Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.4/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৫-০২-২০১৬

সাত খুনের দুই মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

সাত খুনের দুই মামলায় ৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

নারায়ণগঞ্জ , ০২ মে- আলোচিত সাত খুনের দু’টি মামলায় সোমবার সাত জনের সাক্ষ্য গ্রহণের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরে আগামী ৯ মে দুটি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টা হতে ১১টা পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে সাত খুনের দু’টি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ আদেশ দেন।
 
সোমবার সাক্ষ্য প্রদানকারীরা হলেন- রাজধানীর গুলশান নিকেতন থেকে নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের গাড়ি উদ্ধারকারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওয়াহিদুজ্জামান, সাত খুনের ঘটনার পর গাজীপুর থেকে নিহত কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের প্রাইভেটকার উদ্ধারকারী পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিয়াজুল হক, কনস্টেবল বদরুল আলম, ওই এলাকার মোক্তার হোসেন ও আনোয়ার হোসেন, গুলশান থানার কনস্টেবল সেলিম রেজা ও সাত খুনের ঘটনায় নিহত মনিরুজ্জামানের স্ত্রী মোর্শেদা আক্তার। আদালতে সাক্ষ্য শুনানির সময়ে মোর্শেদা আক্তার সাত খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত নূর হোসেনসহ আসামিদের মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।
 
নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সোমবার দুইজন বাদীর সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আগামী ৯ মে অন্যদের সাক্ষ্য নেয়া হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী বিজয় কুমার পাল হলেন-নিহত অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা ও অপর বাদী সেলিনা ইসলাম বিউটি হলেন নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী।
 
দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। এ কারণে উভয় মামলার সাক্ষীদের একই সঙ্গে দুই মামলায় জেরা করা হয়।
 
প্রসঙ্গত : ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার ও তাঁর গাড়িচালক ইব্রাহীম অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয়জনের ও ১ মে একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
 
তদন্ত শেষে প্রায় এক বছর পর গত ৮ এপ্রিল নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। কিন্তু অভিযোগপত্র থেকে পাঁচ আসামিকে বাদ দেয়ায় এবং প্রধান আসামি নূর হোসেনের জবানবন্দি ছাড়া অভিযোগপত্র আদালত আমলে নেয়ায় ‘নারাজি’ আবেদন করেন সেলিনা ইসলাম বিউটি। আবেদনটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও জজ আদালতে খারিজ হয়ে গেলে বিউটি উচ্চ আদালতে যান। হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়, পুলিশ চাইলে মামলাটির ‘অধিকতর তদন্ত’ করতে পারে এবং ‘হত্যার ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার’ ধারা যুক্ত করে নতুন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে পারে।
 
গত ৮ ফেব্রুয়ারি সাত খুনের দুটি মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এ মামলায় নূর হোসেন ও র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ মোট ২৩ জন কারাগারে আটক রয়েছেন। আর চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে এখনো ১২ জন পলাতক রয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে