Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-০৫-২০১৬

ছয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সিলেট বিভাগে চেয়ারম্যান হলেন যারা

ইমরান আহমদ


ছয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সিলেট বিভাগে চেয়ারম্যান হলেন যারা

সিলেট, ০৫ জুন- শেষ হলো ইতিহাসের প্রথম দলীয় প্রতীকের ইউপি নির্বাচন। স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের এ নির্বাচন দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে হওয়ায় আগ্রহের কমতি ছিলো না এ ভোটকে ঘিরে। প্রথমদিকে দলীয় প্রতীক পাওয়া থেকে শুরু করে ভোটের দিন পর্যন্ত আলোচনার তুঙ্গে ছিলো এ নির্বাচন। তবে দলীয় প্রতীক না পেয়েও স্বতন্ত্র থেকে দলীয় প্রভাবশালী অনেকে এবার চমক দেখিয়েছেন। ছয় ধাপে অনুষ্ঠিত এই ইউপি নির্বাচনে সারাদেশ উত্তপ্ত থাকলেও সিলেটে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া অনেকটা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। ছয় ধাপে সারাদেশে সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ১১৩ জন। পঙ্গু হয়েছেন কয়েক সহস্রাধিক। সে তুলনায় সিলেট ছিলো অনেকটা শান্ত। দলীয় প্রভাব, ব্যালট ছিনতাই, জাল ভোট, কেন্দ্র দখল এমন নানা অভিযোগ সারাদেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে থাকলেও সিলেটে এমন অভিযোগ ছিলো নাজুক। সর্বোপরি সিলেটে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবেই দলীয় প্রতীকের ভোট শেষ হয়েছে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশে¬ষকরা। ছয় ধাপের এই ইউপি নির্বাচনের পুরো খবর বিজয়ীদের নামসহ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো- 

সিলেট বিভাগে ৩৩৫টির মধ্যে ৩১৭টি ইউনিয়নের প্রাপ্ত ফলাফলে আওয়ামী লীগের ১৪২ জন প্রার্থী, বিএনপি’র ৬০ জন প্রার্থী, জাতীয় পার্টির ৩ জন, উলামায়ে ইসলামের ১ জন এবং স্বতন্ত্র ১১১ জন প্রার্থী নির্বাচিত হন। 

প্রথম ধাপে শুধু সিলেট সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ ২, বিএনপি ২ ও বিদ্রোহীরা ৪টিতে বিজয়ী হন। দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মার্চ সিলেট বিভাগের ৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ ২৭, বিএনপি ৭ এবং বিদ্রোহী ১২ জন চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। তৃতীয় ধাপে সিলেট বিভাগে ৬১ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ ২৩টিতে, বিএনপি ১৫টিতে, বিদ্রোহীরা ২১টিতে, জাতীয় পার্টি ১টিতে, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ১টিতে বিজয়ী হয়েছেন। চতুর্থ ধাপে ৫২ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ২২, বিএনপি ১২ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৮টি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন। পঞ্চম ধাপে ২৮ মে সিলেট বিভাগের ১১টি উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩৬টিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি’র ১৩ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হয়েছেন ৩৩ জন-যাদের অধিকাংশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী। ৪ জুন শেষ ধাপে সিলেটের ৮৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৮ টি ইউনিয়নের ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৩২ জন, বিএনপি’র ১১ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৩ জন বিজয়ী হন।

প্রথম ধাপ: প্রথম ধাপে শুধু সিলেট সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ ২, বিএনপি ২ ও বিদ্রোহীরা ৪টিতে বিজয়ী হন।সিলেটে আওয়ামী লীগ ২, বিএনপি ২ ও বিদ্রোহীরা ৪টিতে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে কান্দিগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নিজাম উদ্দিন। জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মনাফকে তিনি পরাজিত করেন। নৌকা প্রতীক নিয়ে নিজাম উদ্দিন পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী আবদুল মনাফ আনারস প্রতীকে পান ৪ হাজার ৫৭৫ ভোট।

মোগলগাঁও ইউনিয়নে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় আওয়ামী লীগ মনোনিত হীরণ মিয়া ও একই রাজনৈতিক আদর্শেও বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সামসুল ইসলাম টুনুর মধ্যে। তবে শেষ পর্যন্ত ৫২৭ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন হীরণ মিয়া। নৌকা প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ৫ হাজার ৯২৯। সামসুল ইসলাম টুনু আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৪০২ ভোট।

খাদিমনগর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী দেলওয়ার হোসেন। চশমা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৬২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত তারা মিয়া নৌকা প্রতীকে পেয়েছে ৬ হাজার ৫২০। দু’জনের ভোটের ব্যবধান ৫ হাজার ১শ’।

খাদিমপাড়া ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথী অ্যাডভোকেট আফসর। আনারস তার প্রাপ্ত ভোট ১৩ হাজার ২৬০টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. ফারুক আহমদ ধানের শীষে পেয়েছেন ৮ হাজার ৯০১ ভোট।

টুলটিকর ইউনিয়নে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এস এম আলী হোসেন। আনারস প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ৩১৯৩টি ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবদুল মছব্বির নৌকা প্রতীক নিয়ে ২৯১৪টি ভোট পেয়েছেন।

টুকেরবাজার ইউনিয়নে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শহীদ আহমদ। বর্তমান চেয়ারম্যান শহীদ এবারের বিজয়ের ফলে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আলতাফ হোসেন নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩২ ভোট। এ ইউনিয়নের আখায়লিয়ায় একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণকালে গোলযোগ হওয়ায় ভোট গ্রহণ ও ফলাফল স্থগিত করা হয়। তবে ওই কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৩৩।

জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রায় ৬০০ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মনফর আলী। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইসলাম উদ্দিনকে পরাজিত করা মনফর চশমা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২ হাজার ৯শ’। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইসলাম উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৩শ’ ভোট।

হাটখোলা ইউনিয়নে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজির উদ্দিন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী খুর্শিদ আলমকে পরাজিত করে বেসরকারীভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। আজির উদ্দিন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ২৫৫ ভোট। আওয়ামী লীগের খুর্শিদ আলম নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৬২২ ভোট।

দ্বিতীয় ধাপ: দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মার্চ সিলেট বিভাগের ৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনী ফলাফলে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ ২৭, বিএনপি ৭ এবং বিদ্রোহী ১২ জন চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। সিলেট জেলার গোয়াইনঘাটের বিজয়ীরা হচ্ছেনÑ নন্দীরগাঁওয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এস কামরুল হাসান আমিরুল, পূর্ব জাফলং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী লুৎফুর রহমান লেবু, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সালাম, তোয়াকুল ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী খালেদ আহমদ, রুস্তুমপুর ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন শিহাব, আলীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া হেলাল ও ফতেহপুর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমিনুর রশীদ চৌধুরী।

কোম্পানীগঞ্জে বিজয়ীরা হচ্ছেন পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জামাল উদ্দিন, পূর্ব ইসলামপুরে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বাবুল মিয়া। এ ছাড়া বাকি চার ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। তারা হলেনÑ তেলিখালে বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী আবদুল ওদুদ আলফু মিয়া, ইছাকলসে কুটি মিয়া, দণি রণিখাইয়ে সিদ্দিকুর রহমান রোকন ও উত্তর রণিখাইয়ে ফরিদউদ্দিন।

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় বিজয়ীরা হচ্ছেন ইসলামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের আবদুল হেকিম, কালারুকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী অদুদ আলম, খুরমা (উত্তর) ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিল্লাল আহমদ, খুরমা (দণি) ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের আবদুল মছব্বির, ছাতক সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী গয়াছ আহমদ, দোলারবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শায়েস্তা মিয়া, ভাতগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আওলাদ হোসেন মাস্টার, সিংচাপইড় ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সাহাবউদ্দিন সাহেল, জাউয়াবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী) মো. মুরাদ হোসেন, নোয়ারাই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী) দেওয়ান আবদুল খালিক পীর ও সৈদেরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ (বিদ্রোহী) আখলাকুর রহমান। ছাতকে একমাত্র চরমহল্লা ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির আবুল হাসনাত।

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার আজমিরীগঞ্জ সদরে বিজয়ীরা হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুস কুদ্দুছ সেন, কাকাইলছিওতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নূরুল হক ভূঁইয়া, জলসুখায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফয়েজ আহমেদ খেলু, বদলপুর আওয়ামী লীগ প্রার্থী সুশেনজিৎ চৌধুরী, শিবপাশায় আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আমজাদ তালুকদার।

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় বিজয়ীরা হচ্ছেন বড়লেখা সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সুয়েব আহমদ, উত্তর শাহবাজপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আহমদ জুবায়ের লিটন, তালিমপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিদ্যুৎ কান্তি দাস, দণিভাগে (উত্তর) আওয়ামী লীগের এনাম আহমদ, দণিভাগে (দণি) আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজির উদ্দিন, দণি শাহবাজপুরে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী শাহাবউদ্দিন, দাসেরবাজারে বিএনপির কমর উদ্দিন, বর্ণিতে আওয়ামী লীগের এনাম আহমদ, নিজ বাহাদুরপুরে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ময়নুল হক ও সুজানগরে বিএনপির নছিব আলী।

জুড়ী উপজেলায় বিজয়ীরা হচ্ছেন গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের শাহাবউদ্দিন আহমদ লেমন, জায়ফরনগরে বিএনপির মাছুম রেজা, পশ্চিম জুড়ীতে আওয়ামী লীগের শ্রীকান্ত দাস, পূর্ব জুড়ীতে আওয়ামী লীগের সালেহউদ্দিন আহমেদ ও সাগরনাল ইউনিয়নে বিএনপির ইমদাদুল ইসলাম চৌধুরী লিয়াকত। 

তৃতীয় ধাপ: তৃতীয় ধাপে সিলেট বিভাগে ৬১ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগ ২৩টিতে, বিএনপি ১৫টিতে, বিদ্রোহীরা ২১টিতে, জাতীয় পার্টি ১টিতে, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ১টিতে বিজয়ী হয়েছেন। সিলেট বিভাগের ৭ উপজেলার ৬১টি ইউনিয়নের ফলাফল নিম্নে তুলে ধরা হলো- সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ১নং নিজপাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মঞ্জুর এলাহী সম্রাট নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫৮২৪ ভোট বিজয়ী হয়েছেন। ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মো. এখলাছুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে ৫০৫৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। ৩নং চারিকাটা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল আনারস প্রতীক নিয়ে ৩৮৫৩ বিজয়ী হয়েছেন। ৪নং দরবস্ত ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী বাহারুল আলম বাহার ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ৮১৫৬ বিজয়ী হয়েছেন। ৫নং ফতেহপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী মো. আব্দুর রশিদ ধানেরশীষ প্রতীক নিয়ে ৫৩৮৩ বিজয়ী হয়েছেন। ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুর রশিদ আনারস প্রতীক নিয়ে ৪২৮৬ বিজয়ী হয়েছেন। 

কানাইঘাট : কানাইঘাট উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ৪টিতে আওয়ামী লীগ, ১টিতে বিএনপি ও ৪টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেনলক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র ডাক্তার ফয়াজ উদ্দিন (ঘোড়া), লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত জেমস্ লিও ফারগুসন নানকা (নৌকা), দিঘীরপাড় পূর্ব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আলী হোসেন কাজল (নৌকা), সাতবাঁক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মোস্তাক আহমদ পলাশ (নৌকা), বড়চতুল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র মাওলানা আবুল হোসেন (চশমা), কানাইঘাট সদর ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত মামুন রশিদ (ধানের শীষ), দক্ষিণ বানীগ্রাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মাসুদ আহমদ (নৌকা), ঝিঙ্গাবাড়ী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (বিএনপির বিদ্রোহী) আব্বাস উদ্দিন ও রাজাগঞ্জ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফখরুল ইসলাম।

কুলাউড়া : ৩য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কুলাউড়া উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে দুইটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ, দু’টিতে বিএনপি, তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচিতরা হলেন- বরমচাল ইউনিয়নে আহবাব চৌধুরী শাহজাহান (আওয়ামী লীগ), ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে প্রভাষক মমদুদ হোসেন (আওয়ামী লীগ), কাদিপুর ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান ছালাম (বিএনপি), ভুকশিমইল ইউনিয়নে আজিজুর রহমান মনির (বিএনপি), রাউৎগাও ইউনিয়নে আব্দুল জলিল জামাল (বিএনপির বিদ্রোহী), জয়চন্ডি ইউনিয়নে কমর উদ্দিন আহমদ কমর (বিএনপির বিদ্রোহী) ও কুলাউড়া সদর ইউনিয়নে নার্গিস আক্তার বুবলি (স্বতন্ত্র)।

হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচঙ্গ উপজেলার ১৫টির মধ্যে ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন- ১নং সদর উত্তর-পূর্ব ইউনিয়নে গিয়াস উদ্দিন (ধানের শীষ), ২নং সদর উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নে ওয়ারিশ উদ্দিন খান (ধানের শীষ), ৩নং সদর দক্ষিণপূর্ব ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান (আনারস), ৪নং দৌলতপুর ইউনিয়নে লুৎফুর রহমান (নৌকা), ৫নং কাগাপাশা ইউনিয়নে মো. এরশাদ আলী (নৌকা), ৬নং বড়ইউড়ি ইউনিয়নে হাবিবুর রহমান (নৌকা), ৭নং খাগাউড়া ইউনিয়নে শাহ শওকত আরেফীন সেলিম (নৌকা), ৮নং পুকড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন (মোটরসাইকেল), ৯নং সুবিদপুর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী (নৌকা), ১০নং মক্রমপুর ইউনিয়নে মো. আহাদ মিয়া (নৌকা), ১১নং মন্দরী ইউনিয়নে শেখ সামছুল হক (নৌকা), ১২নং মুরাদপুর ইউনিয়নে মো. মধু মিয়া (ধানের শীষ), ১৩নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নে ফজলুর রহমান খান (নৌকা)।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বিজয়ীরা হলেন পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মো. নুরুল হক আনারস প্রতিকে ৫ হাজার ৩৫৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। পূর্ব পাগলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তার হোসেন চশমা প্রতিকে ৩ হাজার ২৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। পাথারিয়া ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত বর্তমান মো.আমিনুর ররিশদ আমিন ধানের শীষ প্রতিকে ৩ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। শিমুলবাক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.মিজানুর রহমান জিতু নৌকা প্রতিকে ৪ হাজার ১৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। দরগাপাশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত মো.মনির উদ্দিন নৌকা প্রতিকে পেয়েছেন ৫ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর কালাম আনারস প্রতিকে ২ হাজার ৭৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। পশ্চিম বীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রাহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মো.শফিকুল ইসলাম মোটর সাইকেল প্রতিকে ১ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। 

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী (নৌকা) মুর্শেদ আলী, গৌরারং ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী (ধানের শীষ) ফুল মিয়া, রঙ্গারচর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী (ধানের শীষ) আব্দুল হাই, লক্ষণশ্রী ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী (ধানের শীষ) হাজী আব্দুল ওয়াদুদ, মোল্লাপাড়া ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) নুরুল হক, কুরবান নগর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) আবুল বরকত, মোহনপুর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয়পার্টি (লাঙ্গল) নুরুল হক, কাঠইর ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (চশমা) তাজিরুল ইসলাম।

দোয়ারাবাজার উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী এবং অবশিষ্ট ৬টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে।

চতুর্থ ধাপ: চতুর্থ ধাপে ৫২ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ২২, বিএনপি ১২ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৮টি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন। দক্ষিণ সুরমা. সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় ৭ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি ৩, আওয়ামী লীগ ২ ও সতন্ত্র ২টিতে বিজয়ী হয়েছেন। দক্ষিণ সুরমার সিলাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইকরাম হোসেন বকস, মোগলাবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফখরুল ইসলাম, দাউদপুর ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী খলিলুর রহমান, কুচাই ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী আবুল কালাম, জালালপুর ইউনিয়নে সতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা সোলেমান হোসেন, লালাবাজার ইউনিয়নে সতন্ত্র প্রার্থী পীর ইকবাল ও বরইকান্দি ইউনিয়নে হাবিব হোসেন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ১ নং বাঘা ইউপিতে আনারস প্রতীক নিয়ে ২৮২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানা মিয়া। ২ নং গোলাপগঞ্জ সদর ইউপিতে বিএনপি প্রার্থী আশফাক আহমদ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মোট ২০৯৬ ভোট পেয়েছেন। ৩ নং ফুলবাড়ি ইউপিতে বিএনপি প্রার্থী মাহবুবুর রহমান ফয়সাল ৭২৬৪ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৪ নং লক্ষিপাশা ইউপিতে কবির আহমদ স্বতন্ত্র ৪৪৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৫ নং বুধবাড়ি বাজার মো স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাফ উদ্দিন ১৭৯৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৬ নং ঢাকা দক্ষিণ ইউপিতে জামায়াত প্রার্থী শেখ মো. আব্দুর রহিম ৪৩৩৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৭ নং লক্ষ্যণাবন্দ ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী নাসিরুল হক শাহীন ৫৪৭৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ৮নং বাদেশর ইউপি বিএনপির বিলাল আহমদ ৫৩৪৩, ৯ নং আমুড়া ইউপিতে বিএনপির বিদ্রোহী রুহেল আহমদ ২০৮১ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১০ নং উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মোস্তাক আহমদ ৫২৬১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ১১ নং শরিফগঞ্জ ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এমএ মুহিত হিরা ২৫৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। 

বিশ্বনাথ: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী ছয়ফুল হক, রামপাশা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন, দৌলতপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আমির আলী, লামাকাজি ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী কবির হোসেন ধলা মিয়া, খাজাঞ্চি ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন এবং অলংকারী ইউনিয়নে নাজমুল ইসলাম রুহেল নির্বাচিত হয়েছেন। তবে বিশ্বনাথ উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন হলেও সীমানা নির্ধারণ জটিলতায় দু’টি ইউনিয়ন দশঘর ও দেওকলস ইউনিয়নে নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।

কুলাউড়া. মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে ৩টিতে স্বতন্ত্র, ২টিতে আওয়ামী লীগ ও ১টিতে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ী হলেন- হাজীপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল বাছিত বাচ্চু, শরীফপুর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী জুনাব আলী, কর্মধা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এম.এ রহমান আতিক, পৃথিমপাশা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী নবাব আলী বাকর খান হাসনাইন, ভাটেরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সৈয়দ এ.কে.এম নজরুল ইসলাম ও টিলাগাঁও ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মালিক।

রাজনগর: মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার বিজয়ীরা হলেন- উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নকুল চন্দ্র দাশ, মুন্সিবাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ছালেক মিয়া, কামারচাক ইউনিয়নে নাজমুল হক সেলিম ও মনসুরনগর ইউনিয়নে মিলন বকস। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা হলেন- উত্তরভাগ ইউনিয়নে শাহ সাহিদুজ্জামান ছালিক, পাঁচগাঁও ইউনিয়নে সামসুননুর আহমদ আজাদ ও টেংরা ইউনিয়নে টিপু খান। এছাড়া দলনিরোপেক্ষ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়াই করে বিজয়ী হয়েছেন রাজনগর সদর ইউনিয়নের দেওয়ান খায়রুল মজিদ ছালেক।

পঞ্চম ধাপ : পঞ্চম ধাপে ২৮ মে সিলেট বিভাগের ১১টি উপজেলার ৮২টি ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩৬টিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি’র ১৩ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বিজয়ী হয়েছেন ৩৩ জন-যাদের অধিকাংশ আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী। বালাগঞ্জে নির্বাচিত চেয়ারম্যানবৃন্দ হলেন ১নং পূর্ব পৈলনপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী মো. আব্দুল মতিন (নৌকা)। ২নং বোয়ালজুড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আনহার মিয়া (নৌকা)। ৩নং দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান নাজমুল আলম (ধানের শীষ)। ৪নং পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আমিরুল ইসলাম মধু (নৌকা)। তার প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৮৭। ৫নং বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মুনিম (ধানের শীষ)। তার প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ৫শ ৮৯। ৬নং পূর্ব গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিমাংশু রঞ্জন দাস (নৌকা)। তার প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ১শ ৪৩। ওসমানীনগরের ৮ইউপির মধ্যে বিএনপির ৩জন, বিএনপির বিদ্রোহী ১জন, আ’লীগের ১জন এবং আ’লীগের বিদ্রোহী ৩জন প্রার্থী বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচিতরা হচ্ছেন, উমরপুর ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী জিএম কিবরিয়া, সাদীপুরে বিএনপির প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রব, পশ্চিম পৈলনপুর ইউপিতে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আবদুল হাফিজ এ মতিন গেদাই, বুরুঙ্গা ইউপিতে আ’লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী এমজি রাসুল খালেদ আহমদ, গোয়ালাবাজারে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মানিক, তাজপুরে বিএনপি প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ইমরান রব্বানী, দয়ামীর ইউপিতে বিএনপির প্রার্থী এসটিএম ফখর উদ্দিন ও উছমানপুরে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ময়নুল আজাদ ফারুক। 

জগন্নাথপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের ১নং কলকলিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাশিম (চশমা) প্রতীকে ৫৯৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে নির্বাচিত হন। ২নং পাটলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সিরাজুল হক আনারস প্রতীকে ৫৪০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান আরশ মিয়া নৌকা প্রতীকে ৫৫৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রাথী তৈয়ব মিয়া (আনারস) প্রতীকে ৪৩৮৬ ভোট বেশী পেয়ে নির্বাচিত হন। আশারকান্দি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ আবু ঈমানী (নৌকা) প্রতীকে ৩৮১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। পাইলগাঁও ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুক্তরাজ্য প্রবাসী আওয়ামী লীগ সমর্থিত মখলিছুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ৩১০৭ ভোট পেয়েছেন। 

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের রফিনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের রেজওয়ান খান, ভাটিপাড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শাহজাহান কাজী, চরনারচরে ধানের শীষ প্রতীকে রতন কুমার দাস, রাজানগরে নৌকা প্রতীকের সৌম্য চৌধুরী, দিরাই সরমঙ্গলে বিএনপি’র বিদ্রোহী এহসান চৌধুরী, করিমপুরে নৌকা প্রতীকে আছাব উদ্দিন সরকার, জগদলে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী শিবলী বেগ, তাড়লে বিএনপি’র বিদ্রোহী আব্দুল কুদ্দুছ এবং কুলঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকে মুজিবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন।

শাল্লা প্রতিনিধি জানান, সুনামগঞ্জের শাল্লায় মোট ৪ ইউনিয়নে ৩টি আওয়ামী লীগ এবং একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলার শাল্লা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ফুল মিয়া, বাহাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিধান চন্দ্র সরকার নৌকা প্রতীকে, হবিবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিবেকানন্দ মজুমদার বকুল নৌকা প্রতীকে, আটগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কাশেম আজাদ নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জয়জয়কার হয়েছে আওয়ামী লীগের। দু’উপজেলার ১৮ টি ইউনিয়নের ১১ টিতে নৌকা, ১ টিতে ধান ও ৬ টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ইউনিয়নে ইফতেখার আহমদ বদরুল (নৌকা), ২নং পতনউষার ইউনিয়নে তৌফিক আহমদ বাবু (নৌকা), ৩নং মুন্সিবাজার ইউনিয়নে আব্দুল মতলিব (নৌকা), ৪নং শমসেরনগর ইউনিয়নে জুয়েল আহমদ (নৌকা), ৫নং কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নে আব্দুল হান্নান (নৌকা), ৬নং আলীনগর ইউনিয়নে ফজলুল হক (নৌকা), ৭নং আদমপুর ইউনিয়নে আব্দুল হোসেন (ধান), ৮নং মাধবপুর ইউনিয়নে পুষ্প কুমার কানু (স্বতন্ত্র) বিএনপি বিদ্রোহী, ৯নং ইসলামপুর ইউনিয়নে আব্দুল হান্নান (স্বতন্ত্র) বিএনপি বিদ্রোহী জয়লাভ করেছেন।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ১নং মির্জাপুর ইউনিয়নে আবু সুফিয়ান চৌধুরী (নৌকা), ২নং ভূনবীর ইউনিয়নে মো. চেরাগ আলী (স্বতন্ত্র) আ’লীগ বিদ্রোহী, ৩নং শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়নে ভানু লাল রায় ( নৌকা), ৪নং সিন্দুরখান ইউনিয়নে আব্দুল্লাহ আল হেলাল (নৌকা), ৫নং কালাপুর ইউনিয়নে মুজিবুর রহমান মুজুল (স্বতন্ত্র) আ’লীগ বিদ্রোহী, ৬ নং আশিদ্রোন ইউনিয়নে রনেন্দ্র প্রসাধ বর্ধন (নৌকা), ৭ নং রাজঘাট ইউনিয়নে বিজয় বুনার্জী (নৌকা), ৮ নং কালিঘাট ইউনিয়নে পরাগ বাড়াই (স্বতন্ত্র), ৯ নং সাতগাঁও ইউনিয়নে মিলন শীল (স্বতন্ত্র) প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

হবিগঞ্জের ৩১ ইউনিয়নের ১৩টিতে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ৪, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৮, বিএনপি বিদ্রোহী ৩ ও স্বতন্ত্র ২টিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। মাধবপুরে বুল্লা ইউপিতে বিএনপির সামছুল ইসলাম মামুন, ধর্মঘর বিএনপি সামছুল ইসলাম কামাল, চৌমুহনী আওয়ামী লীগ মো. আপন মিয়া, ছাতিয়াইন আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আব্দুস শহীদ, জগদীশপুর আওয়ামী লীগ শফিকুল ইসলাম, নয়াপাড়া বিএনপি বিদ্রোহী সৈয়দ মো. আলমগীর, বহরা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আরিফুর রহমান, বাঘাসুরা আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী শাহাব উদ্দিন, শাহজাহানপুর আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, আন্দিউড়া আওয়ামী লীগ আতিকুর রহমান, আদাঐর আওয়ামী লীগ ফারুক পাঠান।

লাখাই উপজেলার সদর বিএনপি আরিফুল ইসলাম রুপম, মুড়িয়াউক স্বতন্ত্র প্রার্থী মলাই মিয়া, করাবে আওয়ামী লীগ আব্দুল হাই কামাল, মোড়াকরি আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ফয়ছল মোল্লা, বুল্লা আওয়ামী লীগ মোক্তার হোসেন বেনু এবং বামৈ ইউনিয়নের আ’লীগ বিদ্রোহী এনামুল হক। বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ আব্দুল কুদ্দুছ শামীম।

নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিজয়ীরা হলেন ১নং বড় ভাকৈর পশ্চিম ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী সত্যজিত দাশ, ২নং বড় ভাকৈর পূর্ব ইউনিয়নে বিএনপি বিদ্রোহী আশিক মিয়া, ৩ নং ইনাতগঞ্জ ইউপিতে স্বতন্ত্র বজলুর রশিদ, ৪ নং দীঘলবাক ইউপিতে আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ এওলা মিয়া, ৫নং আউশকান্দি ইউপিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মুহিবুর রহমান হারুন, ৬নং কুর্শি ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আহমদ মুসা, ৭নং করগাঁও ইউপিতে বিএনপির ছাইমুদ্দিন, ৮নং নবীগঞ্জ সদর ইউপিতে আওয়ামী লীগের সাজু আহমদ চৌধুরী, ৯নং বাউশা ইউপিতে আওয়ামী লীগের আবু সিদ্দিক, ১০ নং দেবপাড়া ইউপিতে স্বতন্ত্র এডভোকেট জাবিদ আলী, ১১নং গজনাই পুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ইমদাদুর রহমান মুকুল, ১২ নং কালিয়ার ভাঙ্গা ইউপিতে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী নজরুল ইসলাম এবং ১৩নং পানিউমদা ইউপিতে আওয়ামী লীগের ইজাজুর রহমান জয়ী হয়েছেন।

ষষ্ঠ ধাপ : গতকাল ৪ জুন শেষ ধাপে সিলেটের ৮৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬৮টি ইউনিয়নের ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের ৩২ জন, বিএনপি’র ১১ জন, জাতীয় পার্টির ১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৩ জন বিজয়ী হন।

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ৪টিতে আওয়ামী লীগ এবং ২টি তে বিএনপি মনোনীত ২জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এছাড়া বাকি ৪ ইউনিয়নের ১ট ইতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এবং ২টি ইউনিয়নে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। অপর একটি ইউনয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

আওয়ামী লীগ মনোনীত জয়ী প্রার্থীরা হলেন- দুবাগবাজার ইউনিয়নে আব্দুস সালাম, শেওলা ইউনিয়নে জহুর উদ্দিন, চারখাই ইউনিয়নে মাহমুদ আলী ও মাথিউরা ইউনিয়নে শিহাব উদ্দিন। বিএনপি মনোনীত জয়ী দুইজন প্রার্থী হলেন কুড়ারবাজার ইউনিয়নে আবু তাহের ও আলীনগর ইউনিয়নে মামুনুর রশীদ। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী বিজয়ী প্রার্থী লাউতা ইউনিয়নের গৌছ উদ্দিন এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মোল্লাপুর ইউনিয়নে আব্দুল মান্নান ও তিলপাড়া ইউনিয়নে মাহবুবুর রহমান জয়ী হয়েছেন। অপর ইউনিয়ন মুড়িয়া তে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল খায়ের।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৬টি তে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। অপর ৩ ইউনিইয়নে ১টি তে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, ১টি তে জাতীয় পার্টি এবং ১টি তে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন বীরশ্রী ইউনিয়নে ইউনুছ আলী, কসকনকপুর ইউনিয়নে আব্দুর রাজ্জাক রিয়াজ, খলাছড়া ইউনিয়নে কবির আহমদ, জকিগঞ্জ সদরে খলিলুর রহমান, কাজলসার ইউনিয়নে জুলকার নাইন, বারঠাকুরী ইউনিয়নে মহসিন মর্তুজা চৌধুরী টিপু। বাকি ৩ ইউনিয়নের মধ্যে সুলতানপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রফিকুল ইসলাম, মানিকপুর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির মাহতাব আহমদ চৌধুরী এবং বারহাল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।

গোয়াইনঘাট উপজেলার দুই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনীত এক ও বিএনপির বিদ্রোহী এক প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলার ডৌবাড়ি ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত আরিফ ইকবাল নেহাল ৪২৪৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। লেঙ্গুড়া ইউনিয়নে ১৬৮৫ ভোট পেয়ে বেসরকারীভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাহবুবুর রহমান।

হবিগঞ্জ এর ৪ টি উপজেলায় ২৭ ইউনিয়নে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আধিপত্য ধরে রেখেছে। আ' লীগের প্রার্থীদের বিপুল বিজয়ে আবারও ২য় গোপালগঞ্জ হিসাবে হবিগঞ্জের খ্যাতির যথার্থতা ফুটে ওঠেছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬ টি,আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ৫টি, বিএনপি-২, জাতীয় পার্টি ১ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৩ টিতে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন।

বিজয়ী প্রার্থীরা হচ্ছেন-সদর উপজেলার তেঘরিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. আনু মিয়া, রিচি ইউনিয়নে বিএনপির মিয়া মো. ইলিয়াছ, পইল ইউনিয়নে স্বতন্ত্র সৈয়দ মইনুল হক আরিফ, নিজামপুর আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী তাজ উদ্দিন, শায়েস্তাগঞ্জ আওয়ামী লীগ বুলবুল খান, লস্করপুর আওয়ামী লীগ মাহবুবুর রহমান হিরো, লুকড়া আওয়ামী লীগ ফরহাদ আহমেদ আব্বাস, রাজিউড়া আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী শেখ কামাল, গোপায়া আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আক্তার হোসেন। বানিয়াচং দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ রেখাছ মিয়া।

চুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ রজব আলী, চুনারুঘাট সদর বিএনপি সৈয়দ লিয়াকত হাসান, গাজীপুর আওয়ামী লীগ হুমায়ূন কবির, আহমদাবাদ আওয়ামী লীগ আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু, দেওরগাছ আওয়ামী লীগ সামছুন্নাহার, পাইকপাড়া আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী শামীম, শানখলা আওয়ামী লীগ ফজলুর রহমান তরফদার, সাটিয়াজুড়ি আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী আব্দুর রশিদ, রাণিগাও স্বতন্ত্র নরুল মোমিন চৌধুরী, মিরাশি স্বতন্ত্র রফিক উদ্দিন।

বাহুবল উপজেলার ¯স্নানঘাট ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ফেরদৌস আলম, পুটিজুরী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সামছুদ্দিন তারা মিয়া, সাতকাপন ইউনিয়নে জাতীয় পার্টি শাহ আব্দাল মিয়া, বাহুবল সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ আজমল হোসেন চৌধুরী, লামাতাশি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ হাবিবুর রহমান চৌধুরী টেনু, মিরপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সাইফুদ্দিন লিয়াকত, ভাদেশ্বর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ কামরুজ্জামান বশির।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৭ ইউনিয়নে বিএনপির ৪ প্রার্থী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ২ প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের এক প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলার শ্রীপুর দক্ষিণ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সরকার, শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী ফখরুল আলম, বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী আজহার আলী, বড়দল উত্তর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী আবুল কাশেম, বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আফতাব উদ্দিন, তাহিরপুর সদর ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন, বালিজুরী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল জহুর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের প্রাপ্ত ফলাফলে ৪টি তে আওয়ামী লীগ, ২টি তে বিএনপি এবং ৬টি তে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের বিজয়ীও প্রার্থীরা হলেন খলিলপুর ইউনিয়নে পোদ্দার বাচ্চু, আপার কাগাপলা ইউনিয়িনে মো. আজির উদ্দিন, একাটুনা ইউনিয়নে আবু সুফিয়ান এবং গিয়াসনগরে গোলাম মোস্তফা।

বিএনপি সমর্থিত বিজয়ীরা হলেন কামালপুর ইউনিয়নে ফয়সল আহমদ এবং আমতৈল ইউনিয়িনে রানা খান শাহিন। স্বতন্ত্র ৬ প্রার্থী হলেন মনুমুখ ইউনিয়নে আব্দুল হক সেফুল, আখাইলকুড়া ইউনিয়নে সেলিম আহমদ, চাঁদনীঘাট ইউনিয়নে আখলাই মিয়া, কনকপুর ইউনিয়নে রেজাউর রহমান চৌধুরী, নাজিরাবাদ ইউনিয়নে সৈয়দ এনামুল হক রাজা, মোস্তফাপুর ইউনিয়নে মো. তাজুল ইসলাম তাজ।

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার ৪ নং মধ্যনগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রবীর বিজয় তালুকদার নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ভোট।

আর/১৭:১৪/০৫ জুন

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে