Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.5/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-২৮-২০১৬

তুরস্ক ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ

সাবেরা খাতুন


তুরস্ক ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহ

আঙ্কারা, ২৮ মে- এশিয়া ও ইউরোপের মাঝামাঝি স্থানে তুরস্ক দেশটি অবস্থিত যা একসময় অটোম্যান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। তুরস্কের প্রায় পুরোটাই এশীয় অংশে পড়েছে। পর্বতময় আনাতোলিয়া এশিয়া মাইনর উপদ্বীপের অংশ। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা আনাতোলিয়াতেই অবস্থিত। তুরস্কের বাকি অংশের নাম পূর্ব বা তুর্কীয় থ্রাস। এটি ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণায় অবস্থিত। এখানে তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুল অবস্থিত। সামরিক কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৩টি জলপথ- মারমারা  সাগর, বসফরাস প্রণালী ও দারদানেল প্রণালী এশীয় ও ইউরোপীয় তুরস্ককে পৃথক করেছে। এই ৩টি জলপথ একত্রে কৃষ্ণসাগর থেকে এজীয় সাগরে যাওয়ার একমাত্র পথ তৈরি করেছে। তুরস্কের রয়েছে বিস্তৃত উপকূল যা দেশটির সীমান্তের তিন-চতুর্থাংশ গঠন করেছে। তুরস্কের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য স্থান সম্পর্কে আজ জেনে নেব আমরা।  

১। হাজিয়া সোফিয়া
সম্ভবত তুরস্কের সবচেয়ে বিখ্যাত পর্যটক আকর্ষণীয় স্থান এবং বিশ্বের প্রাচীনতম ভবনগুলোর একটি এই হাজিয়া সোফিয়া। ষষ্ঠ শতকে বাইজেন্টাইন সম্রাট জাস্টিনিয়ান এই ভবনটি নির্মাণ করেন, যা পরবর্তীকালে মসজিদে রুপান্তর করা হয়। বর্তমানে এটি একটি মিউজিয়াম হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এর অসাধারণ স্থাপত্য এবং বাইজেন্টাইন ও মুসলিম অলংকরণের সাজসজ্জা দর্শনার্থীদের বিমোহিত করে।

২। ইফেসাস
তুরস্কের জনপ্রিয় স্থানগুলোর একটি ইফেসাস যা সেলকাকের নিকট অবস্থিত। বিশ্বের সেরা গ্রীক ও রোমান ধ্বংসাবশেষের কিছু অংশ এখানে সংরক্ষিত আছে। প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি এই ইফেসাস শহরটি যা একসময় আর্টেমিসের মন্দিরের জন্য বিখ্যাত ছিল। ইফেসাসের কিছু আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে লাইব্রেরী অফ সেলসিয়াস এবং ট্যাম্পল অফ হেড্রিয়ান এবং প্রাচীন থিয়েটার।  

৩। কাপাদ্দোসিয়া
কাপাদ্দোসিয়া এর অদ্ভুত ও বিস্ময়কর প্রাকৃতিক শিলা এবং অনন্য ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত। এই ভূগর্ভস্থ শহরটি পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে। গ্যারেমি উপত্যকার চুনা পাথরের অদ্ভুত গঠনকে রূপকথার গল্পের চিমনির মত মনে হয়। বাতাস ও পানি দ্বারা ক্ষয় হয়ে হয়ে তৈরি হয়েছে এমন গঠন।

৪। ব্লু মস্ক
ইস্তাম্বুল শহরের চমৎকার স্থাপত্যশৈলী ও ৬টি মিনারের সুলতান আহমেদ মসজিদ বা নীল মসজিদটি বাইরে থেকেই মুগ্ধতার সৃষ্টি করে। এটি তুরস্কের আরেকটি পর্যটক আকর্ষণের স্থান। এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয় ১৬০৯-১৬১৬ শতকে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠাতার সমাধি রয়েছে। মসজিদের ভেতরের উঁচু সিলিঙে ২০,০০০ বিভিন্ন ধরণের নীল টাইলস লাগানো আছে যার কারণে মসজিদটির নাম নীল মসজিদ হয়েছে।

এছাড়াও তুরস্কের আরো কিছু আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে – নমরুদের পাহাড়, ট্রয়, বোদ্রাম ক্যাসেল, পামুকালে, পাতারা বীচ, এস্পেন্ডোস থিয়েটার, অলোডেনিজ, বেসিলিকা সিস্টারন ইত্যাদি।     

লিখেছেন- সাবেরা খাতুন

এফ/১০:০৫/২৮ মে

পর্যটন

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে