Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৫-২৭-২০১৬

ইউপি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন মৃত ব্যক্তিরাও!

ইউপি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন মৃত ব্যক্তিরাও!

ঢাকা, ২৭ মে- ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রথম চার ধাপে সহিংসতায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। এ প্রাণহানির অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে বলেও জানায় সংগঠনটি। কারণ এই নির্বাচনে মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন!

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সুজন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশে অতীতের যেকোনো ইউপি নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে। দেশের সর্ব নিম্নস্তরের নির্বাচনে ব্যাপক অনিময় ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। ইউপি নির্বাচন এখন দুঃস্বপ্নের নির্বাচন।

এই নির্বাচনে মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন! যা স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থা ১৫০ বছরের ইতিহাসের সব চেয়ে ভয়াবহ। অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুজনের সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

সুজন জানিয়েছে, এর আগে ১৯৮৮ সালের নির্বাচন সবচেয়ে বেশি সহিংসতাপূর্ণ ও প্রাণঘাতী ছিল। ওই নির্বাচনে ৮০ জনের প্রাণহানি হয়। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইউপি নির্বাচনে ১০ জনের প্রাণহানি হয়। ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের আমলে ২৩ জন মারা যায়।

সুজনের তথ্যমতে, এইবারের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত যে ১০১ জন মারা গেছেন, তাদের মধ্যে নির্বাচনপূর্ব সংঘর্ষে ৪৫ জন, ভোটের দিন সংঘর্ষে ৩৬ জন এবং ভোটের পর সংঘর্ষে ২০ জন মারা গেছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী-সমর্থক ৪০ জন, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ১২ জন, বিএনপির দুজন, জাতীয় পার্টি (জেপি) একজন, জনসংহতি সমিতির একজন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী দুজন নিহত হয়েছেন। বাকিদের মধ্যে সদস্য প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক ৩১ জন, ১২ জন সাধারণ মানুষ। নিহতদের মধ্যে চারজন নারী ও তিনটি শিশু, একজন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং তিনজন মেম্বর প্রার্থী ছিলেন।

এই নির্বাচনে এখন পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের ২১১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ ছাড়া বিএনপি ৫৫৪ ইউপিতে চেয়ারম্যান প্রার্থী দিতে পারেনি।

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বর্তমানে যে অবস্থায় নির্বাচন হচ্ছে তাতে পুরো নির্বাচনই একটি দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। যারা চোখে দেখে না, কানে শোনে না শুধুমাত্র তারা ছাড়া বাকি সবাই বলছে এ নির্বাচন গ্রহনযোগ্য নয়। এতে দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতন্ত্র দুটিই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

এফ/০৮:৪৫/২৭মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে