Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.2/5 (5 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১৯-২০১৬

রিজার্ভ চুরি: আরও ২০০ মিলিয়ন পেসো ফেরত দিলেন কিম অং

রিজার্ভ চুরি: আরও ২০০ মিলিয়ন পেসো ফেরত দিলেন কিম অং

ঢাকা, ১৯ এপ্রিল- বাংলাদেশের চুরি হওয়া রিজার্ভের আরও ২০০ মিলিয়ন পেসো (প্রায় ৪৩ লাখ ডলার) ফিলিপিন্সের মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ কাউন্সিল-এএমএলসিকে ফেরত দিয়েছেন দেশটির ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কাম সিন অং ওরফে কিম অং।

তার কোম্পানি ইস্টার্ন হাওয়াই লেইজার কোম্পানি লিমিটেড সোমবার এই অর্থ ফেরত দেয় বলে মঙ্গলবার ফিলিপিন্সের সিনেট কমিটির শুনানিতে এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাক আবাদ জানান।

“এটা বাংলাদেশের জনগণের কাছে পাঠানো হবে।”

কিম অংয়ের পক্ষ থেকে এর আগে গত ৩১ মার্চ ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং ৪ এপ্রিল আট লাখ ৩০ হাজার ৫৯৫ ডলার এএমএলসিকে ফেরত দেওয়া হয়।

এ নিয়ে এই ক্যাসিনো জাঙ্কেট এজেন্টের কাছ থেকে মোট ৯৮ লাখ ডলার ফেরত এসেছে বলে ফিলিপিন্সভিত্তিক অনলাইন সংবাদ মাধ্যম র‌্যাপলার ডটকম জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভে সঞ্চিত বাংলাদেশের অর্থ থেকে হাতিয়ে নেওয়া ৮১ মিলিয়ন (আট কোটি) ডলারের মধ্যে প্রায় দুই কোটি ১৫ লাখ ডলার (একশ কোটি পেসো) অংয়ের কোম্পানিতে গিয়েছিল।

এর মধ্যে ৪৫০ মিলিয়ন পেসো শুহুয়া গাও নামে এক চীনা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ধার পরিশোধ হিসেবে পেয়েছিলেন বলে দাবি কিম অংয়ের। এই অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অং, তার অংশ হিসেবেই সোমবার ২০০ মিলিয়ন পেসো দিয়েছেন তিনি।

অংয়ের ভাষ্যমতে, বেইজিংয়ের শুহুয়া গাও এবং ম্যাকাওয়ের ডিং জিজের নামে দুজন জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশের ওই অর্থ ফিলিপিন্সে নিয়েছিলেন।

কিম অং বলেন, তার হাতে আসা অর্থের বাকি ৫৫০ মিলিয়ন পেসো জুয়ার টেবিলে গিয়েছিল। তার মধ্যে ৫১০ মিলিয়ন পেসো মিডাস হোটেল ও ক্যাসিনোয় হার হয়েছিল।

মিডাস হোটেল অ্যান্ড ক্যাসিনো এবং সোলাইরি রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোর অপারেটরদের প্রতি অর্থ ফেরত দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফিলিপিন্সের সিনেটররা।

কিম অংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৮১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬৩ মিলিয়ন ডলারই এই দুই ক্যাসিনোয় ঢুকেছিল।

বাকি ১৭ মিলিয়ন ডলার মুদ্রা বিনিময়কারী সংস্থা ফিলরেমের কাছে রয়েছে বলে তিনি বললেও তা অস্বীকার করেছে সংস্থাটি।

এএমএলসি কিছু অর্থ উদ্ধার করতে পারলেও তা বাংলাদেশের হাতে আসতে ‘কিছুটা’ সময় লাগবে বলে ম্যানিলায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ জানিয়েছেন।

ফিলিপিন্সের আইন অনুযায়ী অংয়ের লিখিত সম্মতি ছাড়া এই অর্থ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা করতে হবে, যা কিছু দিনের মধ্যে করা হবে বলে এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জানিয়েছেন।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে