Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-০৪-২০১৬

বায়ার্নকে কাঁদিয়ে ফাইনালে অ্যাটলেটিকো

বায়ার্নকে কাঁদিয়ে ফাইনালে অ্যাটলেটিকো

মাদ্রিদ, ০৪ মে- ঘরের মাঠ। পরিচিত পরিবেশ। দর্শকদের অকুণ্ঠ সমর্থনও ছিল বাভারিয়ানদের। ম্যাচও জিতল গার্দিওলা শিবির ২-১ ব্যবধানে। তবে অ্যাওয়ে গোল ফাইনালের ভাগ্যের সামনে কাটা হয়ে দেখা দিল। প্রথম লেগে অ্যাটলেটিকো জিতেছিল ১-০ গোলে। সেমির দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান ২-২।চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হিসাব অনুযায়ী, দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধান ড্র হলে, ম্যাচ নিষ্পত্তি হবে কোন দল প্রতিপক্ষের মাঠে বেশী গোল দিয়েছে। এই সমীকরণে বায়ার্ন ০, অ্যাটলেটিকো ১। হৃদয় কাঁপানো আর শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে বায়ার্নকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠে গেছে স্প্যানিশ ক্লাব অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠল সিমিওনে শিবির।

শেষ বাশি বাজার পরই জাবি অ্যালোনসো বসে রইলেন হাত-পা ছেড়ে দিয়ে। পেনাল্টি মিসের নায়ক মুলার যেন নিজেকে সামলাতে পারছিলেন না। আর একাধিক গোলের সুযোগ নষ্ট করা রবার্ট লেভানডোস্কি কেঁদেই ফেললেন। ততক্ষণে অবশ্য ফাইনালে উঠার উৎসবে মাতোয়ারা গোটা অ্যাটলেটিকো শিবির। যার গোলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হলো, সেই গ্রিজম্যানকে ঘিরে চলল উন্মত্ত উল্লম্ফন।

অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারিনাতে ম্যাচের ১৫ মিনিটেই প্রথম গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল অ্যাটলেটিকো। তবে বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের দক্ষতার কারণে তা পূর্ণতা পায়নি। ১৯ মিনিটে প্রথম আক্রমণে যায় বায়ার্ন। ডি বক্সের অনেক বাইরে থেকে ভিদালের শট ঝাপিয়ে পড়ে তালুবন্দী করেন অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক ওবলাক।

২১ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিল বায়ার্ন। মাঝ মাঠ থেকে লম্বা পাসে বল ধরেই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মুলার।সেই বলে শটও নিয়েছিলেন লেভানডোস্কি, তবে তা ফিরে আসে গোলকিপারের পায়ে লেগে। ২৩ মিনিটে আবারো গোলের সুযোগ নষ্ট করেন লেভানডোস্কি। দূর থেকে শট নিয়েছিলেন ফ্রাঙ্ক রিবেরি। তবে অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক ওবলাক গ্রিপে নিতে পারেনি। ফিরতি শট মেরেছিলেন লেভানডোস্কি। তবে বল চলে যায় পোস্টের উপর দিয়ে।

৩১ মিনিটে গোলের দেখা পায় বায়ার্ন। ফ্রি কিক থেকে গোল করেন জাবি অ্যালোনসো। তার নিচু করে নেয়া শট অ্যাটলেটিকোর গিমিনেজের পায়ে লেগে পথ পরিবর্তন করে ঢুকে পড়ে জালে। ৬৩৩ মিনিট পর প্রথম গোল হজম করে অ্যাটলেটিকো।

৩৩ মিনিটে পেনাল্টির সুযোগ পেয়ে যায় বায়ার্ন। এই গোলটি হলে হয়তো ফাইনালেই চলে যেত গার্দিওলা শিবির। কিন্তু পারলেন না মুলার। বা দিক দিয়ে নেয়া মুলারের শট ঝাপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক। প্রথমার্ধ শেষ করে বায়ার্ন ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে সমতা আনে অ্যাটলেটিকো। ৫৪ মিনিটে তোরেসের পাসে নয়্যারকে একা পেয়ে দুর্দান্ত শটে বায়ার্নের জাল কাঁপান অ্যাটলেটিকোর গ্রিজম্যান। স্কোর তখন ১-১।ফাইনালে যেতে হলে বায়ার্নকে করতে হবে তখন আরও দুটি গোল।

৭৪ মিনিটে কয়েকটি ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করেন বায়ার্নের পোলিশ স্ট্রাইকার লেভানডোস্কি। বক্সের ভেতর ডান দিকে ভিদালের হেড চলে আসে বা দিকে। সেখানে থাকা লেভানডোস্কি খুব সহজেই হেড করে বল পাঠান জালে। ব্যবধান তখন ২-১।

বায়ার্ন শিবিরে তখন কিছুটা প্রাণ ফিরে আসে। আর একটি গোল করতে পারলেই হয়। কিন্তু না, আর কোন গোল দিতে পারেনি বায়ার্ন। উল্টো আরও এক গোল হজম করতে যাচ্ছিল তারা। গোলরক্ষক নয্যারের বদৌলতে তা হয়নি। ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি পায় অ্যাটলেটিকো। কিন্তু তোরেসের নেয়া শট ঠেকিয়ে দেন বায়ার্ন গোলরক্ষক।

শেষ অবধি বাকি সময়টাতে একটি গোলের জন্য মরিয়া ছিল বায়ার্ন। কিন্তু কপাল খোলেনি গার্দিওলা শিবিরে। মঙ্গলবারের গভীর রাতটি ছিল অ্যাটলেটিকোর জন্যই।

এফ/০৮:০৮/০৪মে

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে