Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-০৫-২০১৬

উচ্চ রক্তচাপ কি ও কেন?

উচ্চ রক্তচাপ কি ও কেন?

আমাদের আশেপাশের অনেকের মুখে উচ্চ রক্তচাপ জনিত অসুখের কথা শুনে থাকি। হয়তো পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ এই অসুখের জন্য নিয়মিত ওষুধ খেয়ে চলেছেন। বিশেষ করে তীব্র গরমের এই সময়ে উচ্চ রক্তচাপে ভোগা রোগীরা দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়েন।

হৃদপিণ্ড রক্তকে ধাক্কা দিলে ধমণীর গায়ে যে চাপ সৃষ্টি হয় তাকে ব্লাড প্রেসার বলে। পূর্ণ বিশ্রামে থাকা একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তের চাপ বা ব্লাড প্রেসার হওয়া উচিৎ ১২০/৮০ মিলি মিটার পারদ চাপ। এই চাপ স্বাভাবিক মাত্রা ছাড়িয়ে যখন অস্বাভাবিক হয়ে যায় তখনি তাকে বলা হয় হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ বলে।

ব্লাড প্রেসারে ১২০ দিয়ে হার্ট এর সংকোচনের সময় রক্তের চাপ এবং ৮০ দিয়ে হার্ট এর প্রসারণের সময়ে রক্তের চাপকে নির্দেশ করা হয়। প্রথম সংখ্যাটি সিস্টোলিক প্রেসার এবং দ্বিতীয় সংখাটি ডায়াস্টোলিক প্রেসার বলা হয়। যখন উপরের প্রেসারটি ১৪০ বা তার উর্ধ্বে অথবা নীচের প্রেসারটি ৯০ বা তার উর্ধ্বে পাওয়া যায় তখন ধরে নিতে হবে রোগীর ব্লাড প্রেসার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ধরে নেয়া হয়। তবে বয়সের ওপর ভিত্তি করে এই মাত্রার কিছুটা তারতম্য হতে পারে।

উচ্চরক্তচাপে ভোগার শতকরা ৯৫ ভাগ কারণই এখন পর্যন্ত সঠিকভাবে জানা যায়নি। এই ৯৫ ভাগকে বলা হয় এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন, অবশিষ্ট ৫ ভাগ হলো সেকেন্ডারি হাইপারটেনশন। সেকেন্ডারির মধ্যে কিছু আছে কিডনির রোগ, কিছু হরমোনের সমস্যা জনিত রোগ, ধমনীর রোগ, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং গর্ভাবস্থা এ অবস্থার জন্য দায়ী হতে পারে।

উচ্চরক্তচাপের প্রাথমিক অবস্থায় তেমন কিছুই বোঝা যায় না। তবে এই রোগে মাথার পেছনের দিকে ব্যথা, বেশি প্রসাব হওয়া, হঠাৎ হঠাৎ ঘেমে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করার মতো সমস্যা হতে পারে। ব্লাড প্রেসার খুব বেশি হলে উপসর্গও বাড়তে পারে। দীর্ঘদিন ব্লাড প্রেসার অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে।

হাইপারটেনশন চিকিৎসার প্রথম স্তরেই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। খাবারে লবণের পরিমান কমিয়ে আনা, মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিমিত খাওয়া, আতিরিক্ত শর্করা বা চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়া, ধুমপান বা অ্যালকোহলের অভ্যাস থাকলে তা সম্পূর্ণ ত্যাগ করা, শরীরের বাড়তি ওজন কমানো, ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করা, নিয়মিত হাল্কা শরীরচর্চা করা, উপাসনা বা প্রার্থনার মাধ্যমে শারীরিক ব্যায়াম ধরে রাখা। এরপরেও যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায় সেক্ষেত্রে কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খেতে হতে পারে।

আর/১৭:১৪/০৫ জুন

সচেতনতা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে