Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print

আপডেট : ০৪-২২-২০১৬

শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশেই চুরির টাকা লেনদেন হয়

শীর্ষ কর্তাদের নির্দেশেই চুরির টাকা লেনদেন হয়

ম্যানিলা, ২২ এপ্রিল-  বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট থেকে চুরির যে ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফিলিপাইনে রিজাল ব্যাংকের জুপিটার শাখায় জমা হয়েছে তা লেনদেন হয়েছে ব্যাংকটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের সবুজ সংকেতেই। সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মাইয়া সান্তোস দেগুইতো উপরের নির্দেশ মোতাবেক দায়িত্ব পালন করেছেন মাত্র।

আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বার্তা পাওয়ার পরও ব্যাংকটি প্রধান কার্যালয়ে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টে দ্বিতীয় দফায় চুরির এ টাকা লেনদেন হয়। 

গতকাল বুধবার ম্যানিলায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন ব্যাংকটির জুপিটার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মাইয়া সান্তোস দেগুইতোর পক্ষে তার আইনজীবী ফার্দিনান্দ তোফাসিও।

উপস্থিত সংবাদ কর্মীদের ‘সন্দেহজনক’ এ টাকা লেনদেনে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র, ই-মেইল এবং মোবাইল বার্তা দেখান দেগুইতোর আইনজীবী। বলেন, শাখা ব্যবস্থাপক হিসেবে দেগুইতো একক দায়িত্বে চুরির টাকা ভাগবাটোরোয়ায় যুক্ত বলে সিনেট শুনানি থেকে শুরু করে সর্বত্র রিজাল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যে দাবি করে আসছেন তা সঠিক নয়।  

দাবির সপক্ষে কাগজপত্র দেখিয়ে ফার্দিনান্দ তোফাসিও বলেন, রিজার্ভ চুরির বিশাল অংকের এ টাকা দু’দফায় রিজাল ব্যাংকে ঢুকেছে। প্রথম দফায় নিউইয়র্ক থেকে ব্যাংকটির সেটেলমেন্ট ডিপার্টমেন্টে ঢুকেছে ৫ ফেব্রুয়ারি। এ টাকা রিজার্ভ চুরির জানার দু’দিন পর ১১ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় দফায় সেটেলমেন্ট ডিপাটমেন্ট থেকে ঢুকেছে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টে। এ ডিপার্টমেন্টটি সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে প্রধান কার্যালয়। এ ডিপার্টমেন্টে পুরো টাকা স্থানীয় মুদ্রায় রূপান্তর করা হয় মার্কিন ডলার থেকে।

লেনদেন এবং পরিবর্তনের এই সময়ে ই-মেইলসহ অন্যান্য তথ্য জানার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে পেমেন্ট আটকাতে পারতো। সিনেট কমিটির শুনানিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ফলে টাকা লেনদেনে প্রধান কার্যালয়ের কোন দায়িত্ব নেই এ দাবি ধোপে টেকে না।

ইউচেংগো পরিবার নিয়ন্ত্রিত রিজাল ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ দেগুইতোর দাবি অস্বীকার করে বলেছে, বাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সবুজ সংকেতের ভিত্তিতে লেনদেন হয়েছে বলে যে কথা বলা হচ্ছে তা সিঠিক নয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। 

উল্লেখ্য, গত ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তুলে নেয় দৃবৃত্তরা। এ অর্থের ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাঠানো হয় ফিলিপাইনের রিজাল কমাশিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের মাকিাতি সিটির জুপিটার শাখায় ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম অংয়ের অ্যাকাউন্টে।

রিজার্ভ চুরির বাকি ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যায় শ্রীলংকার সেচ্ছাসেবি সংগঠন শাকিলা ফাউন্ডেশনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে।  প্রাপক সংস্থার নামের বানানে ভুল থাকায় ওই টাকার পেমেন্ট আটকে দেয় ব্যাংক কর্মকর্তারা।

এফ/০৮:৫৫/২২ এপ্রিল

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে