Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.7/5 (30 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-০৩-২০১৬

‘ত্রিপুরায় কংগ্রেসের অধিকাংশ বিধায়ক তৃণমূলে আসছেন’  

‘ত্রিপুরায় কংগ্রেসের অধিকাংশ বিধায়ক তৃণমূলে আসছেন’

 

আগরতলা, ০৩ জুন- পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের সঙ্গে জোট করায় ত্রিপুরায় মাশুল দিতে হচ্ছে কংগ্রেসকে। দলটির অধিকাংশ বিধায়কই তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। আজ শুক্রবার আগরতলায় কংগ্রেসের বিদ্রোহী নেতাদের পাশে বসিয়ে এমনই দাবি করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় নেতা ও ভারতের লোকসভার সদস্য মুকুল রায়।

মুকুল রায় জানান, ২০১৮-র ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে ত্রিপুরায় তৃণমূল সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ওই নির্বাচনে জিতে নিজেদের সরকার গঠনে মরিয়া তৃণমূল।

পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা ধরে রাখার পর তৃণমূল প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানান, ত্রিপুরা থেকে সিপিএমকে হঠাতে উদ্যোগী হবে তাঁর দল। তাঁরই নির্দেশে শুক্রবার ত্রিপুরা সফরে যান দলের সহসভাপতি মুকুল রায়। আগরতলায় পৌঁছেই তিনি সোজা চলে যান ত্রিপুরার সাবেক রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি সুদীপ রায় বর্মণের বাড়ি। সেখানে সুদীপ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি দীবাচন্দ্রসহ একাধিক বিধায়ক ও বিদ্রোহী কংগ্রেস নেতা। দিনভর তাঁদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। জানান, ‘২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করবে তৃণমূল।’

কংগ্রেস নেতাদের তৃণমূল যোগদান প্রসঙ্গে মুকুল রায়ের দাবি, ‘খুব শিগগিরই ত্রিপুরা বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে তৃণমূলের শক্তি দেখা যাবে।’ এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।

প্রসঙ্গত, ভারতীয় আইন অনুযায়ী কংগ্রেস জনপ্রতিনিধিদের সদস্যপদ বাঁচিয়ে রেখে দলত্যাগ করতে হলে অন্তত সাতজনকে একযোগে করতে হবে। কিন্তু সুদীপপন্থীদের সঙ্গে এখনো সাতজন বিধায়ক হচ্ছেন না বলেই জানা গেছে। তাই দল ছাড়ার বিষয়ে আরও সময় নিচ্ছেন তাঁরা।

প্রকাশ্যে দলবিরোধী কথা বলার দায়ে ইতিমধ্যেই কংগ্রেস থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে সুদীপ রায় বর্মণকে। পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের সঙ্গে জোটের বিরোধিতা করেই তিনি বিরোধী দলনেতার পদ থেকে ইস্তফা দেন। এদিন আরও একধাপ এগিয়ে তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের সাংবাদিক সম্মেলনেও পাশে থাকেন তিনি। ফলে কংগ্রেস ভেঙে তাঁদের তৃণমূলে যোগদান এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।

এ বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে সুদীপ বর্মণ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সিপিএমের সঙ্গে দোস্তি করে কংগ্রেস করতে পারব না। জনগণ শিগগিরই জানতে পারবে সিপিএমকে হঠাতে আমরা কী করছি।’

কংগ্রেস অবশ্য বিষয়টি নিয়ে মোটেই চিন্তিত নয়। কংগ্রেস মুখপাত্র তাপস দে দাবি, বিধায়কেরা কেউই দল ছাড়ছেন না। মুকুল রায়ের সঙ্গে দলীয় বিধায়কদের বৈঠককেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি। বলেন, ‘কারও সঙ্গে দেখা করা মানে মোটেই দল ছাড়া নয়। ত্রিপুরার মানুষ কংগ্রেসের সঙ্গেই আছে।’

এ আর/ ২১:৪০/০৩ জুন

ত্রিপুরা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে