Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-১১-২০১৬

এসএসসির পর সাফল্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে

এসএসসির পর সাফল্য ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিতে হবে

ঢাকা, ১১ মে- এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৯ হাজার ৭৬১ শিক্ষার্থী। ভালো ফলাফলের বাঁধভাঙা আনন্দের জোয়ারে ভাসছে কিশোর-কিশোরীরা।

হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী উচ্চতর শিক্ষায় চূড়ান্ত সাফল্যের দিকে ধাবিত হওয়ার স্বপ্নে বিভোর। তাদের আনন্দ খেলে যাচ্ছে বাবা-মায়ের চোখেও। যদিও ইন্টারনেটে ফলাফল পাওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীই এখন স্কুল প্রাঙ্গণে আসে না। ফলে আগের মতো উচ্ছ্বাসের চিত্র শিক্ষাঙ্গণে ফুটে না উঠলেও যে আনন্দের জোয়ার বয়ে যায় তাও কম কিছু নয়।

তবে যে যেখানেই আনন্দ করুক, ফল প্রকাশের পর প্রিয় শিক্ষকদের কৃতজ্ঞতা জানাতে অনেকেই আবার আসছে। সব মিলিয়ে প্রতিটি স্কুলই বাবা-মা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। এতে অভিভাবকরা একে অন্যের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে ভবিষ্যত পরিকল্পনাটিও জেনে নিচ্ছেন, শেয়ার করছেন।

শিক্ষার্থীরাও বন্ধুর মা-বাবার কাছ থেকে উপদেশ মাখা আদর নিচ্ছেন। কে কী হতে চায়, উচ্চ মাধ্যমিকে কোথায় পড়বে- এসবই আলাপের মূল রসদ।

এমনই চিত্র চোখে পড়ে মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজেও। এ প্রতিষ্ঠান থেকে এবার মোট ১ হাজার ৩৬১ শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের একজন ফেল করেছে। ফলে পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৯৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর মোট জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ২৪৫ জন শিক্ষার্থী।

তবে স্কুলে ফল নিতে সবাই আসেনি। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগম বলেন, এখন ইন্টারনেট, মোবাইলে ফল পেয়েই অনেকে চলে যায় বসুন্ধরা সিটি বা কোনো বিনোদন কেন্দ্রে। তাই আগের মতো পরিস্থিতি নেই।

তিনি মনে করেন, আনন্দ প্রকাশটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে এই আনন্দ অর্থাৎ সাফল্যটা ধরে রাখাটাই চ্যালেঞ্জ। সামনে অনেক ধাপ পড়ে আছে। সেগুলোতে উত্তীর্ণ হলেই শেষ হাসিটা হাসা যাবে। বাবা-মাকে আরো বেশি নজর দিতে হবে, যেন ভালো ছেলে বা মেয়েটা বিপথে না যায়।

তিনি বলেন, এবার যে ছেলেটা অকৃতকার্য হলো, সে অ্যাডিকটেড ছিল। চিকিৎসার কারণে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। তাই শিক্ষার্থী ও অভিভাবক প্রত্যেককেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে, যেন সাফল্যটা ধরে রাখা যায়।

তবে শিক্ষার্থীরাও অনেকে এরকমই মনে করছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়ে উচ্ছসিত ইসরাত জাহান বলে, আমি বাব-মায়ের ইচ্ছা অনুযায়ী মেডিকেলে পড়তে চাই। কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিকেও ভালো ফলাফল করতে না পারলে স্বপ্ন পূরণ হবে না। আগে উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে চাই।

মারজুকা সুলতানা নামের অপর শিক্ষার্থীও গোল্ডেন জিপিএ ৫ পেয়েছে। তিনি বলে, বুয়েটে পড়ার ইচ্ছা। কিন্তু এখন থেকেই প্রস্তুতি না নিলে পিছিয়ে পড়তে হবে।  

মারজুকার মা রেবেকা সুলতানা জানান, মেয়ের ইচ্ছাই তাদের ইচ্ছা। তবে ওর ওপর ভরসা রয়েছে। আশা করি নিরাশ করবে না।

আর/১৭:৩৪/১১ মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে