Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-১৫-২০১৬

হিটস্ট্রোক হলে নিন এই প্রাথমিক চিকিৎসাগুলো

হিটস্ট্রোক হলে নিন এই প্রাথমিক চিকিৎসাগুলো

প্রচন্ড গরম। রোদের জন্য বাইরে তাকানো যায় না, চোখ ঝলসে যায় যেন। তাপমাত্রা কমছেই না, বরং তার সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে নানান শারীরিক সমস্যা। জ্বর, ঠান্ডা এসব তো আছেই। কিন্তু অতিরিক্ত তাপমাত্রায় বাইরে কাজ করতে হয় যাদের তাদের সমস্যা হতে পারে আরও মারাত্মক। হিটস্ট্রোক তার মধ্যে একটি।

কেন হয়?
প্রচন্ড গরমের সাথে শরীর খাপ খাওয়াতে নিঃসরণ করে ঘাম। শরীরের একটি নিজস্ব সিস্টেম রয়েছে এজন্য। কিন্তু গরম মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে আর সেই অনুযায়ী শরীরে পানি না পেলে পর্যাপ্ত ঘাম নিঃসরণ করতে পারে না। তখন শরীর ঘাম ছাড়া বন্ধ করে দেয় নিজেকে ঠান্ডা রাখতে। এই অবস্থায় শরীরের তাপমাত্রা যদি ১০৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যায় তখন হিটস্ট্রোক হতে পারে। এই স্ট্রোক খুবই মারাত্মক, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে এর কারণে।

লক্ষণ
১। প্রথম লক্ষণ হতে পারে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
২। মৃদু মাথা ব্যাথা হতে পারে
৩। মাথা ঘোরাতে পারে, সাথে সাথে ব্যাথাও করতে পারে
৪। ঘাম হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে
৫। ত্বক শুষ্ক, গরম এবং লালচে হওয়া
৬। পেশীতে দূর্বলতা অনুভব করা
৭। বমি বমি ভাব হওয়া বা বমি হওয়া
৮। হৃতস্পন্দনের গতি পরিবর্তন হওয়া, বেড়াও যেতে পারে আবার কমতে পারে।
৯। আচরণে পরিবর্তন হতে পারে। যেমন- তোতলানো, কিছু বুঝতে না পারা, বিভ্রান্তি।
১০। শ্বাস-প্রশ্বাসের পরিবর্তন।

প্রাথমিক চিকিৎসা-
কারও হিটস্ট্রোক হয়েছে বুঝতে পারলে অবশ্যই তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু যতক্ষণে এম্বুলেন্স আসবে বা আপনি গাড়ির ব্যবস্থা করবেন, ততোক্ষণে সমস্যা আরও গুরুত্বর হতে পারে। তাই কিছু প্রাথমিক চিকিৎসার কথা জেনে নিন।

১। শরীরের তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা করুন। ঠান্ডা আবহাওয়ায় নিয়ে যান।
২। রোগীকে ফ্যানের নিচে শুইয়ে দিন। ভাল হয় কোন এসি রুমে নিতে পারলে।
৩। রোগীর শরীর স্পঞ্জ করে দিন, এতে বাড়তি তাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে।
৪। আইসপ্যাক দিন বগলের নিচে, হাটুর নিচে, গলায়, ঘাড়ে। কারণ এসব জায়গায় রক্ত নালী ত্বকের বেশী কাছে থাকে।
৫। ঠান্ডা পানিতে গোসল করানো গেলে সবচেয়ে ভাল হয়। পানিতে বরফ দিতে পারেন।

রোগীর শরীরের উচ্চতাপ বের না হলে তার মৃত্যুও হতে পারে। স্ট্রোকের রোগী অনেক সময়ই দেখতে আপাত সুস্থ লাগে, বোঝা যায় না যে তিনি স্ট্রোক করেছেন। লক্ষণগুলো তাই মিলিয়ে দেখুন। সন্দেহ হলেই ঝুঁকি নেবেন না, প্রাথমিক চিকিৎসা দিন এবং ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

লিখেছেন- আফসানা সুমী

এফ/০৯:০৫/১৫মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে