Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 5.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-১১-২০১৬

মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সঠিক

মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ সঠিক

নয়া দিল্লী, ১১ মে- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার যে সনদ প্রকাশ করা হয়েছে, তাকে ‘সঠিক’ বলে মন্তব্য করেছে দিল্লি ইউনিভার্সিটি (ডিইউ)।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি বলছে, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রকাশ করা তথ্যে সামান্য একটু ভুল আছে। ১৯৭৯ সালে মোদি স্নাতক শেষ করেছেন বলে জানানো হলেও আসলে এর আগের বছরই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়েন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়ে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার তরুণ দাস বলেন, ‘আমরা আমাদের পুরোনো তথ্য যাচাই করেছি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য সঠিক। তিনি ১৯৭৮ সালে স্নাতক পরীক্ষায় অংশ নেন এবং ১৯৭৯ সালে তাঁকে ওই পরীক্ষা পাসের সনদ দেওয়া হয়।’

রেজিস্ট্রার আরো বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাঁরা লেখাপড়া করেছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। তবে যেহেতু নরেন্দ্র মোদির সনদের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত হচ্ছে এবং গণমাধ্যমও তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে, তাই আমরা বলতে চাই যে তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ থেকে স্নাতক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষার্থী নম্বর ছিল সিসি ৫৯৪/৭৪ এবং পরীক্ষার রোল ছিল ১৬৫৯৪।’

এর আগে মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে দিল্লিতে ক্ষমতাসীন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি (এএপি)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার নয়াদিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদির সব শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ প্রদর্শন করে বিজেপি। দলটির সভাপতি অমিত শাহ এবং বিজেপি সরকারের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে মোদির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সনদ দেখান।

এর পর এএপির একটি প্রতিনিধিদল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দেখা করে বিজেপি প্রকাশিত তথ্যের সত্যতা জানতে চান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এসব কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার।

এদিকে এএপির দাবি, স্নাতক পরীক্ষার নম্বরপত্রে মোদির নাম লেখা হয়েছে নরেন্দ্র কুমার দামোদারদাস মোদি। অন্যদিকে স্নাতকোত্তরের সনদপত্রে লেখা হয়েছে নরেন্দ্র দামোদারদাস মোদি।

কিছুদিন আগে গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় মোদির স্নাতকোত্তর ডিগ্রির তথ্য প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, মোদির সনদে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সনদ থেকে ‘কুমার’ শব্দটি ছেঁটে ফেলা হয়েছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারও জানিয়েছেন, তাঁদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত সনদ দুটিতেও নামের এই পরিবর্তনের প্রমাণ রয়েছে।

আর/১৭:৩৪/১১ মে

দক্ষিণ এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে