Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৫-১২-২০১৬

নারী ও শিশু নির্যাতন সহ্য করা হবে না: ডিএমপি

নারী ও শিশু নির্যাতন সহ্য করা হবে না: ডিএমপি

ঢাকা, ১২ মে- নারী ও শিশুর প্রতি কোনো ধরনের নির্যাতন সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, নারী ও শিশুর প্রতি কোনো ধরনের শ্লীলতাহানি ও সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। এজন্য সকলকে নারীবান্ধব পুলিশ প্রশাসন গঠন, নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলারও আহবান জানান।

তিনি বুধবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁও থানা কমপ্লেক্সে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের মিলনায়তনে এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন ২০১০-এর বাস্তবায়ন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সমন্বিত কার্যক্রম বিষয়ক এ কর্মশালায় ঢাকা মহানগরের ৪৯টি থানার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

কমিশনার বলেন, জেন্ডার বৈষম্য, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বাড়ছে। অন্য মামলাগুলো যেভাবে করা হয়, নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলাকে সেভাবে দেখলে হবে না। ধর্ষণের শিকার নারীর দিকে পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব থেকে আঙ্গুল তোলা যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পারিবারিক সহিংসতার ক্ষেত্রে শতকরা পাঁচ ভাগের কারণ জানা যায়, বাকিটা জানা যায় না।

এ ক্ষেত্রে নীরবতা ভাঙতে হবে। উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনকে গতানুগতিক কাজের বাইরে গিয়ে নিয়মিত ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে সচেতনতা বাড়ানোসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে বলেন। কর্মসূচির যৌক্তিকতা তুলে ধরতে পারলে ওই কাজের জন্য জনবল, গাড়িসহ যে ধরনের সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, পুলিশ প্রশাসন এবং নারী আন্দোলনের সংগঠন মহিলা পরিষদ ‘দুটি হাত’। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে এ দুটি হাতকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের উপ-পুলিশ কমিশনার ফরিদা ইয়াসমীন জানান, বর্তমানে তার বিভাগ ১২২টি মামলা পরিচালনা করা হচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যৌতুকের দাবিতে মারধরের মামলা করা হয়। এদিকে মামলা করলে আবার ওই নারীর সংসার টিকছে না।

আবার সংসার টেকানো জন্য অনেকে মামলা আপস করে ফেলছেন। অনেক ক্ষেত্রে মামলা চললেও তা প্রমাণ করা যাচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইনে মামলা করা হলে অপরাধীর সাজাও হবে আর পরিবার টিকিয়ে রাখা যাবে।

এফ/০৯:৩১/১২মে

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে