Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-৩১-২০১৬

সুন্দরী হওয়ার জন্য কী না করতেন মেয়েরা! পাঁচটি ভয়ঙ্কর বিউটি ট্রেন্ড

সুন্দরী হওয়ার জন্য কী না করতেন মেয়েরা! পাঁচটি ভয়ঙ্কর বিউটি ট্রেন্ড

সুন্দরী হতে কে না চান? কিন্তু তার জন্য প্রাণ হাতে নেওয়ার ঘটনা তেমন রয়েছে কি? আজ থেকে ২০০ বছর আগে এমন কিছু বিউটি ট্রেন্ড ইউরোপে অনুসৃত হতো, যা জানলে আপনার হাড় হিম হয়ে যেতে বাধ্য। সম্পূর্ণ ভুল ধারণার বশবর্তী হয়েই এই বিউটি ট্রেন্ডগুলি চালু করেছিলেন ভিক্টোরিয়ান আমলের মহিলারা। রীতিমতো প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা সুন্দরী হয়ে উঠতে তৎপর হতেন। এখানে আলোচিত হল সে যুগের পাঁচটি ভয়ঙ্কর বিউটি ট্রেন্ড।

• ১৮ শতকের সৌন্দর্য-ধারণা অনুযায়ী, মেয়েদের গায়ের রং ফ্যাকাশে হওয়াটাই বাঞ্ছনীয় ছিল। অভিজাত মহিলারা চাইতেন, তাঁদের গাত্রবর্ণ এমন হোক, যাতে তা ভেদ করে শিরা দেখা যাবে। বিশেষ করে মুখের ক্ষেত্রে তাঁরা এমনটা একান্তভাবে দরকারি বলে মনে করতেন। ভিক্টোরিয়ান সৌন্দর্যবোধে মেয়দের মুখ মৃতদেহের মতো ফ্যাকশে হওয়াটা জরুরি ছিল। এই কাজটা করতে তাঁরা এক ধরণের বিশেষ ব্লিচ ব্যবহার করতেন। আফিম আর লেটুস পাতা দিয়ে একটা পেস্ট তৈরি সারারাত্রি মুখে লাগিয়ে রাখতেন মেয়েরা। তার পরে সকালে অ্যামোনিয়া দিয়ে ধুয়ে ফেলতেন। মুখের চামড়া টান করার জন্য ব্যবহার করতেন আর্সেনিক। তাঁরা ভালমতোই জানতেন, আর্সেনিক বিষ। কিন্তু সুন্দরী হওয়ার জন্য সেই ঝুঁকিটুকু নিতে তাঁরা প্রস্তুত ছিলেন।

• ভিক্টোরিয়ান ইউরোপে কোঁকড়ানো চুলের বিরাট চাহিদা ছিল। কার্লিং আয়রন ব্যবহার করে চুলকে কোঁকড়া করার ট্রেন্ড তখন চালু ছিল ব্যাপকভাবে। লোহাকে দারুণভাবে উত্তপ্ত করে চুলে প্রয়োগ করে কোঁকড়া করতে চাইতেন সেকালের মেয়েরা। যলে চুল পুড়ত। আর খুব দ্রুত তাঁদের মাথায় টাক দেখা দিত।

• নাক তেমন টিকালো না হলে ভিক্টোরিয়ান যুগের অভিজাত সমাজে পাত্তা পাওয়া যেত না। প্লাস্টিক সার্জারি তখন অনাবিস্কৃত। যে ব্যাপরটা চালু ছিল, সেটা ভয়ানক। ‘নোজ মেশিন’ অথবা ‘নোজ শার্পার’ নামের একটা যন্ত্র বাজারে চালু ছিল। এই যন্ত্র নাকের নরম কার্টিলেজকে এমনভাবে চটকাতো, যাতে নাক ছোট আর টিকালো হয়ে ওঠে। এতে কী পরিমাণ ক্ষতি হত নাকের, তা সেই সব সুন্দরীরাই জানেন, যাঁরা এটা ব্যবহার করতেন।

• সরু কোমর ছিল সে যুগের সৌন্দর্য-ইনডেক্সের অন্যতম প্রধান এলিমেন্ট। করসেট ব্যবহার ছাড়াও ওজন কমাতে মহিলারা এক অদ্ভুত কাণ্ড করতেন। ‘টেপওয়র্ম পিল’ নামের একটা ওযুধের চল ছিল সেই সময়ে, যা খেয়ে নিয়ে পেটের ভিতরে ফিতেকৃমি বাড়তে থাকত। মহিলারা মনে করতেন, তাঁরা যা-ই খান না কেন, ওই ফিতেকৃমি সেসব খেয়ে নেবে আর তাঁদের গায়ে গত্তি লাগবে না। যথেষ্ট রোগা হওয়া গিয়েছে মনে করলে তাঁরা কৃমিনাশক খেতে শুরু করতেন। এই ভয়াবহ কাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষতি হতো, তা সহজেই অনুমেয়।

• অবাঞ্ছিত রোম দুর করা যে কোনও দেশে যে কোনও কালেই রূপচর্চার একটি বিশেষ অঙ্গ। ভিক্টোরিয়ান আমলে মলে করা হত, রোম কামিয়ে বা উপড়ে ফেললে তা আরও কড়া হয়ে দেখা দেবে আর তার পরিমাণও তিনগুণ বেড়ে যাবে। এই কারণে ব্যবহৃত হতো রোমনাশক পাউডার। সবক’টি পাউডার যে নিরীহ ছিল, তা নয়। অনেক সময়েই ক্লোরাইড ব্যবহার করতে নির্দেশ দিতেন সৌন্দর্য-বিশেষজ্ঞরা। ক্লোরাইড সাধারণত ব্যবহৃত হত কাপড় ব্লিচ করার কাজে। ফলে রোম-নাশনের পরে কী দাঁড়াত ত্বকের হাল, তা অনুমান করতে বেগ পেতে হয় না।

এফ/১৬:২৫/৩১মে

জানা-অজানা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে