Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.1/5 (29 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৬-০১-২০১৬

ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে নয়, মিলছে ফ্লেক্সিলোডের দোকানে

ট্রেনের টিকিট কাউন্টারে নয়, মিলছে ফ্লেক্সিলোডের দোকানে

বগুড়া, ০১ জুন- বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেনের আসনভিত্তিক টিকিট সংকট এখন স্বাভাবিক ঘটনা বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। যে কয়েকটি টিকিট বরাদ্দ রয়েছে তার সব বিক্রি করা হয় না বলে জানা যায়। কাউন্টার থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, টিকিট নেই। বাধ্য হয়ে জনগণকে স্ট্যান্ডিং টিকিট (দাঁড়িয়ে ভ্রমণ) কিনতে হয়।

এদিকে, পাশে একটি ফ্লেক্সিলোডের দোকানে ডিজিটাল ব্যানার ঝুলিয়ে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, স্টেশন মাস্টারের সহযোগিতায় কালোবাজারিরা উচ্চমূল্যে এসব টিকিট বাইরে বিক্রি করে থাকেন। তবে স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম ডালিম অভিযোগটি দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করে বলেন, নিয়মমাফিক ও সিট বরাদ্দ অনুসারে ঢাকাগামী আন্তঃনগর পাঁচটি ট্রেনের টিকিট বিক্রি হয়ে থাকে। ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকানে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখন অনলাইনে টিকিট বিক্রি হয়ে থাকে। যাত্রীরা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

জানা গেছে, উত্তরাঞ্চলের রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারী থেকে ৫টি আন্তঃনগর ট্রেন বগুড়া ও সান্তাহার জংশন হয়ে ঢাকায় যায়। এখানে সপ্তাহে রবিবার বাদে রাত ১১.৫০ মিনিটে রংপুর থেকে রংপুর এক্সপ্রেস, শুক্রবার বাদে বেলা ২.২০ মিনিটে লালমনিরহাট থেকে লালমনি এক্সপ্রেস, সোমবার বাদে রাত ১২.৪০ মিনিটে দিনাজপুর থেকে একতা এক্সপ্রেস ও বুধবার বাদে সকাল ১১.২০ মিনিটে দ্রুতযান এক্সপ্রেস এবং রবিবার বাদে রাত ১.৫০ মিনিটে নিলফামারী থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস সান্তাহার জংশন ছেড়ে যায়।

সান্তাহার জংশনে প্রতিটি ট্রেনে চেয়ার ও সাধারণ আসনে পাঁচ থেকে ১৪টি আসন বরাদ্দ। কাউন্টারে অগ্রিম টিকিট পাওয়ার কথা। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, বরাদ্দের এ টিকিটও কাউন্টারের পাওয়া যায়না। সেখান থেকে বলা হয় টিকিট শেষ। দাঁড়িয়ে থেকে যেতে পারলে টিকিট দেওয়া হবে। বাধ্য হয়ে যাত্রীরা দীর্ঘপথ দাঁড়িয়ে ঢাকা বা অন্য কোনও গন্তব্যে যান। অথচ জংশনের টিকিট কাউন্টারের পাশে একটি ফ্ল্যাক্সিলোডের দোকানে গেলে ঠিকই টিকিট মেলে।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা আরও জানান, অধিক মূল্য দিলেই ওইসব দোকানে ঢাকাগামী ট্রেনের টিকিট পাওয়া যায়। ওই দোকানে সেখানে লেখা রয়েছে, ‘এখানে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট পাওয়া যায়’।

এদিকে সাংবাদিকরা গত শনিবার কালোবাজারে টিকিট বিক্রির খোঁজ নেবার দু’দিন পর ওই দোকানের ব্যানার পরিবর্তন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, এখানে ‘অনলাইনে’ ট্রেনের অগ্রিম টিকিট পাওয়া যায়। ভুক্তভোগীরা জানান, জংশনের কাউন্টারে কাগজে-কলমে ট্রেনের টিকিট বিক্রি দেখানো হলেও আসলে কালোবাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে