Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-২৪-২০১৬

সংঘাত ও নারী। লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে পড়াবেন অ্যাঞ্জেলিনা

সংঘাত ও নারী। লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে পড়াবেন অ্যাঞ্জেলিনা

লন্ডন, ২৪ মে- লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে (এলএসই) অতিথি-অধ্যাপক হিসাবে পড়াবেন অভিনেত্রী তথা পরিচালক অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। এলএসই’র তরফেই আজ এই খবর জানানো হয়েছে। সেখানে নারীদের ক্ষমতায়ন সম্পর্কিত একটি কোর্স স্নাতকোত্তর স্তরে পড়ানোর কথা অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর। বিশেষত, যুদ্ধ এবং সংঘাতের সময়ে মেয়েদের দুরবস্থার কথাও পড়াবেন তিনি।

লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্সে (এলএসই) অতিথি-অধ্যাপক হিসাবে পড়াবেন অভিনেত্রী তথা পরিচালক অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। এলএসই’র তরফেই আজ এই খবর জানানো হয়েছে। সেখানে নারীদের ক্ষমতায়ন সম্পর্কিত একটি কোর্স স্নাতকোত্তর স্তরে পড়ানোর কথা অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর। বিশেষত, যুদ্ধ এবং সংঘাতের সময়ে মেয়েদের দুরবস্থার কথাও   পড়াবেন তিনি।

এই পাঠ্যক্রমের আয়োজন করেছে ‘এলএসই সেন্টার ফর উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিওরিটি’। ব্রিটেনের প্রাক্তন বিদেশ সচিব উইলিয়াম হেগ এবং জোলিই গত বছর পাঠ্যক্রমটির উদ্বোধন করেছিলেন। এলএসই’র এক অধ্যাপক আজ বলেন, ‘‘আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে জোলির এখানে পড়ানোর কথা। বর্তমান পৃথিবীতে নারীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। গোটা বিশ্বেই এই ধরনের কোর্স খুব বেশি জায়গায় পড়ানো হয় না।’’

রাষ্ট্রপুঞ্জের শরণার্থী বিষয়ক দফতরের বিশেষ শুভেচ্ছাদূত জোলি বলেন, ‘‘বিভিন্ন দেশের মধ্যে সংঘাতের সময় নারীরা ভয়ংকরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও তাঁরা অনেক সময়েই বিচার পান না। এইসব সমস্যা নিয়েই পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলব।’’ 

নারীদের বিরুদ্ধে হিংসার স্বরূপ বুঝতে এর আগে একাধিক দেশে গিয়েছেন জোলি। ২০০১ সালে ‘লারা ক্রফ্ট — টুম রেডার’ ছবির শ্যুটিং করতে যুদ্ধবিধ্বস্ত কম্বোডিয়ায় গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেখান থেকেই শুরু। পরে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় শরণার্থী শিবির ঘুরে দেখেন তিনি। তানজানিয়া, পাকিস্তান-সহ প্রায় ৩০টি দেশে গিয়েছেন তিনি। 

শরণার্থী মহিলাদের বিষয়ে ২০১১ সালে একটি ছবিও পরিচালনা করেন জোলি। ‘ইন দ্য ল্যান্ড অফ ব্লাড অ্যান্ড হানি’ দিয়েই ছবি পরিচালনায় তাঁর হাতেখড়ি। ’৯০য়ের দশকে বসনিয়া যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে এই ছবি। ওই যুদ্ধের সময় ২০ হাজারেরও বেশি মহিলা ধর্ষিত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। জোলি এবং হেগ মিলিতভাবে ‘যুদ্ধকালীন যৌন হিংসা প্রতিরোধ উদ্যোগ’ নামে একটি প্রকল্পও ২০১২ সালে শুরু করেন। 

এলএসই’তে জোলির পড়ানোর খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নেটিজেনদের অনেকে। মানবীবিদ্যা চর্চার সঙ্গে যুক্ত এক অধ্যাপক লেখেন, ‘তত্ত্বচর্চার চেয়ে হাতেকলমে কাজের গুরুত্বই বেশি। মহিলাদের অধিকার নিয়ে কথা বলার জন্য জোলিই সবচেয়ে উপযুক্ত’। আরেক নেটিজেনের টুইট, ‘এলএসই কর্তৃপক্ষ নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন। আগামী শিক্ষাবর্ষে একটি কোর্সে অন্তত পড়ুয়াদের ১০০ শতাংশই ক্লাসে উপস্থিত থাকবেন’!

এফ/১০:৩০/২৪মে

হলিউড

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে