Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 5.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-১৮-২০১৬

মিয়ানমারের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

মিয়ানমারের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কমিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

রেঙ্গুন, ১৮ মে- মিয়ানমারের গত কয়েকদশকের সামরিক শাসনের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী অং সান সুচির দল এনএলডি। এই পরিবর্তনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশটির উপর থেকে বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় ১০ কোম্পানিকে (ব্যাংকিং, টিম্বার ও খনি শিল্প-কারখানা) কালো তালিকা থেকে মুক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের উপরে আরোপিত বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা এখনো বহাল রয়েছে।

কারণ সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা থেকে সরে গেলেও এখনো অনেক শক্তিশালী। গত বছরের নভেম্বরে মিয়ানমারের ঐতিহাসিক নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর সু চি’র রাজনৈতিক দল এনএলডি ৫০ বছরের সামরিক শাসনের ইতি ঘটিয়ে শপথ নিয়েছে এ বছর।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়ছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তবে দেশটিতে যাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বহাল থাকে সেজন্য যুক্তরাষ্ট্র অব্যাহত চাপ দিয়ে যাচ্ছে। একইসঙ্গে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্যাতনসহ দেশটিতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়েও ওবামা প্রশাসন উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জস আর্নেস্ট বলেন, ‘মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পাশাপাশি দেশটির সার্বিক অবস্থারও দিন দিন উন্নতি হচ্ছে। সেখানকার নতুন সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় মিয়ানমারের জনগণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্তটি সু-চি’র অনুমোদন নিয়েই করা হয়েছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। মিয়ানমারের ‍নতুন সরকারের কাজে বাধা তৈরি করতে পারে- এমন সব নিষেধাজ্ঞাই এ পর্যন্ত তুলে নেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ১০টি কোম্পানি ও ব্যাংক থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হলো।

নভেম্বরের সফল নির্বাচনের পর সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর সত্ত্বেও কোনো ছাড় পায়নি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সেনা কোম্পানিগুলো এবং সামরিক ঠিকাদারির মাধ্যমে কোটিপতি বনে যাওয়া সামরিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা আগের মতোই বহাল থাকবে।

এনএলডি নেত্রী হলেও সংবিধানজনিত জটিলতায় প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সু চি। উপদেষ্টার পদে বসে তিনিই আসলে মিয়ানমারের কলকাঠি নাড়ছেন এখন। মূলত সু চি’র কারণেই নিষেধাজ্ঞার কিছু অংশ তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

আর/১৭:১৪/০১ মে

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে