Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English
» নাসিরপুরের আস্তানায় ৭-৮ জঙ্গির ছিন্নভিন্ন মরদেহ **** ইমার্জিং কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ       

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-১১-২০১৬

বর্ষবরণে টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার রহস্যের জট খোলেনি এখনও

বর্ষবরণে টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার রহস্যের জট খোলেনি এখনও

ঢাকা, ১১ এপ্রিল- গত বছর পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারী লাঞ্ছনার ঘটনায় মো. কামাল নামে একজনকে গ্রেফতার করে দুই দফায় রিমান্ডে নিলেও মামলার রহস্যজট খোলেনি এখনও। এর আগে কোনো আসামি গ্রেফতার করতে না পেরে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল পুলিশ।

এদিকে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার বিধান থাকায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তারা।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, এক বছরেও এরকম একটি চাঞ্চল্যকর মামলার নিষ্পত্তি করতে না পারাটা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতার পরিচায়ক।

গত পহেলা বৈশাখ (১৪ই এপ্রিল ২০১৫) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় কয়েকজন যুবক কর্তৃক নারীর শ্লীহতাহানীর ঘটনা ঘটে। আনন্দ উল্লাসের নামে সেখানে নারীদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়।

এ ঘটনায় পরদিন শাহবাগ থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে ওই সময় ব্যাপক আলোচনা হয়। সমালোচনার মধ্যে পড়ে পুলিশ বিভাগ। পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে নির্যাতনকারীদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ওই ঘটনার পর অভিযোগ উঠে বখাটেদের কয়েকজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করা হলেও ছেড়ে দেওয়া হয় তাদের।

তবে, চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি কামাল নামে একজনকে গ্রেফতারের পর মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করা হয়। কামালকে দুই দফায় সাতদিন রিমান্ডে নিলেও পাওয়া যায়নি কিছুই।

পুলিশ বলছে, ভিডিও ফুটেজ থেকে আটজনকে শনাক্ত করেছিলেন তারা। তবে ঘটনার ব্যাপারে কোনো অভিযোগকারী কিংবা সাক্ষী না পাওয়ায় আসামি গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আসামি খুঁজে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মামলা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করা হয়।

গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের উপ কমিশনার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, 'নারী নির্যাতন মামলার একটা সময় দেওয়া আছে। আমরা দুইবার সময় বাড়িয়ে দেওয়ার পরও আসামী গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। একপর্যায়ে আমরা মামলাটি পুলিশ রিপোর্ট দিতে বাধ্য হই।'

কামাল ছাড়া আরও যে সাতজনকে শনাক্ত করা হয়েছিল তাদের গ্রেফতার করতে পারলে মামলার রহস্যের জট খুলবে বলেও আশা পুলিশ কর্মকর্তাদের।

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে