Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৫-১৩-২০১৬

ক্ষোভে বৈঠকে যান না তারানা-পলকরা

ক্ষোভে বৈঠকে যান না তারানা-পলকরা

ঢাকা, ১৩ মে- ক্ষোভে বৈঠকে অংশ নিলেন না সংসদ সদস্যরা। তাই কোরাম সঙ্কটের কারণে স্থগিত করা হয়েছে ডাক ও টেলিযোগযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বেলা ১১টায় কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও দুজন সদস্য ছাড়া কেউ উপস্থিত হননি। তাই কমিটির সভাপতি উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কমকর্তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বৈঠক মুলতবি করেন।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও এই কমিটি মাসে একটি বৈঠকও করে না। অথচ দশম জাতীয় সংসদ গঠনের পর এই কমিটির কমপক্ষে ৩০টি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। আর বৈঠক হয়েছে মাত্র ১২টি। বৃহস্পতিবার ছিল এর ১৩তম বৈঠক। এজন্য সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। কারণ সভাপতি বৈঠক আহ্বান করেন না।

এই কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ (সিলেট-৪)। অন্যান্য সদস্যরা হলেন- প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, জুনাইদ আহমদে পলক (নাটোর-৩), এ কে এম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), মোয়াজ্জেম হোসনে রতন (সুনামগঞ্জ-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), শরীফ আহমদে (ময়মনসিংহ-২), শেখ আফাল উদ্দিন (যশোর-১), কাজী ফিরোজ রশীদ (ঢাকা-৬) ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের হোসেন আরা লুৎফা ডালিয়া।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার সময় বৈঠক শুরু হওয়ার কথা থাকলেও দুপুর ১২টা পর্যন্ত কমিটির সভাপতি ও অন্য সদস্য হোসেন আরা লুৎফা ডালিয়া ছাড়া কেউ উপস্থিত হননি।

এ বিষয়ে কথা হয় কমিটির সদস্য মোয়াজ্জম হোসনে রতনের সঙ্গে। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘সাত মাস পর এই মিটিং হচ্ছে। এখানে মিটিং করে যেসব সিদ্ধান্ত হয় তা কখনো বাস্তবায়নও হয় না। তাই ব্যক্তিগতভাবে আমি মিটিংয়ে উপস্থিত হই না। হয়তো অন্যান্য সদস্যদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। মিটিং যদি ফলপ্রসু না হয় তাহলে সেখানে গিয়ে লাভ কী? তাছাড়া এই কমিটিতে কোরাম সঙ্কট সব সময়ই হয়।’
 
বিষয়টি জানতে চাইলে বৈঠকে উপস্থিত সংরক্ষিত আসনের এমপি হোসেন আরা লুৎফা ডালিয়া রাগতস্বরে বলেন, ‘এসব কি আমার বলার জিনিস? আমি তো আপনাকে সময় দেব না। আমাদের রাষ্ট্রীয় অনেক কাজ আছে!’
 
জানা যায়, উচ্চ আদালতে নিজের চাকরি অবৈধ ঘোষিত সিরাজুল ইসলাম বাদশা কমিটির সভাপতির পিএস। আর তিনি এই কমিটির অফিসারও, যা নজীরবিহীন। সংসদে আত্তীকরণ এই ব্যক্তি নানান দুর্নীতিতে জড়িত থাকলেও চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবার দুই বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সিরাজুল ইসলামের বাড়ি একই জায়গায় হওয়ায় মূলত তিনিই নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন কমিটির কার্যক্রম।

আর/১২:১৪/১৩ মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে