Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১৭-২০১৬

গৃহে শান্তি থাকলেও কেন্দ্রিয় সরকারে বিরক্ত মার্কিনীরা

গৃহে শান্তি থাকলেও কেন্দ্রিয় সরকারে বিরক্ত মার্কিনীরা

ওয়াশিংটন, ১৭ এপ্রিল- সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মিডিয়া অ্যাসোসিয়েট প্রেসের করা এক জরিপে দেখা যায় কেন্দ্রিয় সরকারের প্রতি বেশ বিরক্ত মার্কিন জনগণ। মার্কিনীরা তাদের পরিবার-পরিজন এবং অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেও সরকার নিয়ে মোটেও নয়। জনগণের দৃষ্টিতে কেন্দ্রিয় সরকার তাদের মনের লাল কার্ড পেয়েছেন অনেক আগেই। জরিপে দেখা যায়, প্রতি দশজন মার্কিনীর মধ্যে আটজনই কেন্দ্রিয় সরকারের উপর রাগান্বিত।

জনগণের মধ্যে রিপাবলিকান শিবিরে এই অসন্তোষের হার সবচেয়ে বেশি। আনুপাতিক হিসেব করলে রিপাবলিকানদের অর্ধেক ও ডেমোক্রেটদের এক তৃতীয়াংশ সমর্থক সরকারের উপর বিরক্তি প্রকাশ করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান কেন্দ্রিয় সরকারের জনবান্ধব নীতির কারণে খোদ রিপাবলিকান শিবিরেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধীতা দেখা যাচ্ছে। যদিও জরিপে দলীয় পর্যায়ে সরকারের প্রতি অসন্তোষের মাত্রা অতটা প্রকাশ্য না হলেও, সাধারণ জনগণের মাঝে বিরোধীতার প্রবনতা অনেক বেশি।

জরিপ অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, সাধারণ মার্কিনীরা ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী উভয় দলের উপরই সমানভাবে বিরক্ত। মিশিগানের বাসিন্দা ৩৭ বছর বয়সী গ্রেগ বেলডিং মতামত প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘এখানে অনেক লবিস্ট কাজ করে এবং এমন অনেকেই আছেন যারা সত্যিকার অর্থেই জনগণের জন্য কোনো কাজ করে না। তারা শুধু নিজেদের পকেট পূর্ণ করার জন্যই কাজ করছে।’ অর্থাৎ একজন সাধারণ মার্কিনীর কাছে মার্কিন নীতি নির্ধারকদের ভাবমুর্তি মোটেও ভালো নয় বরং বোঝা যাচ্ছে যে সরকারের অভ্যন্তরে দুর্ণীতিগ্রস্ত অনেক মানুষ রয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়ার অপর এক ৫৮ বছর বয়সী বাসিন্দা জন সানতোরো তার অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে সন্তুষ্ট। তিনি বর্তমানে একটি মার্কেট ডেভলপমেন্ট কোম্পানির ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু তিনিও মনে করছেন, দেশের ঋণের হার কমাতে কেন্দ্রিয় সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই বললেই চলে। অবশ্য তিনি এই ঘটনার জন্য মূলত প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকেই দায়ি করেন। তার দৃষ্টিতে বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের পক্ষে রাজনীতি করার চেয়ে ফান্ড ভারি করবার জন্য রাজনীতি করছে।

জনগণের এই অসন্তোষের মধ্যে অনেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যোগ্য ব্যক্তি মনে করছেন। কিন্তু পাশাপাশি ট্রাম্পের বিপরীতমুখী কথাবার্তা এবং ব্যবস্থাপনার অভাবের জন্য তার প্রতি জনগণ আস্থা রাখতেও পারছে না। এখন পর্যন্ত ট্রাম্প নিজের অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনে লড়াই করছেন। কিন্তু সানতোরোর কথা আলাদা। তিনি হয়তো যোগ্য প্রার্থী না পেয়ে শেষমেষ টেড ক্রুজকেই ভোট দেবেন আগামী নির্বাচনে।

সাবেক ডেমোক্রেট সমর্থক ডেবরা ওয়াটারসন ২০০৮ সালের নির্বাচনে বারাক ওবামা এবং মিট রমনির পক্ষে ছিলেন। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তীতে তিনি হতাশ হন। তার ভাষায়, ওয়াশিংটন এবং সিনেটে অস্ত্র ব্যবসায়িদের অনেক কর্তৃত্ব রয়েছে এবং এই সিনেট ওবামার প্রার্থীকে কোনোদিন ভোট দেবেন কিনা সন্দেহ আছে। এমনকি ডেবরা কেন্দ্রিয় সরকারে অর্থনৈতিক এবং বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতিমালাকে সমর্থন করেন না। 

এফ/২৩:০৯/১৭ এপ্রিল

উত্তর আমেরিকা

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে