Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (15 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-২০-২০১৬

রিমান্ডে ‘অনেক’ তথ্য দিয়েছেন রবিন

রিমান্ডে ‘অনেক’ তথ্য দিয়েছেন রবিন

চট্টগ্রাম, ২০ জুন- পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া যুবক শাহজামান ওরফে রবিন রিমান্ডে ‘অনেক’ তথ্য দিয়েছেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তবে এই যুবক হত্যাকাণ্ডে জড়িত কি না, সাত দিনের রিমান্ড শেষেও তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কেউ।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) দেবদাস ভট্টাচার্য রোববার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে শাহজামানের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তিনি জড়িত কি না নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে সাত দিনের রিমান্ডে শেষে রোববার আদালতে হাজির করা হয় শাহজামানকে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে নতুন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়নি। শুনানি শেষে শাহজামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম নওরীন আক্তার।

১২ জুন নগর গোয়েন্দা পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত শাহজামানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ওই দিন থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। এর আগে ১০ জুন নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার শীতলঝর্ণা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের সংগ্রহ করা ভিডিও ফুটেজে থাকা এক যুবকের চেহারার সঙ্গে তাঁর চেহারা মিল রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশের উপস্থিতিতে কথা হয় শাহজামানের সঙ্গে। তিনি  বলেন, ভিডিও ফুটেজে থাকা সেই যুবক তিনি নন। তাঁর চেহারার সঙ্গে ওই যুবকের মিল নেই। ঘটনার দিন তিনি বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় ছিলেন। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি। আদালতে তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকার বিষয়ে বলেন, ভয়ে পরিবারের লোকজন কিছু করছেন না। বায়েজিদ এলাকায় তিনি একা থাকেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে।

৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি এলাকায় গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম। ঘটনার পর পুলিশ জানায়, জঙ্গি দমনে বাবুল আক্তারের সাহসী ভূমিকা ছিল, এ কারণে জঙ্গিরা তাঁর স্ত্রীকে খুন করে থাকতে পারে। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার অজ্ঞাতপরিচয় তিন ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু তাঁরা এ ঘটনায় জড়িত কি না, তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। আর নতুন করে সন্দেহভাজন কাউকে আটকও করা হয়নি।

তদন্তের অগ্রগতি ও রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পাওয়া গেছে কি না, জানতে চাইলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. কামরুজ্জামান রোববার তাঁর কার্যালয়ে বলেন, তদন্ত এগোচ্ছে। এর বেশি কিছু বলা যাবে না।

শাহজামানকে আদালতে উপস্থাপনের সময় তদন্ত কর্মকর্তার সই করা আবেদনে উল্লেখ রয়েছে, আসামিকে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছে ঘটনা সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামিকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য পাওয়া যেতে পারে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামি কারাগারে আটক থাকা প্রয়োজন।

এদিকে মামলার আরেক আসামি শিবিরের সাবেক কর্মী আবু নছর ওরফে গুন্নুকে গত শুক্রবার থেকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হচ্ছে বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।

এ আর/১১:৩৮/ ২০ জুন

চট্টগ্রাম

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে