Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 2.0/5 (1 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১১-২০১৬

যে ১২টি কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এই নির্বাচন ভয়ের

যে ১২টি কারণে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এই নির্বাচন ভয়ের

কলকাতা, ১১ এপ্রিল- ভোটের প্রচারে শাসকদল বারবার কৌশল বদল করছে। আর তাতেই স্পষ্ট হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের ‘ভয়’। বিরোধী শিবির নয়, তৃণমূল শিবিরের আসল ভয় ভোটারদের নিয়েই। দেখে নেওয়া যাক সম্ভাব্য ১০টি কারণ—

১। শুধু রাজ্যে নয়, এই দেশে ভোট বরাবরই হয় নেগেটিভ ইস্যুতে। বামদের সরিয়ে রাজ্যের ক্ষমতা দখল সেই পথেই করেছে তৃণমূল। মোদিও ক্ষমতায় আসেন কংগ্রেস বিরোধী হাওয়াকে কাজে লাগিয়ে। তাই গত বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী তৃণমূলের কাছে লড়াই যতটা সহজ ছিল এবার ততটাই কঠিন।

২। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারের শুরুতে তাঁর সরকারের সাফল্য তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেটা যে কাজে লাগছে না তা পরে বুঝেছেন। এখন তাই বিরোধীদের বিরোধিতা করে, তাদের অতীতের ত্রুটি তুলে ধরতে চাইছেন।

৩। কংগ্রেস নিয়ে সিপিএমের জোটকে তৃণমূল কটাক্ষ করলেও আড়ালে হাসছেন ভোটাররা। কারণ, পাঁচ বছর আগে এই কংগ্রেসর হাত ধরেই বামেদের গদিচ্যুত করেছিল ঘাসফুল বাহিনী।

৪। অতীতের বাম সরকারের নিন্দা করে ভোট টানা কঠিন। কারণ, সাধারণত ভোটাররা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়েই ভাবেন। তাই নেতাই, সাঁইবাড়ির প্রসঙ্গ তুললেও সাধারণ মানুষ বেশি ভাবছেন কামদুনি, পার্কস্ট্রিট, খাগড়াগড় কাণ্ড।

৫। ইতিমধ্যেই বাম আমলের অত্যাচারের অভিযোগগুলি তুলে প্রচারে চার্জশিট পেশ করেছেন তৃণমূলনেত্রী। কিন্তু নতুন এবং যুবক ভোটারদের বড় অংশ সাঁইবাড়ি কিংবা নেতাই নিয়ে সেভাবে ওয়াকিবহাল নন।

৬। সারদাকাণ্ডের পরে পঞ্চায়েত বা পুরভোট সামাল দেওয়া গিয়েছিল। কিন্তু বিধানসভা ভোট পরিচালনা নির্বাচন কমিশনের হাতে। রাজ্য প্রশাসনের কিছু করার নেই। এখন সারদার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নারদকাণ্ড।

৭। স্টিং অপারেশন নারদ টিভি না হয়ে অন্য কোনও সংস্থা করলে এতটা মুশকিল হত না। ইংরাজি বা হিন্দিতে narada ও saradh সমোচ্চারিত হওয়ায় স্টিং কাণ্ডের সঙ্গে সারদা প্রসঙ্গ বেশি করে উঠছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য— ‘পহলে সারদা, ফির নারদা’।

৮। ‘সততা’শব্দটিই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ইউএসপি। কিন্তু নারদকাণ্ড সেই স্লোগানের মূলেই কুঠারাঘাত করেছে। দল কুৎসা বলে দাবি করলেও জনগণ এটাকে সত্যি বলেই মানছে। শেষে তাই কার্যত সত্যতা স্বীকারও করতে হয়েছে। সিন্ডিকেট নিয়ে স্টিং-ও সমান ভয়ের কারণ।

৯। বুথে বুথে এজেন্টরা এককাট্টা। জোট তো হয়েইছে, তার উপরে বিজেপি একা লড়লেও ইতিমধ্যেই হওয়া ভোটে দেখা গিয়েছে বুথের ভিতরে বিরোধী সব দলের এজেন্টরা জোটবদ্ধ। এর উপরে কড়া নজর কমিশনের।

১০। গত পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকায় দলের ভিতরেই অনেক অতৃপ্ত কর্মী নেতা। তারা ঠিক কী করবেন অজানা। গত বিধানসভা নির্বাচনে গোষ্ঠীদ্বন্দ তেমন ছিল না। এবার সেটা প্রকট।

১১। প্রচারে নতুন মুখ নেই। পুরনো মুখেরও আকাল। নারদ-বিদ্ধদের প্রচারে চাইছেন না তৃণমূলনেত্রী। দলের প্রথমসারির নেতারা প্রায় সকলেই অভিযুক্ত। তারকারাও এবার সংখ্যায় কম। উল্টো দিকে প্রচারে বড় ভূমিকা নিয়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক। বেশি করে হোয়াটস অ্যাপ।

১২। সরকারি কর্মচারীরা ক্ষুব্ধ। ডিএ ছাড়াও বেতন কমিশন গঠন নিয়ে গড়িমসি ক্ষোভ তৈরি করেছে। ভোট পরিচালনায় সহযোগিতা পাওয়ার সুযোগ কম। কমিশনের অ্যাপ চুপচাপ অভিযোগ জানানোর সুযোগ করে দিয়েছে।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে