Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-০৯-২০১৬

স্নেহাকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন বাবা-মা

স্নেহাকে বাঁচিয়ে চলে গেলেন বাবা-মা

সিলেট, ০৯ জুন- ‘বাবা-মায়ের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় স্কুলে যাচ্ছিলাম। এমন সময় বিপরীত দিক থেকে আসছিল দ্রুত গতির একটি প্রাইভেটকার। কারটিকে এভাবে আসতে দেখে দুর্ঘটনার বিষয়টি আঁচ করে প্রথমে মা আমাকে জড়িয়ে ধরেন। মুহূর্তেই বাবাও আমাকে জড়িয়ে ধরেন। মা-বাবা দুজনে আমাকে বাঁচানোর জন্য জড়িয়ে ধরায় আমি নিচে পরে যাই।’

এভাবেই বুধবার বিকেলে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৪র্থ তলার ৬নং ওয়ার্ডের বিছানায় শুয়ে স্বজনদের কাছে মঙ্গলবারের ভয়াবহ দুর্ঘটনার বর্ণনা দেয় চিকিৎসাধীন অরুণিমা স্নেহা রায় (১২)। মঙ্গলবার গতকাল দুপুরে এই তথ্য জানান স্নেহার বড় মামা পার্থ প্রতীম দাস।

পার্থ প্রতীম দাস জানান, স্নেহা এখনো জানে না তার মা-বাবা বেঁচে নেই। বুধবার সকালেও স্নেহা তার মা-বাবার খোঁজ করেছে। তখন তাকে বলা হয়, মা-বাবা হাসপাতালের নিচের তলার একটি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। সবাইকে তার কাছে দেখতে পেয়ে স্নেহা বারবার নিজের মা-বাবার কথা জিজ্ঞেস করলে তাকে বলা হয়, পালাক্রমে আমরা তাদের ওয়ার্ডেও ডিউটি দিচ্ছি।

হাসপাতালে স্নেহার আত্মীয় ডা. ময়ুখ চৌধুরী জানান, ‘স্নেহার এক্সরে রিপোর্টে বড় কোনো ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া না গেলেও তার শরীরের কিছু অংশ থেতলে গেছে। সিটিস্ক্যান রিপোর্টে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণের ছাপ পাওয়া যায়নি। তবে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ করার পর স্নেহার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা।’

উলে­খ্য, মঙ্গলবার সকালে নগরীর টিলাগড়ের মদনীবাগ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন স্নেহার বাবা স্কলার্স হোম (শাহী ঈদগাহ) এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরজিৎ রায় (৫০) ও মা দক্ষিণ সুরমার মহালক্ষ্মী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুমিতা দাস (৪৫)।

এ দুর্ঘটনায় তাঁদের একমাত্র সন্তান অরুণিমা রায় স্নেহা (১২) গুরুতর আহত হয়। স্নেহা স্কলার্স হোমের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।

আর/০৭:১৪/০৯ জুন

সিলেট

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে