Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৫-১৪-২০১৬

আবাসিক এলাকায় হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি

আবাসিক এলাকায় হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি

ঢাকা, ১৪ মে- আবাসিক এলাকা থেকে হোটেল, গেস্টহাউস ও রেস্তোরাঁ তুলে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমান অবস্থানে থেকেই হোটেল, গেস্টহাউসের জন্য সুনির্দিষ্ট একটি নীতিমালা করার দাবি জানান তাঁরা।

সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আজ শনিবার দুপুরে গুলশানের ইমানুয়েলস ব্যাঙ্কোয়েট হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ফেডারেশন অব হোটেল, গেস্টহাউস অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। এতে হোটেল ব্যবসায়ীরা আবাসিক এলাকায় হোটেল, গেস্টহাউস ও রেস্তোরাঁ রাখার পক্ষে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরে নীতিমালা করার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফ ম আলাউদ্দিন মাহমুদ। এতে বলা হয়, বছরে হোটেল ব্যবসায়ীরা প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) দেন। এই শিল্পে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ১০ লাখ পরিবার নির্ভরশীল। গেস্টহাউস ও হোটেল ব্যবসায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করা আছে, যার বড় অংশই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া। এক হিসাবে দেখা গেছে, শুধু গুলশানের ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট বিনিয়োগ প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬০০ কোটি টাকাই ব্যাংকঋণ।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ২০০৮ সালের ২৯ মে প্রকাশিত গেজেটের ৩০৭৬ নম্বর পাতায় আবাসিক এলাকায় হোটেল থাকতে পারবে বলে উল্লেখ আছে। পৃথিবীর সব দেশেই আবাসিক এলাকায় হোটেল আছে। শুধু দিল্লিতেই ১ হাজার ২০০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

দেশের পর্যটন খাতে বেসরকারি হোটেল ও গেস্টহাউস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়। ২০০৯ সালের পর্যটন করপোরেশনের একটি সমীক্ষা তুলে ধরে বলা হয়, দেশে বিভিন্ন কারণে ওই বছর মোট ২ লাখ ৬৭ হাজার ১০৭ জন বিদেশি এসেছিলেন। এখন আরও বেশি আসছেন। রাষ্ট্রের মালিকানাধীন হাতে গোনা কয়েকটি হোটেল ও বাণিজ্যিক এলাকার কয়েকটি হোটেলকক্ষে আসা অতিথিদের সেবা দেওয়া সম্ভব হতো না, যদি আবাসিক এলাকার হোটেলে প্রায় চার হাজার কক্ষ না থাকত।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সাপ্তাহিক সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে আবাসিক এলাকা থেকে সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তুলে দেওয়ার হঠাৎ ঘোষণা দেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা না করে শুধু যানজটের কারণ দেখিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ব্যবসায়ীরা।

হোটেল ব্যবসায়ীরা আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেন। তাঁরা বলেন, হোটেল বা গেস্টহাউস যানজটের কারণ নয়। অধিকাংশ হোটেলেরই নিজস্ব পার্কিং সুবিধা আছে। পার্কিং না থাকলে সেটার ব্যবস্থা করা ও হোটেলের নিরাপত্তা জোরদার করারও প্রতিশ্রুতি দেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে সংগঠনের সাবেক সভাপতি এম এইচ রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আর/১৭:৩৪/১৪ মে

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে