Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-১৩-২০১৬

যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে রক্তক্ষয়ের সবচেয়ে বড় ঘটনাগুলো

যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে রক্তক্ষয়ের সবচেয়ে বড় ঘটনাগুলো

ফ্লোরিডা, ১৩ জুন- যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় সমকামীদের একটি নৈশক্লাবে এক বন্দুকধারীর গুলিতে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসে কোনো জনসমাগমস্থলে গুলি চালিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ হত্যার ঘটনা।

এর আগে এ ধরনের রক্তক্ষয়ী হামলাগুলোর দিকে চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক-

৩২ জনকে হত্যা (১৬ এপ্রিল ২০০৭): ওই দিন ব্ল্যাকবুর্গের ভার্জিনিয়া টেকে-র শিক্ষার্থী ২৩ বছর বয়সী সেউং-তুই চো বন্দুক হাতে দুটি স্থানে ৩২ জনকে হত্যা করে এবং ক্যাম্পাসে গিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে আরও বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এরপর তিনি আত্মহত্যা করেন।

২৬ জনকে হত্যা (১৪ ডিসেম্বর ২০১২): ওই দিন অ্যাডাম লানজা নামের ২০ বছর বয়সী এক তরুণ স্যান্ডি হুকনিউ টাউনের এলিমেন্টারি স্কুলে গিয়ে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। গুলিতে ছয়/সাত বছর বয়সী ২০টি শিশু এবং বিদ্যালয়ের ছয়জন কর্মী নিহত হন। হামলাকারী আত্মহত্যা করে। তদন্তের পর পুলিশ জানতে পারে, অ্যাডামের মা ন্যান্সি লানজাও গোলাগুলিতে আহত হয়ে পরে মারা যান। এ ঘটনায় হামলাকারীসহ মোট ২৮ জনের প্রাণ যায়।

২৩ জনকে হত্যা (১৬ অক্টোবর ১৯৯১): টেক্সাসের কিলিনে ৩৫ বছর বয়সী জর্জ হার্নান্দ প্রথমে নিজের পিকআপ দিয়ে একটি ক্যাফেটেরিয়ার দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা মারেন। এরপর তিনি গুলি চালিয়ে ২৩ জনকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেন।

২১ জনকে হত্যা (১৮ জুলাই ১৯৮৪): ৪১ বছর বয়সী জেমস হুবের্তি ক্যালিফোর্নিয়ার সান ইসিদ্রোয় ফুড চেইন ম্যাকডোনাল্ডের দোকানে ঢুকে একটি শটগান ও একটি হ্যান্ডগান দিয়ে গুলি চালিয়ে ২১ জনকে হত্যা করে। নিহতদের মধ্যে শিশুরাও ছিল। এক ঘণ্টা পর পুলিশ গুলি করে হুবের্তিকে হত্যা করে।

১৬ জনকে হত্যা (১ অগাস্ট ১৯৬৬): টেক্সাসের অস্টিনে চার্লস জোসেফ হিটম্যান নামে সাবেক এক মেরিন সেনা টেক্সাস টাওয়ারের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলি চালিয়ে ১৬ জনকে হত্যা করে। ওই দিন টেক্সাস টাওয়ারে আসার আগে হিটম্যান তার মা ও স্ত্রীকেও গুলি করে হত্যা করে। পরে টাওয়ারের ভেতর পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয়।

১৪ জনকে হত্যা (২ ডিসেম্বর ২০১৫): ওই দিন সৈয়দ রিজওয়ান ফারুক ও তাশফিন মালিক দম্পতি সান বের্নার্দিনোতে ইনল্যান্ডের সরকারি সেন্টারে সরকারি কর্মচারীদের একটি পার্টিতে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে ১৪ জনকে হত্যা করে।

১৪ জনকে হত্যা (২০ অগাস্ট ১৯৮৬): ওই দিন প্যাট্রিক হেনরি নামের একজন অস্থায়ী ডাকপিয়ন ওকলাহামায় তিনটি হ্যান্ডগান দিয়ে ১০ মিনিটে ডাকঘরের ১৪ জন কর্মীকে হত্যার পর নিজের মাথায় গুলি করে।

১৩ জনকে হত্যা (৫ নভেম্বর, ২০১৩):  টেক্সাসের ফোর্ট হুডে মেজর নিদাল মালিক হাসান ১৩ জনকে গুলি করে হত্যা করে। পরে বিচারে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

১৩ জনকে হত্যা (৩ এপ্রিল ২০০৯): নিউ ইয়র্কের জিভারলি অং একটি অভিবাসী কমিউনিটি সেন্টারে গুলি করে ১৩ জনকে হত্যা এবং চারজনকে আহত করে আত্মহত্যা করেন।

১৩ জনকে হত্যা (২০ এপ্রিল ১৯৯৯): কলোরাডোর কলাম্বিন হাই স্কুলের এরিক হ্যারিস (১৮) ও ডিলান ক্লেবল্ড (১৭) তাদের ১২ জন সহপাঠী ও একজন শিক্ষককে হত্যার পর নিজেরা আত্মহত্যা করেন।

১৩ জনকে হত্যা (১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৩): তিন ব্যক্তি সিয়াটলের ওয়াহ মি গ্যাম্বলিং এন্ড সোস্যাল ক্লাবের ১৩ ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে প্রত্যেককে মাথায় গুলি চালিয়ে হত্যা করে।

১৩ জনকে হত্যা (২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৮২): পেনসিলভানিয়ার সাবেক কারারক্ষী ৪০ বছর বয়সী জর্জ ব্যাংকস নিজের পাঁচ সন্তানসহ ১৩ জনকে হত্যা করেন। বিচারে প্রথমে তার মৃত্যুদণ্ড হয়। কিন্তু পরে পেনসিলভানিয়ার সুপ্রিম কোর্ট তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ ঘোষণা করে এবং মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে।

আর/১২:৩৪/১৩ জুন

উত্তর আমেরিকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে