Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১২-২০১৬

স্তনদুগ্ধ সম্পর্কে ১৮টি তথ্য যা হয়তো জানেন না

হাস্নুহানা বসু


স্তনদুগ্ধ সম্পর্কে ১৮টি তথ্য যা হয়তো জানেন না

স্তনদুগ্ধ হল অন্যতম প্রাকৃতিক খাদ্য যা অত্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ। কিন্তু স্তনদুগ্ধে কী কী ভিটামিন থাকে, দুগ্ধবতী মায়ের খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে স্তনদুগ্ধের কী সম্পর্ক সে বিষয়ে বিশদে অনেকেই জানেন না। জেনে নিন এই ১৮টি তথ্য।

১) সন্তান জন্মের পরে মেয়েদের শরীরে প্রোট্যাক্টিন নামে একটি হরমোন সক্রিয় হয় এবং এটিই মূলত শরীরকে জানায় যে স্তন্যদানের সময় এসে গিয়েছে। 

২) স্তনদুগ্ধ শিশুদের মধ্যে ওবেসিটির সম্ভাবনা কমায়। যে সব শিশু দীর্ঘদিন মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়েছে তাদের মধ্যে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। 

৩) স্তনে দুধ তৈরি হতে প্রচুর পরিমাণ জলের প্রয়োজন হয়। তাই দুগ্ধবতী মায়েদের প্রচুর জল খাওয়া উচিত। 

৪) ব্রেস্ট মিল্ক গ্ল্যান্ড তৈরি হয় দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে অর্থাৎ তিন মাসের পরে। 

৫) ব্রেস্ট মিল্কের কোনও বিকল্প সত্যিই হয় না এবং এর কোনও পরিবর্ত তৈরি করা সম্ভব নয়। 

৬) স্তনদুগ্ধ একেবারেই ইউনিক। অর্থাৎ প্রত্যেক নারীর স্তনদুগ্ধ আলাদা। শুধু তাই নয়, কোনও মহিলার সকালের স্তনদুগ্ধ থেকে বিকেলের স্তনদুগ্ধ আলাদা হয়। 

৭) প্রত্যেকবার ফিডিংয়ে যত সময় গড়ায় ততই পাল্টে যায় দুধের রং এবং উপাদান। ফিডিংয়ের প্রথম দিকে দুধের মধ্যে মূলত থাকে ল্যাকটোজ এবং প্রোটিন। শেষের দিকে দুধের মধ্যে মূলত থাকে ফ্যাট। স্তন্যপান শেষ হলে দুধের রংও পাল্টে যায়। 

৮) সন্তানের যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক সেই পরিমাণ দুধই তৈরি হয় স্তনে। ফিডিং করতে শুরু করলে দুধের পরিমাণ বেড়ে যায় আবার ফিডিং করা কমিয়ে দিলে দুধের পরিমাণ কমে যায়। 

৯) একজন দুগ্ধবতী মহিলার শরীরে খাবারের মধ্য দিয়ে যে সমস্ত ভিটামিন যায়, স্তনদুগ্ধেও সেই ভিটামিনগুলিই থাকে। 

১০) অ্যালকোহল সেবন করলে অবশ্যই স্তনদুগ্ধে অ্যালকোহল থাকে। দুগ্ধবতী মায়েদের মদ্যপানে নিষেধাজ্ঞা নেই তবে খেলে তার দু’তিন ঘণ্টার মধ্যে ব্রেস্টফিডিং করা উচিত নয়। 

১১) ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত নষ্ট হয় না ব্রেস্ট মিল্ক। শুধু তাই নয়, এয়ারটাইট ও স্টেরিলাইজড কন্টেনারে ভরে ফ্রিজে রাখলে তা ৫ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত ভাল থাকে। 

১২) ব্রেস্ট মিল্ক কখনওই মাইক্রোওয়েভে গরম করা উচিত নয়। 

১৩) স্তনবৃন্তে বা নিপলে গড়ে ১৫-২০টি ছিদ্র থাকে যার থেকে দুগ্ধক্ষরণ হয়।  

১৪) ফিডিংয়ের প্রথম দিকে অর্থাৎ সন্তান জন্ম হওয়ার ঠিক পরে পরেই দুগ্ধক্ষরণ অপেক্ষাকৃত কম হয় কারণ তখন সদ্যোজাত খুব বেশি খেতে পারে না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে দুগ্ধক্ষরণের পরিমাণ। 

১৫) ধাই-মার প্রচলন এখন আর খুব একটা নেই তবে প্রয়োজন পড়লে অন্য কোনও দুগ্ধবতী মহিলা সন্তানকে স্তন্যপান করাতেই পারেন। 

১৬) স্তনদুগ্ধ থেকে চিজ তৈরি করে সকলকে অবাক করে দিয়েছেন নিউ ইয়র্কের এক শেফ। 

১৭) বিজ্ঞানীরা বলেন, যে শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে মায়ের দুধ খেয়েছে তার আইকিউ সচরাচর বেশি হয়। 

১৮) কোলের শিশুর ক্ষেত্রে ব্রেস্ট মিল্ক হল সবচেয়ে ভাল ওষুধ যে কোনও ইনফেকশন বা সাধারণ রোগ-ব্যাধির ক্ষেত্রে। 

এফ/০৮:০৫/১২ এপ্রিল

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে