্ষরণের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড়ে বারবার শরীর মুছে দিতে হবে।

সাবধানতা
সাবধানতা ডেঙ্গু রুখতে সহায়তা করে। এডিস মশা সাধারণত সূর্যোদয়ের আধাঘণ্টার মধ্যে এবং সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের আধাঘণ্টা আগে এডিস মশা কামড়াতে বেশি পছন্দ করে। এই দুই সময়ে মশার কামড় থেকে নিজেদের সাবধান থাকতে হবে। মশার বংশ ধ্বংস করতে তাদের আবাসস্থল দূর করতে হবে। পরিত্যাক্ত পাত্রে, ডাবের খোলা, ফেলে রাখা টায়ার, ফুলের টবে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করতে হবে। দিনের বেলাতেও ঘুমাতে হলে মশারি টাঙিয়ে নেয়া উচিৎ। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীকে মশারির মধ্যে রাখা শ্রেয়। কারণ এসব রোগীকে কোনো স্বাভাবিক এডিস মশা কামড় দিলে সেই মশাটিও ডেঙ্গুর জীবাণু বাহক হয়ে পড়বে। সেই মশাটি আবার সুস্থ কোনো ব্যক্তিকে কামড় দিলে সুস্থ ব্যক্তিটিও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবে।

আর/১৭:১৪/২৭ জুন

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে