Deshe Bideshe

DESHEBIDESHE

Login
ইউনিজয়
ফনেটিক
English

গড় রেটিং: 0/5 (0 টি ভোট গৃহিত হয়েছে)

print
আপডেট : ০৪-০৮-২০১৬

তনুর পরিবার আবারো সিআইডির মুখোমুখি

তনুর পরিবার আবারো সিআইডির মুখোমুখি

কুমিল্লা, ০৮ এপ্রিল- কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর হত্যার ঘটনায় আবারও পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কর্মকর্তারা।

শুক্রবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকে কুমিল্লা সিআইডি অফিসে তনুর বড় ভাই নাজমুল হোসেন ও তনুর দুই বান্ধবীসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা থেকে আসা সিআইডির একটি দল।

সকাল সাড়ে ৮টায় তনুর ভাই নাজমুল হোসেন ও চাচাতো বোন লাইজু এবং তনুর দুই বান্ধবীকে কুমিল্লার সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ও তনু হত্যা মামলা তদন্ত সহায়ক কমিটির প্রধান আবদুল কাহ্হার আকন্দসহ সিআইডির একটি দল কুমিল্লায় আসে। গভীর রাত অবধি ঢাকা ও কুমিল্লার সিআইডির সমন্বিত দলটি সেনানিবাসের ৪ সেনা সদস্যকে কুমিল্লা সিআইডির কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে কারো নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 

সিআইডির কুমিল্লা অঞ্চলের বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান রাত দেড়টার দিকে সাংবাদিকদের জানান, তনু হত্যার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে লাশ পাওয়ার সময় পর্যন্ত ওই সড়কে কারা কখন কীভাবে দায়িত্বে ছিলেন সে বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা নিতে এবং তারা কীভাবে দায়িত্ব পালন করেছে এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করা হয়েছে। আরো অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে তনুর লাশ পাওয়া যায়। তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় পরদিন তনুর বাবা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) থেকে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে মামলাটি তারাই তদন্ত করছে। 

এদিকে, ঘটনা তদন্তে র‌্যাব ও পুলিশসহ একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা মাঠে নামে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় হওয়াতে বেশি স্পর্শকাতর হয়ে পড়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে সারাদেশে চলছে বিক্ষোভ। তবে সপ্তাহখানেক পরে সেনা সদরদপ্তর থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, তারাও তনুর ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। এ ব্যাপারে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করারও আশ্বাস দেয়া হয়।

প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অনুমান করলেও তনুর প্রথম ময়নাতদন্ত রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু না বলায় প্রতিবেদন নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ তুলে নমুনা নেয়া হয়েছে। এখন অপেক্ষা সেই তদন্ত প্রতিবেদনের।

জাতীয়

আরও সংবাদ

Bangla Newspaper, Bengali News Paper, Bangla News, Bangladesh News, Latest News of Bangladesh, All Bangla News, Bangladesh News 24, Bangladesh Online Newspaper
উপরে