Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (16 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-২৪-২০১৬

সাত খুন: কাঠগড়ায় অসুস্থ নূর হোসেন

সাত খুন: কাঠগড়ায় অসুস্থ নূর হোসেন

নারায়ণগঞ্জ, ২৪ মে- আলোচিত সাত খুনের দু’টি মামলার অন্যতম প্রধান আসামি নূর হোসেনের উন্নত চিকিৎসার জন্য আদালতে আবেদন করেছেন তার পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খোকন সাহা। তবে আদালত বিধি মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টায় নারায়ণগঞ্জ আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের সময় নূর হোসেন অসুস্থ বোধ করে কাঠগড়ায় বসে পড়েন। তখন তার আইনজীবী ও অন্যরা নূর হোসেনের মাথায় পানি ঢেলে কাঠগড়ার বাইরে এনে ফ্যানের নিচে বসান। পরে কিছুটা সুস্থ হলে পুনরায় আদালতে সাক্ষ্য ও জেরা শুরু হয়।

এ বিষয়ে নূর হোসেনের পক্ষে আইনজীবী নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা সাংবাদিকদের জানান, নূর হোসেনের উন্নত চিকিৎসার জন্য আদালতের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আদালত বিধি মোতাবেক কারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে গ্রেপ্তারকৃত নূর হোসেনসহ ২৩ আসামির উপস্থিতিতে ৫ জনের সাক্ষ্য ও জেরা গ্রহণ করা হয়। পরে আদালত আগামী ৩০ মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য করেন। এ নিয়ে ৫৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মঙ্গলবার আদালতে সাত খুনের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী গ্রহণ করেন নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম শফিকুল ইসলাম।  হত্যাকাণ্ডের পর আলামত জব্দের সময়ে সাক্ষী করা হয় আবদুল আউয়াল, আজাদ শেখ, মো. রহিম ও হাসান।

জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল হলেন নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি হলেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী। দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। এ কারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।

প্রসঙ্গত ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তার গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছে।

এফ/১৮:২২/২৪মে

নারায়নগঞ্জ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে