Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.3/5 (4 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১৯-২০১৬

হাজার কোটির প্রকল্প হয়ে গেল ১৮ হাজার কোটি টাকা

হাজার কোটির প্রকল্প হয়ে গেল ১৮ হাজার কোটি টাকা

ঢাকা, ১৯ এপ্রিল- চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সাপ্তাহিক একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। 

এ ছাড়া আরও ৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক। বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

কক্সবাজার-মিয়ানমারের সীমান্ত পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের লক্ষ্যে দোহাজারি থেকে কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয় ২০১০ সালে। প্রথমে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ১৮২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। ৫ বছর পর প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়াল ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। 

কক্সবাজার থেকে মায়ানমার নির্মাণ প্রকল্পটিসহ ১৮ হাজার ৬৫৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৮ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে একনেক।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘একনেক বৈঠকে কক্সবাজার থেকে মিয়ানমারের সীমান্ত পর্যন্ত রেলওয়ে লাইন নির্মাণ প্রকল্পসহ ১৮ হাজার ৬৫৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। 

এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৫ হাজার ৪৯৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আর সংস্থার নিজস্ব তহবিল ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ এবং প্রকল্প সাহায্য ১৩ হাজার ১১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা।’

রেলওয়ে নির্মাণ প্রকল্পটি সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম সড়কপথ। কক্সবাজারে যেতে রেল যোগাযোগ নেই।’

তিনি বলেন, ‘ওই পথে রেল যোগাযোগের লক্ষ্যে ২০১০ সালে দোহাজারি থেকে কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। সে সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ১ হাজার ৮৫২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

কিন্তু উন্নয়ন সংস্থার সাহায্য নিশ্চিত না হওয়ায় প্রকল্পটির বাস্তবায়ন অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এখন এডিবির সহায়তায় প্রকল্পটি নতুন করে ব্যয় বাড়িয়ে অনুমোদন দেয়া হলো।’

প্রকল্পটির প্রধান কার্যক্রম হলো— দোহাজারি থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার এবং রামু থেকে মিয়ানমারের কাছে গুনদুম পর্যন্ত ২৮ দশমিক ৭৫২ কিলোমিটার সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ। 

রেললাইন নির্মাণের জন্য সরকার ১ হাজার ৭৪১ একর জমি অধিগ্রহণ করেছে। পরিকল্পনামন্ত্রী জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনবার্সনের ব্যবস্থা করা হবে।

অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ‘১০০ মিটার গেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ পুনর্বাসন’ প্রকল্প। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ‘যাত্রাবাড়ী মোড় হতে ত্রিমুখী রাস্তা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

‘বড়তাকিয়া থেকে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল সংযোগ সড়ক’ প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। ‘সাদুল্লাপুর-পীরগঞ্জ-নবাবগঞ্জ জেলা মহাসড়ক প্রস্থকরণ’ প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে  ৯০ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৯৩তম কিলোমিটারে ২১৯ দশমিক ৪৫৬ মিটার দীর্ঘ শাহবাজপুর সেতু নির্মাণ এবং বিদ্যমান সেতু পুনর্বাসন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪ কোট ১৬ লাখ টাকা।

এ ছাড়া ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘মনু নদী সেচ প্রকল্প আওতাধীন কাশিমপুর পাম্প হাউস পুনর্বাসন’ এবং ৪২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘মাল্টি চ্যানেল স্লিপওয়ে নির্মাণ’ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে