Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 3.0/5 (2 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-১৬-২০১৬

বিহারী উচ্ছেদে স্থিতিবস্থা জারি করেছে হাইকোর্ট

বিহারী উচ্ছেদে স্থিতিবস্থা জারি করেছে হাইকোর্ট

ঢাকা, ১৬ মে- মিরপুরের ক্যাম্পগুলোর বাইরে অবৈধভাবে বসবাসরত বিহারীদের উচ্ছেদে স্থিতিবস্থা জারি করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। আদালতের এ আদেশের ফলে বিহারীরা যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থাই থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন ৪ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেন।

আদালতে বিহারীদের পক্ষে শুনানি করেন এ এফ এম হাসান আরিফ ও অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে গত ২৯ মার্চ হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ বসবাসরত বিহারীদের উচ্ছেদে রায় দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ক্যাম্পের ভিতরে বসবাসকারী জাতীয় পরিচয়পত্রধারী বিহারীদের পুর্নবাসনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে এই রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন মিরপুরের বিহারীরা।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে রিটকারী আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান সাংবাদিকদের বলেন, মিরপুরের পল্লবীর বিহারী ক্যাম্প, মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, নীলফামারীর সৈয়দপুরের বিহারী ক্যাম্পের বাইরে সরকারি জায়গায় বৈধভাবে যারা বাস করছেন তাদের উচ্ছেদের রায় দেওয়া হয়েছে। আদালতের এ রায়ের ফলে অবৈধভাবে বসবাসরত বিহারীদের উচ্ছেদে বাধা নেই।

জানা যায়, মিরপুর পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত ক্যাম্পের আশেপাশের সরকারি জায়গাসমূহ ১৯৯৫ সালে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ব্যক্তির নিকট বরাদ্দ দেয়। এবং প্লট বরাদ্দ পাওয়াদের পজিসন লেটার বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

২০০২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশন পল্লবীর ক্যাম্পগুলো আশপাশের বিহারীদের দোকানপাট উচ্ছেদের উদ্যোগ নেয়। এর বিরুদ্ধে ‘উর্দু স্পীকিং পিপলস ইউথ রিহাবিলিটেশন মুভমেন্টের সভাপতি সাদাকাত খান (ফাক্কু) ও শাহিদ আলী বাবলু বাদি হয়ে পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত ক্যাম্পগুলো উচ্ছেদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। এছাড়া সারা দেশের বিহারী ক্যাম্পগুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আরো ৮টি রিট দায়ের করা হয়।

এরপর হাইকোর্ট পল্লবী থানার অর্ন্তভূক্ত ক্যাম্পবাসীদের বাড়ি ঘর দোকান পাট তাদের ব্যবহৃত খালি জায়গা থেকে বিকল্প ব্যবস্থা না করে এবং মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উর্দুভাষীদের উচ্ছেদ না করতে অন্তবর্তীকালীন নির্দেশ দেন।

আইনজীবী জানান, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকার পরও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পবাসীদের বাড়ি ঘর দোকানপাট ভাংচুর করে উচ্ছেদের চেষ্টা করে।
এর বিরুদ্ধে সাদাকাত খান (ফাক্কু) ২০০৩ সালে হাইকোর্টে আরো একটি রিট আবেদন করলে আদালত কর্তৃপক্ষের ওপর রুল জারি করেন।

দীর্ঘদিন পর গত ২৫ জানুয়ারি রিট পিটিশনগুলো শুনানির জন্য বিচারপতি মো: মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আসে। হাইকোর্ট এ বিষয়ে জারি করা রুল গুলো খারিজ করে আদেশ দেন।

এফ/১৬:৫৬/১৬মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে