Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-২৪-২০১৬

সন্ত্রাস বন্ধ করতে রাজ্যপাল চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রীকে

সন্ত্রাস বন্ধ করতে রাজ্যপাল চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রীকে

কলকাতা, ২৪ মে- নির্বাচনোত্তর সংঘর্ষ বন্ধ করতে প্রশাসন যাতে কড়া পদক্ষেপ করে তার পরামর্শ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। সোমবার রাজভবনের তরফে এক বিবৃতি জারি করে এই খবর জানানো হয়েছে।

নির্বাচনোত্তর সংঘর্ষ বন্ধ করতে প্রশাসন যাতে কড়া পদক্ষেপ করে তার পরামর্শ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। সোমবার রাজভবনের তরফে এক বিবৃতি জারি করে এই খবর জানানো হয়েছে। 

নির্বাচনোত্তর হিংসার সমাধানে হস্তক্ষেপ চেয়ে এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসের এক যৌথ প্রতিনিধি দল। সম্প্রতি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এসেছে বিজেপি’ও। বিরোধীদের পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় শাসকদলের উপরেও হামলা চলেছে— রাজ্যপালের কাছে এমন খবরও রয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনায় যাতে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ করে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যপাল। 

এদিনই বীরভূমের নানুরে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরার অনুগামীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় বিরোধী কাজল শেখের অনুগামী এবং সিপিএম সমর্থকদের। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে খোকন শেখ নামে কাজলের এক অনুগামীর। মৃত্যুর আগে খোকনের দাবি, ‘‘আমি কাজলের অনুগামী। এবার সিপিএমের হয়ে বুথে এজেন্ট হয়েছিলাম। সে কারণেই অনুব্রত এবং গদাধরের লোকজন আমাকে আক্রমণ করেছে।’’ যদিও খোকন তাঁদেরই অনুগামী বলে দাবি করেছেন গদাধর। 

এদিন সকালে প্রথম হামলাটি হয় নাহিয়া গ্রামে সিপিএমের লোকাল কমিটির সদস্য শেখ ফজুর বাড়িতে। অভিযোগ, ফজুকে না পেয়ে দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করে। মহিলা এবং শিশুদের লক্ষ্য করে বোমা-গুলি ছোড়ে। গ্রামের বেশ কয়েক জায়গায় চলে বোমাবাজি। এরপর ৩০-৩৫ জনের একটি বাইক বাহিনী বোমা-বন্দুক নিয়ে নাহিনা থেকে সিঙ্গি গ্রামে যায়। প্রথমেই তারা খোকনের বাড়িতে হামলা চালায়। তাদের ছোড়া গুলি খোকনের পেটে এবং পায়ের নীচে লাগে। এরপর কাজলের আরেক অনুগামী ফকির শেখের বাড়িতে হামলা চালায় ওই বাহিনী। এই বাহিনীর প্রত্যেকেই গদাধরের অনুগামী বলে অভিযোগ। ঘটনার জেরে গ্রামের সিপিএম সমর্থকেরা তৃণমূলের কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। 

দু’ঘণ্টা পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে গ্রামে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে বোলপুর থানার পুলিশ। বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ তাড়া করলে কাজল অনুগামীরা তাদের লক্ষ্য করে বোমাবাজি শুরু করে। পরে দু’টি গ্রাম থেকে প্রায় ৮০টি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই কাজল অনুগামীরা ঘিদহ গ্রামে পাল্টা হামলা চালায়। আধঘণ্টা বোমাবাজির পর গদাধরের লোকজনও জড়ো হয় সেখানে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। 

অনুব্রতের অভিযোগ, ‘‘সিপিএম গ্রামজুড়ে তাণ্ডব শুরু করেছে। গুলিবিদ্ধ হয়ে আমাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।’’ যদিও সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রামচন্দ্র ডোম বলেন, ‘‘তৃণমূলই খোকনকে খুন করেছে। পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নিক।’’ 

এফ/১০:৫৫/২৪মে

পশ্চিমবঙ্গ

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে