Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-১৫-২০১৬

হাসিনা জেনেও জঙ্গিদের ধরছে না: খালেদা

হাসিনা জেনেও জঙ্গিদের ধরছে না: খালেদা

ঢাকা, ১৫ জুন- জঙ্গি দমনে সাঁড়াশি অভিযান চললেও সরকার প্রধানের ‘ইচ্ছায়’ তারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খালেদা জিয়া। 

রাজধানীর ইস্কাটনে লেডিস ক্লাবে এক ইফতার অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, “এই যে টার্গেট কিলিংগুলো হচ্ছে, এরকম ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। এখানে মুসলমান-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সমস্ত ধর্মের মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। এগুলো কারা করছে? এগুলো পরিকল্পিত এবং এগুলো আওয়ামী লীগের লোকজন করছে।

“তাই হাসিনা বলে- আমি জানি এগুলো কারা করছে। হাসিনা জানে, হাসিনা জেনেও এদের ধরে না। ওদেরকে দেশের বাইরে পার করে দিয়েছে। এখন নিরীহ মানুষকে ধরে জেলখানায় বন্দি করছে।”

বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষাপটে দেশ পরিচালনায় পেছনে অন্য কোনো শক্তি রয়েছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন রাখেন খালেদা। 

“যে স্বাধীনতার জন্য, যে গণতন্ত্রের জন্য মানুষ যুদ্ধ করেছিল, সেই স্বাধীনতা-গণতন্ত্র আজ অর্থহীন হয়ে পড়েছে। আজকে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আছে কিনা- এটা বলাও মুশকিল।

“যদিও এই সরকার অন্যায়ভাবে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আছে। তারপরও বলতে হয়, আজকে সত্যিকারে এই অবৈধভাবে ক্ষমতায় থেকেও তারা নিজেরা কী দেশ শাসন করছে নাকি অন্য কোনো শক্তি কাজ করছে? সেটাও দেশের মানুষকে আজকে চিন্তা করতে হবে।”

আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে শনিবার গুপ্ত হত্যায় জড়িতদের খুঁজে বের করার ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা বলেছিলেন, কিছু তথ্য সরকারের কাছে রয়েছে। 

২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক প্রয়াত কাজী জাফর আহমেদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি উদ্যোগে এই ইফতার পার্টি হয়।

‘বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন জড়িত’- মন্তব্য করে খালেদা জিয়া বলেন, “আওয়ামী লীগের লোকজনই মানুষ হত্যা করছে প্রতিনিয়ত, আর নাম দিচ্ছে বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে। আমি বলতে চাই, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। বিএনপি এসব হত্যায় বিশ্বাস করে না। বিএনপি এগুলোর সঙ্গে জড়িত নয়।”

“দেশ যে পথে যাচ্ছে, এই পথে গেলে মানুষের সত্যিকারের সেই একদলীয় শাসন বাকশাল ও আওয়ামী লীগের অত্যাচার-জুলুম থেকে কেউ বাঁচতে পারবে না। তাই কোনো ধর্মের মানুষ আজ নিরাপদ নয়।” 
হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এখন বেশি অত্যাচারিত এবং তাদের সম্পত্তি দখল হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। 
বক্তব্যে ২০ দলীয় জোটকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারপারসন। 

“আমি বলব, দেখবেন, অচিরেই দেখবেন, আওয়ামী লীগকে জনগণ কীভাবে বিতাড়িত করে, এবং তাদের কী পরিণতি হয়।”

বক্তব্যের পর জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এটিএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী, মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিয়ে এক টেবিলে বসে ইফতার করেন খালেদা। 

এছাড়া ছিলেন জাগপার শফিউল আলম প্রধান, খন্দকার লুৎফর রহমান, এনডিপির খোন্দকার গোলাম মূর্তাজা, এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হামদুল্লাহ আল মেহেদি, মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, ন্যাপের জেবেল রহমান গনি, গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম খান, খেলাফত সৈয়দ মজিবুর রহমান।

এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির এমএম আমিনুর রহমান, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, ন্যাপ-ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, ডিএল এর সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, জামায়াতে ইসলামীর শামীম সাঈদী ইফতার পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন। 

শিক্ষবিদ অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক জসিমউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক আবদুল কাদের, দৈনিক ইনকিলাবের সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, রেজাউর রহমান সোহাগও ছিলেন।

এছাড়া অংশ নেন বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল্লাহ আল নোমান, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমী, তৈমুর আলম খন্দকার, নুরী আরা সাফা, আতাউর রহমান ঢালী, শায়রুল কবির, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএমএম আলম, আহসান হাবিব লিংকন, আনোয়ারা বেগম, নওয়াব আলী আব্বাস খান, কাজী জাফরুল্লাহ খান, খালেকুজ্জামান চৌধুরী, রফিকুল হক হাফিজ প্রমুখ।

আর/১০:২৪/১৫ জুন

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে