Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-১৪-২০১৬

যুবদলের কমিটি চূড়ান্ত, সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন আশফাক!

খালিদ হোসেন


যুবদলের কমিটি চূড়ান্ত, সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন আশফাক!

ঢাকা, ১৪ জুন- ‘যদি-কিন্তু’র জালে আটকে ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি। বিএনপির হাইকমান্ডকে ভবিষ্যতের নানা সমীকরণের হিসাব মেলাতে গিয়েই বিলম্ব হয়। তবে এখন প্রায় চূড়ান্ত, শিগগিরই আসছে কমিটি। জানা গেছে, ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের প্রাধান্য দিয়ে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির তালিকা করা হয়েছে।

বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত সুপার ফাইভ নিয়ে আলোচনা বেশি থাকলেও যুবদলের ক্ষেত্রে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়েই আলোচনা। এতোদিন গুঞ্জণ ছিল বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে সভাপতি করে যুবদলের নতুন কমিটি দেয়া হচ্ছে। আর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাইফুল ইসলাম নীরবকেই রাখা হচ্ছে। 

তবে যুবদলের শীর্ষ পদে আলোচনায় থাকা এ্যানীর বিষয়ে সংগঠনের এক নেতা বলেন, ‘আমি সেদিন এ্যানী ভাইয়ের কাছে জানতে চেয়েছিলাম যুবদলের কমিটির বিষয়ে। সেই সঙ্গে তার সভাপতি হওয়ার বিষয়েও। তখন তিনি আমাকে বলেছেন- তোমরা বোকা নাকি? আমি এখন যুবদলে গেলে রাজনীতিতে পিছিয়ে যাবো।’ শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আবার প্রথম দিকে শোনা যাচ্ছিল সাবেক ছাত্রনেতা সানাউল হক নীরুকে আহ্বায়ক করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হবে। তবে এখন সে হাওয়া বদলেছে। জানা গেছে, যুবদলের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম নীরবকে সংগঠনের সভাপতি এবং ‘বুলু-আলাল’ কমিটির প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাককে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি হচ্ছে। আশাফক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের এক সময়ের তুখোড় নেতা ছিলেন। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য তিনি নাকি লন্ডনে লবিং করেছেন। সেখান থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে।  

এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তরটা ঘুরিয়েই দিলেন খন্দকার আবু আশাফাক। তিনি বলেন, ‘বিএনপি-আওয়ামী লীগের মতো দলে চাইলেই পদ পাওয়া যায় না, আবার দায়িত্ব পেলেও না করা যায় না।’

এদিকে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হিসেবে নিযুক্ত হওয়ার পর এক নেতার একপদ নীতি বাস্তবায়নে যুবদলের সভাপতি পদ ধরে রাখতে পারবেন না সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তাই যুবদলের সর্বত্র প্রায় নীরবের আধিপত্য। অঘোষিতভাবে হলেও মূলত তিনিই এখন সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। 

যুবদলের নতুন কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল ইসলাম নীরব বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত আমরা মাথা পেতে মেনে নেবো।’ সুনির্দিষ্ট করে না হলেও শিগগিরই যুবদলের নতুন কমিটি হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, যুবদলের নতুন কমিটিতে বর্তমান কমিটির ‘সক্রিয়’ নেতাদের কেউ বাদ পড়লে তাদেরকে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি অথবা বিষয়ভিত্তিক উপ-কমিটিতে স্থান দেয়া হবে। কাউকে কাউকে যোগ্যতা অনুযায়ী মহানগর বিএনপিতেও পদ দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১ মার্চ সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে সভাপতি এবং সাইফুল আলম নীরবকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, যুবদলের কমিটির মেয়াদ তিন বছর। কিন্তু ছয় বছরেরও অধিক সময় ধরে সংগঠনটির বর্তমান কমিটি বহাল রয়েছে। অবশ্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিএনপির নতুন কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়েছে। ফলে তিনি যুবদল থেকে দূরে রয়েছেন। 

আর/১০:১৪/১৪ জুন

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে