Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৫-০৪-২০১৬

প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি

প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি

ঢাকা, ০৪ মে- প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহ তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর প্রধানদের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বাধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্রপতি। আগে ১৯৮৯ সালের ডিফেন্স সার্ভিস (সুপ্রিম কমান্ড) অডিন্যান্স অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালন করলেও সংবিধান সংশোধনের ফলে ওই অধ্যাদেশ রহিত হওয়ায় নতুন আইন প্রণয়নের জন্য ‘প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (সর্বাধিনায়কতা) বিল-২০১৬’ জাতীয় সংসদে পাস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৩ মে) সন্ধ্যায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে ‘প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (কতিপয় আইন সংশোধন) বিল-২০১৬’ নামের আরো একটি বিল পাস হয়। 

বিল দু’টি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের উপর জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা। তবে তাদের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (সর্বাধিনায়কতা) বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধনী) আইন-২০১১ দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ কার্যকারিতা হারায়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘দ্যা ডিফেন্স সার্ভিস (সুপ্রিম কমান্ড) অর্ডিন্যান্স -১৯৭৯’ অধ্যাদেশটি (১৯৭৯ সালের ১নং আইন) আদালত কর্তৃক বিলুপ্ত হওয়া সময়ের মধ্যে জারিকৃত। ‘অধ্যাদেশটির অধীন বিধানসমূহের কার্যকারিতা জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে নতুন আইন করা প্রয়োজন। এ জন্য বিলটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বিলটি আইনে রূপান্তরিত হলে রাষ্ট্রপতি প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়ক হবেন এবং সংবিধানের ৬১ অনুচ্ছেদের অধীনে তার উপর ন্যাস্ত প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা উক্ত কর্মবিভাগসমূহের প্রধানগণের মাধ্যমে প্রয়োগ করবেন।

বিলের দুই ধারায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সাধারণ নির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের প্রধানগণ তাদের অধীনস্থ বাহিনীর উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

এদিকে প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ (কতিপয় আইন সংশোধন) বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৮ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত হওয়ায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হতে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত অধ্যাদেশসমূহ কার্যকারিতা হারায়। কিন্তু অধ্যাদেশের মাধ্যমে জারি করা সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌ বাহিনীর কিছু বিধান জনস্বার্থে বহাল ও অক্ষুণ্ন রাখা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে নতুন আইন প্রণয়নে এই বিলটি আনা হয়েছে। 

এফ/০৯:৩০/০৪মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে