Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.2/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-২৪-২০১৬

ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানগুলো

সাবেরা খাতুন


ইংল্যান্ডের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানগুলো

ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিদর্শন করা দেশগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ড একটি। পর্যটকদের জন্য অনেক চমৎকার স্থান ঘুরে দেখার ও উপভোগ করার অবিরাম সম্ভাবনার দেশ ইংল্যান্ড। ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের অংশ এই ছোট দেশটি অত্যন্ত প্রভাবশালী। এই দেশটির আছে আকর্ষণীয় ইতিহাস, রোমাঞ্চকর  শহর ও সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। এখানকার প্রতিটা বাঁকেই ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখা যায়। পুরাতন দুর্গ, ছবির ন্যায় গ্রাম, মধ্যযুগের কলেজ, প্রাচীন রোমান সাইট এবং শতাব্দী প্রাচীন রাজকীয় প্রাসাদ দেখা যায় দেশটিতে। ইংল্যান্ড ভ্রমন আপনার কাছে অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে। ইংল্যান্ড এর দর্শনীয় স্থানগুলো হচ্ছে :

১। স্টোনহেঞ্জ   
ইংল্যান্ডের পর্যটক আকর্ষণের অন্যতম স্থান হচ্ছে স্টোনহেঞ্জ। বিশ্বের প্রাগৈতিহাসিক স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম এই স্টোনহেঞ্জ। স্টোনহেঞ্জ সম্পর্কে কোন লিখিত রেকর্ড নেই। স্টোনহেঞ্জের এমন কিছু বিষয় আছে যা বিতর্কিত। ২৫০০ খ্রিষ্টপূর্বে এর বড় পাথরগুলো নির্মাণ করা হয় বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। কি কারণে স্টোনহেঞ্জ নির্মাণ করা হয় তা অজানা রয়ে গেছে। বিদ্বান ব্যক্তিরা বিশ্বাস করেন যে এই স্মৃতিস্তম্ভটি আনুষ্ঠানিক বা ধর্মীয় স্থান হিসেবে ব্যবহার হত। এখানে একটি ভিজিটর সেন্টার আছে যাতে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়, দোকান এবং ক্যাফেও আছে। এটি ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারের শ্রিউটনে অবস্থিত। 

২। বিগ বেন
ইংল্যান্ডের আকর্ষণীয় স্থানগুলোর একটি ১৫০ বছরের পুরোনো বিগ বেন ক্লক টাওয়ার। স্যার বেঞ্জামিন হল এর আদেশে এর ১৩ টন ওজনের ঘন্টাটি প্রথম বেজে উঠে। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম খাড়া ঘড়ির টাওয়ার। এই ঘড়িটি ইংল্যান্ড ও লন্ডনের প্রতীকে পরিণত হয়েছে যা বিভিন্ন সিনেমায় দেখানো হয়েছে।

৩। উইন্ডসর ক্যাসেল
লন্ডন শহর থেকে পশ্চিমে উইন্ডসর ক্যাসেল অবস্থিত, যেখানে যেতে লন্ডন থেকে ১ ঘন্টা সময় লাগে। উইন্ডসর ক্যাসেলকে বিশ্বের প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম দুর্গ বলা হয়। এটি রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সরকারি বাসস্থান, যেখানে তিনি বছরে কয়েকবার ছুটি কাটাতে এই প্রাসাদে যান। এটিকে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই দুর্গের অনেক অংশই ঘুরে দেখা যায়, সেন্ট জর্জ চার্চ ও প্রদর্শনের সুযোগ আছে।

৪। দ্যা সিটি অফ বাথ
যদি আপনি ইংল্যান্ডের একটি ছোট শহর ভ্রমন করতে চান তাহলে সেটি হতে পারে বাথ শহর ভ্রমন। এই সুন্দর শহরটি একদিনেই ঘুরে দেখা সম্ভব। এখানে ২০০০ বছরের পুরানো রোমান বাথ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে মধু রঙের জর্জিয়ান টাউনহাউজ। এই শরের ৫০০ ভবন ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যকলার নিদর্শন বহন করছে। এছাড়াও এখানে আছে অ্যাভন ভ্যালি, মেন্ডিপ পাহাড় ও চমৎকার সমারসেট ল্যান্ডমার্ক।

৫। টাওয়ার অফ লন্ডন
বিশ্ব ঐতিহ্যের এই স্থানটি ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ভবনগুলোর একটি। কারাগার, প্রাসাদ, ট্রেজার ভল্ট, মানমন্দির ও জীবজন্তুর প্রদর্শনীর স্থান এই সব কাজেই ব্যবহার করা হয় টাওয়ার অফ লন্ডনকে। লন্ডন টাওয়ারের কেন্দ্রে আছে হোয়াইট টাওয়ার। প্রচলিত আছে যে, এখানে ভূতের দেখা মেলে।

তাছাড়াও ডারহাম ক্যাথেড্রেল, ইয়র্ক মিনস্টার, দ্যা কোস্টউড, লেক ডিস্ট্রিক, ওয়ার উইক ক্যাসেল ও হেড্রিয়ান্স ওয়াল ইংলেন্ডের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি স্থান।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে