Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 1.0/5 (6 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১৭-২০১৬

জাপানের ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া পাকিস্তানির সাক্ষাৎকার

জাপানের ভূমিকম্প থেকে বেঁচে যাওয়া পাকিস্তানির সাক্ষাৎকার

টোকিও, ১৭ এপ্রিল- ভূমিকম্পের পর জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কুমামোতোর বর্তমান অবস্থা নিয়ে জাপানের সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া এক পাকিস্তানি। কুমামোতোর মধ্যাঞ্চলেই বসবাস করেন পাকিস্তানি নাগরিক মোহাম্মদ দিলশাদ। 

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কয়েক মুহূর্তের মধ্যে হঠাৎ করে সবকিছু ঘটে গেল। ভূমিকম্পটি এতো জোরে ছিল যে আমরা দাঁড়াতে পারছিলাম না। এটির স্থায়িত্ব ছিল অল্প, কিন্তু যদি এটি আর ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড বেশিক্ষণ চলতো, আমার মতে- এটা কোবের ভূমিকম্পের মতো ভয়ঙ্কর কিছু হতে পারতো। ভূমিকম্পের সময়, আমার দুই বছর বয়সী মেয়ে ছিল কোলে এবং আমার দ্বিতীয় শিশু পাশেই বসে ছিল। তখন আমরা সবাই খুব ভয় পেয়েছিলাম। 

ভূমিকম্পের পর একটি চুলা থেকে ফুটন্ত চা পড়ে যায় এবং বেশিরভাগ গৃহস্থালী জিনিসপত্র উলটে যায়। আমাদের আবাসিক ভবনে ১১টি তলা রয়েছে এবং আমি যতদূর দেখলাম, প্রথম থেকে চতুর্থ বা পঞ্চম তলা পর্যন্ত ফাটল ধরে।

প্রায় সবাই সারা রাত বাইরে তাদের গাড়িতে বা খোলা জায়গায় কাটায়। আমরাসহ কিছু লোক একটি পার্শ্ববর্তী স্কুলের তৃতীয় তলায় এবং মাঠে রাত কাটাই। বাইরে অনেক ঠাণ্ডাও ছিল তখন। আমাদেরকে বলা হয় যে, পরবর্তী তিন থেকে চার দিনও বিপদের আশঙ্কা থাকতে পারে। কারণ আরো শক্তিশালী ঝাঁকুনির সম্ভাবনা রয়েছে। 

ঘটনার পর সারা রাত ধরে সমস্ত কুমামোতোর উপরে আমাদের এলাকায় হেলিকপ্টার উড়ছিল। মধ্য কুমামোতোতে ফ্ল্যাটে বাস করা কিছু পরিবার অন্যান্য এলাকায় তাদের আত্মীয়দের বাসায় চলে গেছেন। 

এদিকে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর ধারণা করছে কুমামোতো জেলায় ৬ দশমিক ৫ মাত্রার আঘাত হানা বৃহস্পতিবারের ভূমিকম্প শনিবারের ভূমিকম্পের পূর্ববর্তী কম্পন। শনিবার সকালের দিকে অঞ্চলটিতে ৭ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানার পর আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তা গেন আওকি এক সংবাদ সম্মেলন করে এটি জানান।

তিনি বলেন, সর্বশেষ ভূমিকম্পটির মাত্রা বৃহস্পতিবারের ভূমিকম্প থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং এটিকে মূল ভূকম্পন বলে মনে হয়। বৃহস্পতিবারের ভূমিকম্পের তুলনায় আরো ব্যাপক এলাকায় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তিনি ভূমিকম্প কবলিত এলাকার জনগণকে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে যাওয়ারও অনুরোধ জানাচ্ছেন। আওকি বলেন, আগামী সপ্তাহজুড়ে এ তীব্রতার ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পন অনুভূত হতে পারে।

এদিকে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভূমিকম্পে মোট ১৯ জন মারা গেছেন। দেশটির বেশ কয়েকটি শহরের অবকাঠামোতে ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়। এরমধ্যে কুমামোতো শহরের দুইশ মিটার দীর্ঘ রাস্তাটি শনিবার সকালে সর্বশেষ ভূমিকম্প আঘাত হানার আগেই ভেঙে যায়।

এফ/০৮:৩৬/১৭ এপ্রিল

এশিয়া

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে