Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.2/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১৯-২০১৬

বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে, ৭২-এ নিশ্চিত ছিলেন বান কি মুন

বাংলাদেশ নিজের পায়ে দাঁড়াবে, ৭২-এ নিশ্চিত ছিলেন বান কি মুন

জেনেভা, ১৯ এপ্রিল- প্রথমবার এসে তিনি দেখেছিলেন ধ্বংসস্তুপ। পরের বছর এসেছিলেন সম্পর্ক উন্নয়নে। সদ্য স্বাধীন দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রয়েছেন। ‘সম্ভবনাময়’ এই দেশকে নিয়ে তিনি নিশ্চিত ছিলেন এই জাতি একসময় নিজের পায়ে দাঁড়াবেই। কথাগুলো বাংলাদেশকে নিয়ে বলেছেন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন, যিনি সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে স্মৃতিচারণ করেছেন।

সোমবার দুপুরে সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় খাবার টেবিলে বসে জাতিসংঘের মহাসচিব বাংলাদেশ সম্পর্কে এভাবে স্মৃতিচারণ করেছেন বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

বাংলাদেশ সময় ৫টার দিকে (সোমবার) দেওয়া পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক স্ট্যাটাস হুবুহু তুলে ধরা হলো: “মুক্তিযুদ্ধের কয়েক সপ্তাহ পরেই দক্ষিণ কোরিয়ার দিল্লিস্থ মিশনের একজন জুনিয়র অফিসারকে ঢাকায় পাঠানো হলো পরিস্থিতি দেখার জন্য। তেজগাঁও এ নেমে ধংসস্তুপ ঠেলে তিনি রিকশায় চেপে নব্য স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসলেন। এশিয়া বিভাগের একজন কর্মকর্তার সাথে বৈঠক শেষে তার নাম আর ঢাকার টেলিফোন নম্বরটা চাইলেন। স্বাভাবিক কারণেই কোনো কার্ড ছিল না।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেই কর্মকর্তা সযত্নে টেবিলের একপাশে রাখা একটা এ ফোর (A4) সাইজের কাগজ সাবধানে হাতে তুলে নিয়ে তার এক কোনায় যত ছোট করে নাম আর টেলিফোন নম্বর লেখা যায় তা লিখে শুধু সেই অংশটুকু সাবধানে ছিঁড়ে কোরিয়ান ব্যক্তিটিকে দিলেন।

ধ্বংসস্তুপের মধ্যে দিয়ে রিকশায় আবার ফিরতে ফিরতে সেইদিন তিনি ভেবেছিলেন সেই সামান্য একটা সাদা কাগজ বাঁচানোর চেষ্টার কথা এবং নিশ্চিত হয়েছিলেন এই জাতি একসময় নিজের পায়ে দাঁড়াবেই।

১৯৭৩-এ আবার তিনি এসেছিলেন দিল্লিস্থ কোরিয়ার অ্যাম্বাসেডরকে নিয়ে ঢাকায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় তার অ্যাম্বাসেডরের কলমটা কাজ করছিল না, সেই তরুণ কোরিয়ান কর্মকর্তা তার কলমটি এগিয়ে দিয়েছিলেন স্বাক্ষর করার জন্য। খুব সযত্নে সেই কলমটি এখনও সংরক্ষণে রেখেছেন তিনি।

কেন? জানতে চাইলাম খাবার টেবিলে। উত্তর আসলো, ১৯৭২ এর প্রথম সফর তাকে প্রচণ্ড নাড়া দিয়েছিল। আর নতুন দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষণের সাক্ষী হয়ে থাকার অভিজ্ঞতা তো একজন কূটনীতিকের জীবনে বারবার আসে না।১৯৭২ এর সেই তরুণ কূটনীতিক আজকের জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন। জেনেভায় দুপুরের খাবার টেবিলে তার এই স্মৃতিচারণ।”

এফ/০৮:৪০/১৯ এপ্রিল

 

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে