Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (31 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৬-০৩-২০১৬

সিরাজগঞ্জে সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তার অভিনব প্রতারণা!

সিরাজগঞ্জে সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তার অভিনব প্রতারণা!

সিরাজগঞ্জ, ০৩ জুন- সিরাজগঞ্জে সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিনব জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও তসরুফের অভিযোগ উঠেছে। তিনি প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার সরকারি বরাদ্দের ১০ লাখ টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছেন বলে আলোচনা হচ্ছে। সম্প্রতি বিষয়টি ফাঁস হলে ওই কর্মকর্তা ১৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত ব্যাংকের ভাউচারের মাধ্যমে কয়েক দফায় এক লাখ ষাট হাজার টাকা জমা দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন সোনালী ব্যাংক, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির সোহাগপুর শাখার অফিসার আবুল হাশেম শেখ। তিনি সোনালী ব্যাংক রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া শাখায় কর্মরত থাকাকালে স্থানীয় সমাজ সেবা অধিদফতরের ও ব্যাংকের একটি চক্রের যোগসাজসে এসব অপকর্ম করেছেন বলেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

অন্যদিকে, সোনালী ব্যাংক, সিরাজগঞ্জ কোর্ট শাখা থেকে অভিযুক্তকে কারণ দর্শানো নেটিশ দেওয়া হয়েছে। সিরাজগঞ্জ প্রিন্সিপাল অফিস, ধানগড়া ও সোহাগপুর শাখার ব্যবস্থাপককে গত ২২ মে বিষয়টি জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সিরাজগঞ্জ কোর্ট শাখার ব্যবস্থাপক খালিদ ইবনে মাহবুবকে বগুড়ায় বদলি করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ কোর্ট শাখার ব্যবস্থাপক প্রিন্সিপাল অফিসার খালিদ ইবনে মাহবুব বলেন, ‘গত ২২ মে বেলকুচির সোহাগপুর শাখার অফিসার আবুল হাশেমের সোনালী ব্যাংক, রায়গঞ্জ শাখার প্রতিবন্ধী ও বয়স্কভাতার হিসাব নং ৩৪০৫৯০৭২-এ টাকা জমা দেওয়ার বিষয়টি আমার কাছে অসঙ্গত মনে হয়েছে। তাই আমি সিরাজগঞ্জ প্রিন্সিপাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপকসহ ধানগড়া ও সোহাগপুর শাখার ব্যবস্থাপককে গত ২২ মে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছি।’

বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বিষয়টি সোনালী ব্যাংক প্রধান শাখা থেকে শুনে এসেছি। এই ঘটনায় আমার উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জড়িত থাকলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোনালী ব্যাংক, সিরাজগঞ্জ শাখার প্রধান কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক রনেন্দ্রনাথ মণ্ডলকে বৃহস্পতিবার অফিসে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত আবুল হাশেমের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে বার বার চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

রায়গঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রবিউল করিম বলেন, ‘বিষয়টি আজই জানলাম। রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি। তিনি ব্যাংক ম্যানেজারকেও তলব করেছেন।’

সোনালী ব্যাংক রায়গঞ্জের ধানগড়া শাখার ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ কোর্ট শাখা থেকে আমরা চিঠি পেয়েছি। আবুল হাশেম বর্তমানে বেলকুচির সোহাগপুর শাখায় বদলি হয়েছেন। তিনি সরকারি টাকার কতটুকু ভেঙেছেন বা নিয়ে গেছেন তা এই মুহূর্তে বলা মুশকিল।’

সোনালী ব্যাংক, বেলকুচির সোহাগপুর শাখার ব্যবস্থাপক উদয় কুমার দত্ত এ প্রসঙ্গে বলেন,’আমরাও বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।’ এই সময় ম্যানেজার নিজের ফোনটি আবুল হাশেমকে দিলেও তিনি সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

সিরাজগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে